,

করোনা প্রার্দুভাব : রংপুর অঞ্চলে পরিবহন সঙ্কটে বিপাকে কৃষকরা

news-image

সোহেল রশীদ,রংপুর : করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাবে সৃষ্টি হওয়া পরিবহন সংকটে স্থবিরতা নেমে এসেছে রংপুর অঞ্চলের কৃষিতে। মাঠ ভরা সবজি নিয়ে বিপাকে পড়েছে এই অঞ্চলের শাক-সবজি কৃষকরা।কৃষকরা জানান, প্রতি মৌসুমে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন সবজি হয় রংপুর কৃষি অঞ্চলে। প্রতিদিন বেগুন, করলা, বরবটি, টমেটোসহ নানা শাক-সবজি নিয়ে অসংখ্য ট্রাক যেতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এখন পরিবহন সংকটে শাক-সবজি বাইরে পাঠানো যাচ্ছেনা। স্থানীয় হাট-বাজারেও নেই পাইকারি বেচাকেনা। নিজেরাই দোকান সাজিয়ে বসছেন অনেক কৃষক। এখানেও ক্রেতা নেই। এমন পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তারা।

জানা গেছে, নগরীসহ জেলার বিভিন্ন ষ্ট্যান্ডে শত শত ট্রাক পড়ে আছে। সঙ্গ নিরোধে জরুরি পণ্য পরিবহন চালু রাখার কথা থাকলেও শুরু থেকেই বন্ধ ট্রাকসহ পণ্যবাহী যানবাহন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ব্যাংকের লেনদেন, ড্রাইভার-হেল্পার ও শ্রমিকরা না আসায় অধিকাংশ গাড়ির চাকা বন্ধ।তবে ট্রাক চালকরা জানান, আগে যেখানে ভাড়া ছিলো ২০ হাজার সেখানে এখন নেমে এসেছে ৮-১০ হাজার টাকায়। সেই সঙ্গে কাউকে জড়ো হতে দিচ্ছে না প্রশাসন। সে কারণেই ট্রাক বন্ধ রয়েছে।নগরীর কলেজ রোডের ট্রাক স্ট্যান্ডে কথা হয় আমিনুল ইসলাম ও নুর আলম নামের দুই ট্রাক চালকের সাথে। তারা বলেন, করোনার কারণে ট্রাক চালানো বন্ধ রয়েছে। কারণ এই সময় ঝুঁকি নিতে চাই না।

নগরীর সাতমাথা স্ট্যান্ডে কথা হয় আলতাব হোসেন ও শামীম মিয়া নামের আরও দুই ট্রাক চালকের সাথে। তারাও জানান, ট্রাক বন্ধ থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে রয়েছি।
এদিকে মিঠাপুকুরের রানীপুকুর গ্রামের কৃষক মিলন মিয়া ও সাহেবুল ইসলাম মজনু বলেন, গাড়ি চলাচল বন্ধ। ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় মাল পাঠানো যাচ্ছে না। কৃষি বিভাগ থেকে একটু সময় নিয়ে জমি থেকে ফসল তোলার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কিন্তুু এতে তারা বিপাকে পড়েছেন।
রংপুর সদরের জানকি রামজীবন গ্রামের কৃষক মনজুরুল ইসলাম বলেন, পরিবহন সংকটের কারণে শাক-সবজি নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছি। কারণ শাক-সবজিতো একটা সময়ের মধ্যে উত্তোলনের নিয়ম থাকে। বেশীদিন জমিতে থাকলে সমস্যা হয়। তখন ঠিকভাবে খাওয়াও য়ায় না।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে রংপুর অঞ্চলের পাঁচ জেলায় ৩৮ হাজার ৭শ’ ৩৬ হেক্টর জমিতে সবজি আবাদ হয়েছে। যা এই মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ২৯ হেক্টর বেশি। এবছর রংপুর কৃষি অঞ্চলের পাঁচ জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সবজির আবাদ হয়েছে রংপুরে। কম আবাদ হয়েছে নীলফামারী জেলায়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, যেহেতু এখনো ভরা মৌসুম আসেনি এখনো কম উৎপাদন হচ্ছে। আর এটি আসার আগে যদি দুর্যোগটি কেটে যায়; তাহলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা