,

মেসিডোনিয়ায় অভিবাসনপ্রত্যাশীর তালিকায় পঞ্চম বাংলাদেশ

news-image

প্রবাস ডেস্ক : উন্নত জীবনের আশায় বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত বিভিন্ন দেশ থেকে প্রতিবছর হাজারো মানুষ ইউরোপ, আমেরিকাসহ বিভিন্ন দেশে পাড়ি জমান। তাদের মধ্যে অনেকের বৈধ ভিসা থাকলেও একটি বড় অংশের মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিদেশ নামক মরীচিকার স্বপ্নে বিভোর হয়ে কোনো কিছু চিন্তা না করেই ছোটেন অজানার উদ্দেশে।

বিশেষত অবৈধ পথে যারা ইউরোপে পাড়ি জমাতে চান, তাদের অনেকে লিবিয়া হয়ে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালি অথবা গ্রিস আছেন। কেউ কেউ আজারবাইজান থেকে তুরস্ক হয়ে গ্রিস এবং গ্রিস থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

সম্প্রতি ইতালি ও গ্রিসের কোস্টগার্ড বাহিনীর তৎপরতায় সহজে কেউ সাগরপথের রুট ব্যবহার করে ইতালি বা গ্রিসে প্রবেশ করতে পারেন না। যদিও এ রুট দিয়ে প্রতিনিয়ত এখনো অনেক মানুষ ইউরোপে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন। তবে বর্তমানে নতুন একটি রুট ব্যবহার করে ইউরোপ বা সেনজেনর্ভুক্ত কোনো দেশে অবৈধভাবে প্রবেশের জন্য মোক্ষম হাতিয়ার হয়ে উঠেছে। রুটটি হচ্ছে বলকান রুট।

বলকান রুট হয়ে আসা ইউরোপে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের অন্যতম ট্রানজিট দেশ উত্তর মেসিডোনিয়া। এ দেশটিতে আসা অভিবাসনপ্রত্যাশীদের তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। দেশটিতে অভিবাসন নিতে আসা মোট নাগরিকের পাঁচ দশমিক ছয় শতাংশ বাংলাদেশি। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

দেশটির দুইটি ক্যাম্পে বসবাসরত এমন ১৮০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর উপর গত এপ্রিল-মে মাসে জরিপ চালিয়েছে আইওএম। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী এই অভিবাসীদের ৯৩ ভাগের বেশি মূলত সাতটি দেশ থেকে এসেছেন। তাদের প্রায় ৩২ শতাংশ সিরিয়ার নাগরিক। তার পরই আছেন পাকিস্তান (২৪.৪%), ভারত (১১.১%), মরক্কোর (৯.৪%) নাগরিক। এই তালিকায় আফগানিস্তানের সঙ্গে পঞ্চম অবস্থানে আছেন বাংলাদেশিরা।

জরিপে অংশ নেওয়া বাংলাদেশি অভিবাসীরা বলেন, তারা বেশিরভাগই গ্রিসে একবছর কাটিয়ে উত্তর মেসিডোনিয়ায় এসেছেন। বিভিন্ন দেশের অভিবাসীদের মধ্যেও বড় অংশই গ্রিস থেকে এসেছেন। আফগানিস্তান, পাকিস্তান থেকে আসা অভিবাসীরা ইরান, তুরস্ক বা গ্রিস হয়ে উত্তর মেসিডোনিয়া পৌঁছান।

এই অভিবাসীদের ৬২ শতাংশ জানিয়েছেন এই যাত্রায় তাদের এক হাজার থেকে আড়াই হাজার ডলার খরচ পড়েছে। আড়াই হাজার থেকে পাঁচ হাজার ডলার খরচ পড়েছে ১১.৭ শতাংশের। পাঁচ শতাংশ অভিবাসী পাঁচ হাজার থেকে ১০ হাজার ডলার ব্যয় করেছেন। এমনকি কেউ কেউ তার উপরেও খরচ করেছেন।

উত্তর মেসিডোনিয়ায় আসা অভিবাসীদের কেউ এ দেশটিতে থাকা চূড়ান্ত লক্ষ্য নয়। ৪৪.৪ শতাংশই পৌঁছাতে চান জার্মানিতে। এ ছাড়া অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, ইটালি ও নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্কও আছে তাদের আগ্রহের তালিকায়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না