জার্সি নয়, বলেছিলাম তোমার বোনকে চাই: মাতেরাজ্জি

news-image

স্পোর্টস ডেস্ক : বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম আকর্ষণীয় গল্পই হয়ে আছে জিনেদিন জিদানের সেই কাণ্ডটি। ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল। ফ্রান্স ও ইতালির ম্যাচ ১-১ সমতায়। অতিরিক্ত সময়ের খেলা চলাকালে ইতালির ডিফেন্ডার মার্কো মাতেরাজ্জির বুকে ঢুস মেরে বসেন জিদান।

এরপর লাল কার্ড নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। টাইব্রেকারে গড়ানো ম্যাচটা জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নের মুকুট পড়ে ইতালি। অনেকেই বলেন, জিদান সেদিন লাল কার্ড দেখে মাঠ না ছাড়লে ট্রফি হয়তো ফ্রান্সের ঘরেই যেতো।

এ নিয়ে আক্ষেপ আছে জিদানের নিজেরও। অন্যদিকে মাতেরাজ্জির মনে বিশ্বকাপ জয়ী হওয়ার গৌরব। যদিও সেই ঘটনার পর নিজ দেশেও খলনায়ক বনে যান এই ডিফেন্ডার। জিদানের গোলের পর তার গোলেই যে সমতায় ফিরেছিল ইতালি সেই স্বীকৃতি খুব কমই পেয়েছেন তিনি।

১৪ বছর আগের জিদানের সেই ঠুস কাণ্ড এরপর ফিরে ফিরে এসেছে বারবার। এ নিয়ে চর্চাও হয়েছে অনেক। শুরুতে জানা গিয়েছিল জিদানকে মা-বোন নিয়ে গালি দেওয়ায় মাতেরাজ্জিকে ওই ঢুস মারেন জিদান।

২০১৭ সালে মাতেরাজ্জি বলেছিলেন, ‘আমার যখন ১৫ বছর বয়স তখন আমার মা মারা যায়। আমি কখনোই তাকে অপমান করতে পারি না।’ তবে জিদানের বোনকে ইঙ্গিত করে কিছু বলার কথা স্বীকার করেন বিতর্কিত চরিত্র মাতেরাজ্জি। তা কি এমন বলেছিলেন?

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রাম লাইভে প্রশ্নোত্তর পর্বে যুক্ত হয়েছিলেন ইতালিয়ান ডিফেন্ডার। সেখানেই নিজের মুখে পুরো ঘটনা প্রকাশ করেছেন।

মাতেরাজ্জি বলেন, ‘আমি ওই মুহূর্তে আসলে এমনটা কিছুতেই আশা করিনি। আমি যথেষ্ট ভাগ্যবান যে ঘটনাটা আমার জন্য বিস্ময়কর হয়ে এসেছিল। কারণ আমি যদি এমন কিছু আঁচ করতে পারতাম তবে আমি এ জন্য তৈরি থাকমাত। আমি নিশ্চিত যে খেলা শেষ হওয়ার আগে আমাদের দুজনেরই তখন শেষ হয়ে যেতো।’

মাতেরাজ্জি ঘটনার বিবরণ দিয়ে যান, ‘প্রথম অর্ধে সে (জিদান) ফ্রান্সের হয়ে গোল করে। আমাদের কোচ তাকে মার্ক করতে বলে আমাকে। আমাদের প্রথম সংঘর্ষ হলে আমি ক্ষমা চেয়ে নেই। কিন্তু সে বাজে ব্যবহার করে। এরপর বাজে ট্যাকেল, তর্ক-বিতর্ক ১১০ মিনিট পর্যন্ত চলতে থাকে, আমি ওই ঠুস খাওয়ার আগ পর্যন্ত।’

দুজনের তৃতীয় সংঘর্ষেই বাধে বিপত্তি। ‘তৃতীয় সংঘর্ষে আমি রাগ দেখিয়ে এগিয়ে যাই। সে বলে তুমি কি আমার জার্সি পেতে চাও। তোমাকে পরে আমার জার্সি দেব। আমি বলেছিলাম, জার্সির চেয়ে আমি বরং তোমার বোনকে চাই।’ বলেন মাতেরাজ্জি।

জিদান কেন, এমন কথায় তো যে কারো মাথা গরম হওয়ার জন্য যথেষ্ট।

জিদান শুরু থেকেই মাতেরাজ্জির এমন ব্যবহারের কথা বলে এসেছেন। তবে মাতেরাজ্জি এই প্রথম এভাবে অকপটে স্বীকার করলেন।

এতদিন মাতেরাজ্জি বলে এসেছেন তিনি জিদানকে বলেছিলেন, ‘তুমি জার্সিটি তোমার বোনকে দিত পারো।’

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ