আওয়ামী লীগ নেতা এনু ও রুপনের গোপন বাড়িতে শুধু টাকা আর টাকা

news-image

নিউজ ডেস্ক : ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেপ্তার গেণ্ডারিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়ার আরেক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে কয়েক কোটি টাকা ভর্তি সিন্ধুক এবং গয়না উদ্ধার করেছে র‌্যাব। সোমবার মধ্যরাত থেকে পুরান ঢাকার লালমোহন স্ট্রিটের ওই ছয়তলা বাড়ির নিচতলায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান চলে।

র‌্যাব জানায়, ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার গেণ্ডারিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়ার একাধিক বাড়ির বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গিয়ে এই বাড়ির সন্ধান পায় র‍্যাব। পুরান ঢাকার ওয়ারীর লাল মোহন সাহা স্ট্রিটের ছয়তলা এই বাড়ির নিচতলার বাসায় কেউ থাকতো না। বেশ সুরক্ষিত অবস্থায় সবকিছু রাখা ছিল এখানে।

অভিযানের বিষয়ে আরও জানা যায়, এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়ার এই বাড়ি থেকে টাকা ভর্তি পাঁচটি সিন্ধুক, পাঁচ কোটি টাকার এফডিআর বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের সিল লাগানো বেশ কিছু ক্যাসিনো সরঞ্জাম পাওয়া গেছে। সিন্দুকে পাওয়া নগদ টাকার হিসেবে পেতে টাকা গোনার মেশিন আনা হয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে সেখানে ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন র‍্যাব কর্মকর্তারা।

গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি এনামুল হক এনু ছিলেন ঢাকা ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের পরিচালক। তার ভাই রুপন ভূঁইয়া ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকার কয়েকটি ক্লাবে অভিযান চালিয়ে জুয়ার সরঞ্জাম, কয়েক লাখ টাকা ও মদ উদ্ধার করে র‌্যাব। এর মধ্যে ওয়ান্ডারার্স ক্লাব একটি। পরে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর পুরান ঢাকায় এনু-রুপন এবং তাদের দুই সহযোগীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। সে সময় তাদের বাসা থেকে পাঁচ কোটি ৫ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আট কেজি স্বর্ণ ও ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সিন্দুকে পাওয়া এই টাকার উৎস ছিল ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের ক্যাসিনো।

বেশ কিছুদিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যায় একটি ভবন থেকে এক সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন এনু-রুপন দুই ভাই। তাদের গ্রেফতারের পর সিআইডি জানায়, এনামুল হক এবং রুপন ভূঁইয়ার নামে ঢাকায় ২২টি বাড়ি ও জমি রয়েছে। এছাড়া তাদের ব্যবহার করা পাঁচটি গাড়ির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকে তাদের নামে ৯১টি একাউন্ট রয়েছে। এসব একাউন্টে ১৯ কোটি ১১ লাখ টাকা রয়েছে। ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর থেকে তাদের এসব ব্যাংক একাউন্ট অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করে রাখা হয়েছে।

ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ ক্যাসিনো ব্যবসা, জুয়া পরিচালনা, অর্থপাচার, মানি লন্ডারিংয়ের দায়ে মোট সাতটি মামলা দায়ের করা হয়, যার মধ্যে অবৈধ ক্যাসিনো ও জুয়া পরিচালনা ও অর্থ-পাচারের অভিযোগে চারটি মামলার তদন্ত করছে সিআইডি।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ