,

পদ্মার ভাঙনে বিলীনের পথে বাড়ি-ঘর ফসলি জমি

news-image

ফরিদপুর প্রতিনিধি : পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ফরিদপুর জেলা সদরের ডিক্রিরচর ইউনিয়নের পাল ডাঙ্গী ও ভাঙ্গি ডাঙ্গী গ্রামের বেশ কিছু বাড়ি-ঘর ও ফসলি জমি।

নদীর পানি কমতে শুরু করায় বেড়েছে ভাঙনের তীব্রতা। বিলীনের পথে রয়েছে আরও বাড়ি-ঘর, ফসলি জমি।

ফরিদপুরের পর্যটন স্পট ধলার মোড় বরাবর পদ্মা নদীর অপর পাড়ে ভাঙ্গি ডাঙ্গী গ্রামের একমাত্র গোরস্থানটিও বিলীন হয়েছে পদ্মায়। গোরস্থানের কাছেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের অনেকগুলো ঘর। নদী ভাঙনের কারণে স্থানীয়রা রয়েছেন আতঙ্কে। দ্রুত নদী ভাঙন রোধে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছেন তারা। সেটি যদি না হয়, ভাঙন কবলিত মানুষ ফের বাস্তুহারা হয়ে পড়বে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ভাঙ্গি ডাঙ্গী গ্রামে আগে চর ছিল। গত এক যুগ ধরে নদী ভাঙনে ক্ষতির শিকার মানুষজন এখানে ঘর বাড়ি বানিয়ে বসবাস শুরু করেছে। কৃষিকাজই আমাদের প্রধান জীবিকা। গত দুই সপ্তাহে প্রতিদিনই খেয়া ঘাটের পাশের ফসলি জমি নদীতে ভেঙে যাচ্ছে। পাড় ভাঙতে ভাঙতে নদী লোকালয়ের কাছে চলে আসছে। ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের সময় অতিবৃষ্টিতে আর পানি কমার সাথে তীব্র স্রোতে ভেঙেই চলেছে পদ্মা। আমরা চরবাসী আতঙ্কে আছি।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, ভাঙন কবলিত এলাকায় বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডাম্পিং করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা যে টিউবগুলো ফেলছি সেগুলো স্রোতের তোড়ে সরে যাচ্ছে, তবু এগুলো ভাঙনের গতি কমাবে। শুকনো মৌসুমে স্থায়ীভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না