,

বার্লিন প্রাচীর পতনের ২৫ বছরপূর্তি

image_1006_150908

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :বার্লিনের বুক চিরে ২৮ বছর জার্মানিকে বিভাজিত করে রেখেছিল যে দেয়াল, সেই একই রেখায় আট হাজার শান্তির সাদা বেলুন উড়িয়ে ইতিহাসের এক যুগ সন্ধিক্ষণকে স্মরণ করছে জার্মানি। ১৯৮৯ সালের ৯ নভেম্বর বার্লিন প্রাচীরের পতনের মধ্য দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির পুনর্মিলন ঘটে, যা আজ স্নায়ুযুদ্ধের অবসানেরও প্রতীক। তারই রজতজয়ন্তী উদযাপনে রোববার বার্লিনে জড়ো হয়েছিল অন্তত ১০ লাখ মানুষ।দিসবটি উপলক্ষে ব্রানডেনবুর্গ গেটে এক উন্মুক্ত সমাবেশে অংশ নেন জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেল। তিনি মনে করেন, ২৫ বছর আগে শান্তিপূর্ণ বিপ্লবে বার্লিন প্রাচীরের পতন ছিল এক 'অলৌকিক' ঘটনা।বার্লিন প্রাচীরের পতনের রজতজয়ন্তীতে তিন দিন ধরে চলছে উৎসব। বার্লিনজুড়ে এখন কনসার্ট আর প্রদর্শনীতে ইতিহাসের স্মরণ। বোর্নহোলমার স্ট্রাসে (স্ট্রিট) থেকে ব্রানডেনবুর্গ গেট, চেকপয়েন্ট চার্লি হয়ে ইস্ট সাইড গ্যালারি পর্যন্ত যে রেখায় একসময় ওই প্রাচীর দাঁড়িয়েছিল, সেই ১৫ কিলোমিটার পথ ধরে এখন জ্বলছে আট হাজার হিলিয়াম বেলুন। এসব বেলুন উড়ে গিয়ে মনে করিয়ে দেবে, সেই দেয়াল এখন অস্তিত্বহীন। এই উৎসবে যোগ দিতে বার্লিনে এসেছেন সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা মিখাইল গর্বাচেভ (৮৩), যার গ্লাসনস্ত নীতিই স্নায়ুযুদ্ধের অবসানের পথ করে দেয়, জার্মানির পুনর্মিলন ঘটে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর মিত্রশক্তির চার পরাশক্তি আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ন দেশটিকে ভাগ করে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। আমেরিকা, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের অংশ নিয়ে গঠিত হয় ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানি, যা পশ্চিম জার্মানি নামে পরিচিতি পায়। আর সোভিয়েত নিয়ন্ত্রিত পূর্ব অংশের নাম হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব জার্মানি।
কমিউনিস্ট পূর্ব জার্মানির জনগণের পালিয়ে পশ্চিমে যাওয়ার পথ বন্ধ করতে ১৯৬১ সালে নির্মাণ করা হয় ১৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ বার্লিন প্রাচীর। ৫ মিটার উঁচু আর ৫ ফুট চওড়া সেই দেয়ালের কোথাও কোথাও কাঁটাতারও ছিল। বিভাজনের সেই ২৮ বছরে দেয়াল ডিঙাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১২৫ জন। তাদের মধ্যে ৩০ জনের মৃত্যু হয় বার্লিনেই।
এরপর পূর্বের মানুষের পুনর্মিলনের আকুতি ১৯৮৯ সালের সেপ্টেম্বরে জার্মান ঐক্যের আন্দোলনে রূপ নেয়। ৪ নভেম্বর আলেকজান্দারপ্লাৎসে জড়ো হন কয়েক লাখ বিক্ষোভকারী। কয়েকদিনের টানা বিক্ষোভের পর ৯ নভেম্বর পূর্বের সরকার পশ্চিমে যাওয়ার পথ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ঘোষণা আসে, 'এখন থেকে সবার চলাচলের স্বাধীনতা থাকবে।' আর সেই ঘোষণায় জার্মানিজুড়ে আনন্দের ঢল নামে; পূর্বের হাজার হাজার জনতার চাপে পতন ঘটে বার্লিন প্রাচীরের। মিলনকে তরান্বিত করতে হাতুড়ি-শাবল নিয়ে এগিয়ে যায় পশ্চিমের মানুষ। এর এক বছরের মাথায় আবারো একীভূত হয় দুই জার্মানি।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ