,

নিম্নমানের খেজুরে সয়লাব রংপুরের হাট-বাজার

news-image

রংপুর ব্যুরো : পবিত্র রমজান মাসকে ঘিরে নিম্নমানের খেজুরে সয়লাব হয়ে গেছে রংপুর নগরীসহ জেলার হাট বাজার। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভেজাল বিরোধী অভিযান কিংবা ক্রেতাদের যেন নজরে না আসে, তাই সদ্য আমদানিকৃত খেজুরের সঙ্গে তা মিশিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। আর এসব খেজুর চমকপ্রদ ও স্বাদ বাড়াতে মেশানো হচ্ছে মিষ্টির সিরা ও সরিষার তেল । এ দিকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা খুচরা পর্যায়ে কম খেজুর সরবরাহ করে তৈরি করছে কৃত্রিম সংকট। বিক্রি করছে বাড়তি দরে। ফলে রোজার শুরুতেই খেজুরের দাম হু হু করে বাড়ছে। ভোক্তারা বাধ্য হয়ে পণ্যটি বাড়তি দরে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, খেজুরের কার্টুন ও বস্তা পরিবর্তনের পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখও পরিবর্তন করা হয়েছে। ফলে তা গত বছরের অবিক্রিত খেজুর কিনা তা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সংঘবন্ধ সিন্ডিকেট এই অপতৎপরতায় জড়িত। এদিকে চলতি বছর যে খেজুর আমদানি করা হয়েছে সেগুলাে নিম্নমানের কিনা তা নিয়েও বাজার সংশ্লিষ্টদের যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ফলে রমজানের ইফতারির গুরুত্বপূর্ণ এই আইটেমটি ফরমালিনমুক্ত কিনা তা নিয়ে আমদানিকারকরা কখনাে মাথা ঘামাননি। তবে তা বাজারজাত করার পর খুচরা বাজারে ব্যবসায়ীরা এই খেজুর গলাকাটা দামে বিক্রি শুরু করেছে।সরেজমিনে নগরীর সিটি বাজার, লালবাগ, মাহিগঞ্জসহ বিভিন্ন বাজারে দেখা যায়, বিভিন্ন দেশ থেকে নিম্নমানের খেজুর আমদানি করে বস্তা ভরে থরে থরে সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এসব খেজুরের বস্তার গা ভেজা ও স্যাঁতসেঁতে। বস্তায় নেই কোনো মেয়াদোত্তীর্ণ তারিখ। এছাড়া এ নিম্নমানের খেজুরগুলোর স্বাদ ও চকচকা করতে মিষ্টির সিরা ও সরিষার তেল মেশানো হচ্ছে।

সিটি বাজারে খেজুর ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন জানান, বাজারের সবচেয়ে কম দামের জাহেদি খেজুর কিছুদিন আগেও ১২০-১৩০ টাকা ছিল। এখন তার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৫০ টাকায়। এছাড়া ধাবাস খেজুরও ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হয়েছে ২৪০-২৫০ টাকায়। নাগাল খেজুরসহ বিভিন্ন মানের আম্বার, আজোয়া, মরিয়ম খেজুরও আগের চেয়ে দাম বেড়ে ৫৫০-এক হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে নিম্নমানের খেজুর বিক্রির বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, সমাজে গরীব-ধনী সব ধরনের মানুষ রয়েছে। কেউ টাকার অভাবে ভালো খেজুর কিনতে পারেনা, তারাই নিম্নমানের খেজুর কিনে।রংপুরের ভোক্তা অধিকার কর্মীরা জানান, করোনার এই মুহূর্তে রংপুর নগরবাসীকে নিরাপদ খাবার পৌঁছে দিতে ও ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙ্গে ফেলতে বাজার তদারকি এবং অভিযান পরিচালনা করা প্রয়োজন।

রংপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহামুদুল ইসলাম মৃধা জানান, পবিত্র রমজানে কেউ যদি অস্বাস্থ্যকর খেজুর আমদানি বা বিক্রি করে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। তিনি আরও জানান,রংপুর বাসীর নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের ভেজাল বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য