,

খেলাপি ঋণ বাড়ল ৪৫০২ কোটি টাকা

news-image

অন্যরকম ডেস্ক : তফসিলের সুযোগে গত ডিসেম্বর প্রান্তিকে খেলাপি ঋণের পরিমাণ অনেক কমেছিল। তবে তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। মাত্র তিন মাসে ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেড়েছে চার হাজার ৫০২ কোটি টাকা। মার্চ শেষে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৪ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা। এর পরিমাণ ওই সময় পর্যন্ত বিতরণ হওয়া মোট ঋণের ১০ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এর আগে গত সেপ্টেম্বরের তুলনায় ডিসেম্বরে খেলাপি ঋণ ৭ হাজার ১৩৬ কোটি টাকা কমে ৫০ হাজার ১৫৬ কোটি টাকায় নেমেছিল, যা মোট ঋণের ৯ দশমিক ৬৯ শতাংশ।

মূলত গত বছর বিশেষ সুবিধা নিয়ে প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ পুনঃতফসিলের ফলে খেলাপি ঋণ কমেছিল। তবে পুনঃতফসিল করা ঋণের একটি অংশ আবার খেলাপিতে পরিণত হওয়ায় সর্বশেষ হিসাবে তা বাড়তে শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর মোট ঋণ স্থিতি দাঁড়িয়েছে পাঁচ লাখ ২২ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা। সাধারণভাবে সব সময়ই রাষ্ট্রীয় খাতের ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ বেশি বাড়তে দেখা যায়। তবে গত তিন মাসে বেশি বেড়েছে বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর। আলোচ্য সময়ে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে খেলাপি ঋণ চার হাজার ৩২১ কোটি টাকা বেড়ে মার্চ শেষে দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকায় যা ৬ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে ছিল ১৮ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা।

এ সময়ে বেসিকসহ রাষ্ট্রীয় পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৬৫৪ কোটি টাকা যা ২২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। আগের প্রান্তিক শেষে ছিল ২২ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণ রয়েছে ৮ হাজার ৩২৩ কোটি, জনতা তিন হাজার ৮৮৮ কোটি, অগ্রণী চার হাজার ১১৬ কোটি, রূপালী এক হাজার ২৪৭ কোটি ও বেসিক ব্যাংকে ৫ হাজার ৮০ কোটি টাকা। বেসিকের হার দাঁড়িয়েছে ৫৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আগের প্রান্তিক শেষে ছিল ৬ হাজার ৩১০ কোটি টাকা, যা ছিল ৫৩ দশমিক ৩২ শতাংশ। মূলত বেশ কিছু ঋণ অবলোপনের ফলে বেসিকের এমন হয়েছে। মার্চ শেষে বিশেষায়িত খাতের তিন ব্যাংকের খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে সাত হাজার ৪১৭ কোটি টাকা যা ৩৩ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ডিসেম্বর শেষে ছিল ৭ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। ডিসেম্বরে বিদেশি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ এক হাজার ৭০৬ কোটি টাকা থেকে বেড়ে মার্চে হয়েছে এক হাজার ৮৩৯ কোটি টাকা।

ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ তিনটি ভাগে শ্রেণীকৃত করা হয়। এর মধ্যে মন্দমানে শ্রেণীকৃত ঋণকে বেশি উদ্বেগজনক হিসেবে ধরা হয়। কেননা এ ধরনের খেলাপি ঋণ আদায়ের সম্ভাবনা থাকে একেবারে কম। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এ ধরনের ঋণ আদায় করতে না পেরে ব্যাংকগুলো তা অবলোপন বা আর্থিক বিবরণী থেকে বাদ দিয়ে হিসাব করে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকগুলো ৩৬ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার মন্দ ঋণ অবলোপন করেছে। মার্চ পর্যন্ত শ্রেণীকৃত ঋণের মধ্যে মন্দমানে শ্রেণীকৃত রয়েছে ৪২ হাজার ১৫৯ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিক শেষে যা ছিল ৩৯ হাজার ৪ কোটি টাকা। সন্দেহজনক মানে শ্রেণীকৃত ঋণ রয়েছে চার হাজার ৭৭৫ কোটি টাকা। ডিসেম্বর শেষে ছিল পাঁচ হাজার ৬২০ কোটি টাকা। এ ছাড়া সাব স্ট্যান্ডার্ড বা নিম্নমানে শ্রেণীকৃত ঋণ রয়েছে ৭ হাজার ৭২৪ কোটি টাকা। আগের প্রান্তিক শেষে ছিল পাঁচ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা