,

প্যান্ট-স্যুট পরে বিয়ের প্রথা ভাঙলেন এক ভারতীয় কনে

news-image

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : সানজানা ঋষি সম্প্রতি বিয়ে করেছেন ভারতীয় বিয়ের চিরাচরিত নিয়ম মেনেই। কিন্তু তিনি কনের চিরাচরিত পোশাক শাড়ি বা লেহেঙ্গা না পরে বিয়েতে পরেছিলেন নীলাভ-সাদা পুরোনো স্টাইলের প্যান্ট আর কোট। আর তা নিয়ে বইছে সমালোচনার ঝড়।

সানজানা বলছেন, আমি স্যুট পরেছি কারণ স্যুট আমার দারুণ প্রিয়।

তার এই পছন্দের মধ্যে দিয়ে তিনি ফ্যাশান অঙ্গনে নারী শক্তির একটা বার্তাও তুলে ধরেছেন। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তার এই বিয়ের সাজ ভারতীয় মেয়েদের ভবিষ্যতে প্রথাগত পোশাক ছেড়ে ক্ষমতার প্রকাশ পায় এমন পোশাক পরতে হয়ত উদ্বুদ্ধ করবে।

পশ্চিমের দেশগুলোতেও গত কয়েক বছর ধরে বিয়ের কনেদের প্রথাগত পোশাকের বদলে প্যান্ট স্যুট পরে বিয়ে করতে দেখা গেছে। বিয়ের পোশাক যারা ডিজাইন করেন, তারাও প্যান্ট এবং স্যুট তাদের পোশাক সম্ভারে রাখতে শুরু করেছেন।

তারকারাও এক্ষেত্রে প্রেরণা হয়ে দাঁড়াচ্ছেন। গেম অফ থ্রোন্সের তারকা সোফি টার্নার সঙ্গীতশিল্পী জো জোনাসের সঙ্গে লাস ভেগাসে তার বর্ণাঢ্য বিয়ের অনুষ্ঠানে পরেছিলেন সাদা প্যান্ট।

কিন্তু ঋষির বিয়ের সাজ ভারতীয় বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য খুবই প্রথাবহির্ভূত ও অস্বাভাবিক ছিল। ভারতীয় কনেরা সাধারণত বিয়েতে পরেন সিল্কের শাড়ি বা জমকালো লেহেঙ্গা। সচরাচর তাদের বিয়ের পোশাক হয় সোনালি বা রূপালির জরির জমকালো কারুকাজ করা লাল শাড়ি বা লেহেঙ্গা।

‘আমি আগে কখনও কোন ভারতীয় কনেকে এই সাজে দেখিনি,’ বলছেন বিয়ের কনেদের নিয়ে এক সাময়িকীর সাবেক সম্পাদক নুপুর মেহতা পুরি।

ভারতীয় বিয়েতে কনে সচরাচর ভারতীয় পোশাকই পরে, সাথে মা বা দিদিমার বা তার জন্যই কেনা সোনার গহনা। কিন্তু সানজানার সাজ ছিল খুবই অভিনব ও নতুন। এবং একেবারে আলাদা।

২৯ বছরের ঋষি ভারতীয় আমেরিকান একজন ব্যবসায়ী এবং দিল্লিতে ২০শে সেপ্টেম্বর তিনি বিয়ে করেন দিল্লির এক ব্যবসায়ী ৩৩ বছর বয়স্ক ধ্রুব মহাজনকে। আমেরিকায় তিনি একটি কোম্পানির আইনজীবী হিসাবে কাজ করতেন। গত বছর তিনি ভারতে বসবাসের জন্য ফিরে যান।

তারা ঠিক করেছিলেন সেপ্টেম্বর মাসে আমেরিকায় তাদের বিয়ের অনুষ্ঠান করবেন কারণ মিস ঋষির ভাই ও বন্ধুদের বেশিরভাগই থাকেন আমেরিকায়। এরপর নভেম্বর মাসে দিল্লিতে ভারতীয় প্রথায় দ্বিতীয় বিয়ের অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ছিল তাদের।

কিন্তু কোভিডের কারণে তাদের সব পরিকল্পনা ‘পুরো উল্টোপাল্টা’ হয়ে যায়।

ভারতীয় সমাজে তাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে নানা কথাবার্তার কারণে তাদের ওপর তাড়াতাড়ি বিয়ে করার জন্য চাপ আসতে থাকে। ঋষির বাবা-মা ‘খুবই উদারপন্থী’ হলেও বন্ধু মহল, পরিবারের অন্য সদস্য ও প্রতিবেশিরা তাদের তাড়াতাড়ি বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। সূত্র: বিবিসি বাংলা।

এ জাতীয় আরও খবর

পৌর চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুলের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

সুস্থ থাকুক আপনার হার্ট

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবারও কারাগারে ইমরান খান

পাঁচ পেসারই ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে দুই স্পিনার

আটা-তেল-চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

বিষাক্ত গ্যাসে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে প্রাণ গেল আরও এক শ্রমিকের

‘আমরা খুব ভালো বন্ধু’

অল্প সময়ের ব্যবধানে মত বদলাল অস্ট্রেলিয়া, একাদশ ঘোষণায় চমক

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন বাবুল মিয়া

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ, আজ বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা