,

কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন ‘ঐতিহাসিক’

news-image

দীপাঞ্জন রায় চৌধুরী
কাশ্মীর সংহতি দিবসে’ তথাকথিত রুশ রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ‘রেডফিশ’ কাশ্মীর নিয়ে নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির যে অপচেষ্টা করেছে তা কোন কাজেই আসেনি। কারণ, কাশ্মীরের প্রতি রাশিয়ার সমর্থন ‘ঐতিহাসিক’। সেটি ভূ-রাজনীতির ঊর্ধ্বে। গত ৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনা তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

সংবাদ মাধ্যম ইকোনোমিক টাইমসে বলা হয়েছে, ১৯৫৫ সালে সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ভারত সফরে এসেছিলেন। তখন নয়াদিল্লি ও মস্কোর মধ্যে কেমন সম্পর্ক তা বলে গেছেন তিনি।

তিনি শ্রীনগরে একটি বিখ্যাত মন্তব্য করেছিলেন, ‘আমরা (রাশিয়ানরা) এত কাছাকাছি যে আপনারা (ভারতীয়রা) যদি কখনও পাহাড়ের চূড়া থেকেও আমাদের ডাকেন, দেখবেন আমরা আপনাদের পাশে উপস্থিত হব।’

কাজেই অধুনা ভূ-রাজনীতি দিয়ে এই দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্কের ওঠানামা মাপা যাবে না। ১৯৫৫ সালে দেশ দুটির মধ্যে সম্পর্কের যে প্রগাঢ়তা ছিলো, সময়ের পরিক্রমায় তা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতিসংঘ-সহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ফোরামে তার নজির দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলায় মস্কো বেইজিংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্ব গড়ে তুললেও, কাশ্মীর ইস্যুতে তারা আলাদা মত পোষণ করে। তার বড় উদাহরণ- চীন বিষয়টির আন্তর্জাতিকীকরণের পক্ষে, আর রাশিয়া দ্বিপাক্ষিক সমাধানের পক্ষে।

যাইহোক, মস্কো কয়েক দশক ধরে দক্ষিণ এশিয়ায় তার কৌশলগত অংশীদারের জন্য তার অবস্থানকে দুর্বল করেনি। এটা কোন গোপন বিষয় নয় যে, তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্নায়ু যুদ্ধের সময় ইউএনএসসিতে কাশ্মীর সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি রেজুলেশনে ভেটো দিয়েছিল এবং যা মূলত একটি দ্বিপাক্ষিক সমস্যার আন্তর্জাতিকীকরণে বাধা দিয়েছিল।

 

এ জাতীয় আরও খবর

পেয়ে স্বামীকে শেষ বিদায় জানাতে গেলেন দীপু মনি

৩৫ বছর পর আজ সংসদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন