,

জুনের তৃতীয় সপ্তাহে হাড়িভাঙ্গা আম আসছে বাজারে॥ দু’শো কোটি টাকা বাণিজ্যের সম্ভবনা দেখছেন আম চাষিরা

news-image

সোহেল রশীদ, রংপুর ব্যুরো : রংপুরের বিখ্যাত ‘হাড়িভাঙ্গা’ আম চলতি জুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহে বাজারে আসবে বলে আশা করছেন আম চাষিরা। যদি কোন প্রকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতি না হয় তা হলে আম বিক্রি করে লাভের মুখ দেখবেন এমনটি আশা করছেন এ অঞ্চলের শত শত আম চাষি। তবে করোনাকালে আম পরিবহণ ও বাজারে সরবরাহ নিয়ে উৎকন্ঠা বিরাজ করছে তাদের মাঝে। এদিকে কৃষি বিভাগ বলছেন, এবার রংপুর অঞ্চলে হাড়িভাঙ্গা আমের ফলন ভালো হয়েছে। সারাদেশে জনপ্রিয়তার তালিকায় থাকা এই আম চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে পরিপক্ক হবে। এ সময়ে বাগান মালিকরা গাছ থেকে হাড়িভাঙ্গা আম পাড়তে পারবেন। তখন থেকে বাজারজাতও করা যাবে। এই আম গাছ থেকে ছেড়ার পর বেশিদিন ঘরে রাখা যায় না। তাই পরিবহণ ও সরবরাহ সময়মত না হলে আম চাষিদের মারাত্মক ক্ষতি হবে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা।

কৃষি সম্প্রসারন অফিস সূত্র জানায়, রংপুর অঞ্চলে তিন হাজার হেক্টর জমিতে এবারে হাড়িভাঙ্গা আমের ফলন হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরের মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন এলাকাতে প্রায় দেড় হাজার হেক্টর জমিতে হাড়িভাঙ্গা আমের আবাদ হয়েছে।গত বছর প্রতি হেক্টরে ফলন হয়েছিল ৯ দশমিক ৪ মেট্রিক টন। যা পনের হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যেতে পারে। তবে সঠিক সময়ে বাজারজাত করতে না পারার শঙ্কা করছেন চাষিরা। এদিকে ফলন ভালো হলেও গত দুই সপ্তাহের ঝড়-বাতাসে আমের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত সবকিছু ঠিক থাকলে শুধু হাড়িভাঙ্গা আম বিক্রি করে এবার ২০০ কোটি টাকার ব্যবসা করতে পারবে এ জেলার আমচাষিরা।

মৌসুমের শুরুতে হাড়িভাঙ্গা আমের চাহিদা বেশি থাকায় এর দাম কিছুটা বেশি থাকবে। সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি হাড়িভাঙ্গা আম ৮০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে পারে।
এদিকে হাড়িভাঙ্গা আমের ব্যাপক জনপ্রিয়তার জনক হিসেবে পরিচিত আব্দুস ছালাম সরকার জানান, তিনি এবার ১৪ একর জমিতে হাড়িভাঙ্গা আমের চাষ করেছেন। বিগত বছর এই সময়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা অধিকাংশ আমচাষিদের বাগান কিনে নিতেন। কিন্তু এবার করোনার কারণে বেকায়দায় পড়তে হয়েছে। ইতোমধ্যে গেল কয়েক দিনের কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে তার বাগানের প্রায় লক্ষাধিক মণ আম নষ্ট হয়েছে।মিঠাপুকুরের সফল এই আমচাষি জানান, জুনের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে এই আম পরিপক্ক হয়ে ওঠে। ফলে তখন বাজারজাত করা যায়। এরমধ্যে আম বিক্রি না হলে গাছেই নষ্ট হয়ে যাবে আম।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী জানান, ইতোমধ্যে বিখ্যাত এই আমের বাজারজাতকরণে কৃষি বিভাগ পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বড় বড় চাষিদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের অনলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করানো হবে। আম চাষিদের তালিকা প্রণয়নের কাজ করা হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতির ওপর এবার অনেক কিছু নির্ভর করছে বলেও তিনি জানান।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা