,

পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু সারাদেশের জন্য অশুভ সঙ্কেত: জিএম কাদের

news-image

লালমনিরহাট প্রতিনিধি : জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু শুধু নিহতের পরিবারের নয়, সারাদেশের জন্য এটি অশুভ সঙ্কেত।

শনিবার দুপুরে লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর কাজিচওড়া গ্রামে পুলিশ হেফাজতে নিহত রবিউল ইসলামের শোকাহত পরিবারকে সান্তনা দিতে এসে তিনি এসব কথা বলেন। এ মৃত্যুর ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান জিএম কাদের।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ পুলিশ তদন্ত করলে নিরপেক্ষতা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। সহকর্মী বা বন্ধু হিসেবে তদন্তে প্রভাব পড়তেই পারে। তাই নিরপেক্ষ তদন্তে বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রয়োজন। তবে সঠিক তথ্য উঠে আসবে এবং প্রকৃত অপরাধিকে শাস্তির আওতায় আনা যাবে।

জাপা চেয়ারম্যান স্থানীয় প্রশাসনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে বলেন, এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা আমাকে ব্যথিত করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান কাজ জনগণের জান-মাল ও ইজ্জতের নিরাপত্তা বিধান করা। অথচ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছেন কয়েকজন। দায়িত্বশীল অফিসার হিসেবে এটা করা ঠিক হয়নি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। দায়িত্বশীল অফিসার হিসেবে দ্রুত তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। তাহলে সাধারণ মানুষ বিচারের দাবিতে সড়কে নামতো না। ন্যায় বিচার পাওয়া মানুষের নাগরিক অধিকার।

তিনি বলেন, নিহত রবিউলের একমাত্র মেয়ের (৮ মাস) ভরন-পোষণের জন্য প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা হারে দেয়া হবে। এছাড়াও এ পরিবারকে আমার সাধ্যমত আমি সহায়তা করে যাবো।

তিনি নিহতের পরিবারকে চাকরি দেয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, বিধবা স্ত্রীকে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি দিতে হবে। স্থানীয় অনেক শূন্যপদ রয়েছে সেখানে তাকে চাকরির মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তা করতে প্রশাসনের প্রতি দাবি করছি।

এর আগে জিএম কাদের লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের হেফাজতে মৃত রবিউল ইসলাম খানের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন এবং শোকাহত পরিবারকে সমবেদনা জ্ঞাপন করে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন। এরপর নিহতের কবর জিয়ারত করে চলে যান তিনি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) দিনগত রাতে বৈশাখী মেলায় জুয়া খেলা সন্দেহে রবিউল ইসলামকে আটক করে সদর থানা পুলিশ। এর কিছুক্ষণ পরে সদর হাসপাতালে রবিউলের মৃত্যু হয়। নিহতের পরিবারের দাবি, পুলিশের নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের লাথিতে গোপনাঙ্গে আঘাত পান তিনি। এ ঘটনায় বিচার দাবিতে টানা দুই দিন মহাসড়কের অবরোধ করে বিক্ষোভ করে স্থানীয়রা। ফলে অভিযুক্ত সদর থানার এসআই হালিমকে শুক্রবার দুপুরের দিকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়। এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) আতিকুল হককে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ঘটনা করা হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

সাদপন্থিদের ইজতেমা ময়দান ব্যবহারের কোনো অধিকার নেই: হেফাজত আমির

হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু

এনআইডি সংশোধনে বড় অগ্রগতি

ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু

আইনশৃঙ্খলা অবনতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে এনসিপির গণবিক্ষোভ শুক্রবার

দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে যুবদল কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা

একটার পর একটা অঘটন ঘটবে, আমরা কি বসে থাকব: জামায়াত আমির

আসিফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি, সন্দেহ সিএনজি থেকে

বিক্ষোভ মোকাবিলায় দেশজুড়ে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করলো ফ্রান্স

শ্রদ্ধার কারণে গায়কিতে বদল আনেন শ্রেয়া

গাজীপুরে কারখানার গোডাউনে আগুন, সাড়ে পরে নিয়ন্ত্রণে

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বাস খাদে পড়ে নিহত ৩, আহত ১৬