,

ট্রেনে যাত্রীর চাপ বাড়লেও ভিড় নেই

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে যারা নাড়ির টানে ঢাকা ছেড়েছিলেন, জীবিকার তাগিদে তারা কর্মব্যস্ত নগরে ফিরছেন। এরই মধ্যে ঈদুল আজহার ছুটি শেষে খুলেছে সরকারি-বেসরকারি অফিস।

বুধবার (১৩ জুলাই) সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে সরেজমিনে দেখা যায়, মঙ্গলবারের (১২ জুলাই) তুলনায় কিছুটা বেড়েছে ঢাকায় ফেরা যাত্রীর চাপ। তবে, যাত্রীর চাপ বাড়লেও ট্রেনগুলোতে তেমন ভিড় নেই।

নাড়ির টানে ঘরেফেরা মানুষ ঈদের পরদিন থেকেই রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন। ট্রেনগুলোতে প্রতিদিনই ঢাকায় ফেরার মানুষের চাপ বাড়ছে। তবে চাপ বাড়লেও তেমন ভিড় লক্ষ্য করা যায়নি। দেশের বিভিন্ন গন্তব্যস্থল থেকে ঢাকায় আসা ট্রেন। ফেরার পথে নির্দিষ্ট স্টেশন থেকে সময়মতো ট্রেন ছেড়েছে বলেও জানান যাত্রীরা। তবে নীলসাগরসহ দু’একটি ট্রেন কিছুটা দেরিতে এসেছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে।

জামালপুর থেকে যমুনা এক্সপ্রেসে কমলাপুরে আসা রুবেল হোসেন জাগো নিউজকে বলেন, ঈদের ছুটি শেষে আবার ঢাকায় ফিরলাম। ট্রেনে তেমন ভিড় নেই। যাত্রীর চাপ কমই মনে হয়েছে।

যমুনা এক্সপ্রেসে ঢাকায় আসা ফাতেমা আক্তার বলেন, বাসে অনেক জ্যাম থাকে। তাই ট্রেনে আসলাম। বাড়িতে যাওয়ার সময় গাদাগাদি করে গিয়েছিলাম। আসার পথে একটু ভালোভাবে এসেছি।

আরেক যাত্রী সাগর বলেন, কাজ থাকায় ঢাকায় চলে আসলাম। ঈদ ভালোই কেটেছে। আরও ২/১ দিন থাকতে পারলে ভালো লাগতো।

অন্যদিকে, অধিকাংশ ট্রেন নির্দিষ্ট সময়ে এলেও নীলসাগরসহ দু’একটি ট্রেন কিছুটা বিলম্ব করেছে। দেড় ঘণ্টা বিলম্ব করে কমলাপুরে এসেছে সুন্দরবন এক্সপ্রেস। সুন্দরবন এক্সপ্রেসে ঢাকায় আসা সাইফুল বলেন, কোনো যাত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখিনি। ট্রেন খুলনা থেকে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টায় ছেড়েছে। কমলাপুরে সকাল ৭টায় পৌঁছানোর কথা থাকলেও দেড় ঘণ্টা দেরিতে সকাল সাড়ে ৮ টায় ঢাকায় এসেছে।

নীলসাগর এক্সপ্রেসও একঘণ্টা দেরি করেছে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে আসতে। নীলসাগর এক যাত্রী বলেন, জরুরিকাজে ঢাকা চলে আসতে হলো। তবে ট্রেন একঘণ্টা দেরি হয়েছে আসতে।

কমলাপুর রেলস্টেশন স্টেশন মাস্টার মো. আফছার উদ্দিন বলেন, সকাল থেকে দশটা পর্যন্ত ১১টি ট্রেন কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছেছে। ট্রেনগুলোর অধিকাংশই নির্ধারিত সময়েই স্টেশনে এসেছে। নীলসাগর, সুন্দরবনসহ দুএকটি ট্রেন কিছুটা বিলম্বে এসে পৌঁছেছে। ট্রেনগুলোতে ঈদের পর দিন থেকে প্রতিদিন কিছুটা চাপ বাড়ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড