,

চোখ ওঠায় ভয় নেই

d5d40213d1fee4f0b86c691cd631b3ab-14লাইফস্টাইল ডেস্ক :চোখ ওঠা একটি অতি পরিচিত সমস্যা। মাঝে মাঝেই এই সমস্যা খুব বেশি আকারে ছড়িয়ে পড়ে। ইদানীং অনেকের চোখ উঠতে দেখা যাচ্ছে। চোখ ওঠা আসলে কী, কেন হয় এবং এর চিকিৎসাই বা কী—আসুন জেনে নেওয়া যাক।

চোখ ওঠা মানে কী?

আমাদের চোখের সাদা অংশটুকু একটা পাতলা পর্দা দিয়ে আবৃত থাকে—যার নাম কনজাংটিভা। এই কনজাংটিভায় যখন সংক্রমণ বা প্রদাহ হয়, তখন এর সূক্ষ্ম রক্তনালিগুলো লালচে হয়ে ওঠে এবং পুরো চোখের সাদাটুকুই তখন লাল হয়ে যায়। এর সঙ্গে থাকে আরও কিছু উপসর্গ। যেমন চুলকানি, অস্বস্তি, ব্যথা, আলোক সংবেদনশীলতা, ঘন সাদাটে বা হলদেটে নিঃসরণ ইত্যাদি। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এই কনজাংটিভাইটিসের কারণ ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস। তবে অ্যালার্জি, ঠান্ডা সর্দি বা চোখ কোনো রাসায়নিক বা ক্ষতিকর পদার্থের সংস্পর্শে এলেও কনজাংটিভায় প্রদাহ হয় ও চোখ লাল দেখায়। ভাইরাসজনিত চোখ ওঠায় পাতলা বর্ণহীন পানি পড়ে বেশি। তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত হলে নিঃসরণটি ঘন ও একটু হলদেটে হয়ে থাকে।

চোখ উঠলে কী করা?

ভাইরাসই হোক কি ব্যাকটেরিয়া—চোখ ওঠা অত্যন্ত সংক্রামক। উপসর্গ দেখা দেওয়ার পরবর্তী এক-দুই সপ্তাহ রোগী অন্যকে এই রোগ ছড়াতে পারেন। সে কারণে স্কুল-কলেজ, অফিস বা ঘনবসতি পূর্ণ এলাকায় একসঙ্গে অনেকে এতে আক্রান্ত হন। ভাইরাসজনিত চোখ ওঠার তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। তবে ব্যাকটেরিয়াজনিত সন্দেহ করলে অ্যান্টিবায়োটিক ড্রপ বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করা হয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসা নেওয়া হোক আর না হোক, এটি বেশ কয়েক দিন পর এমনিতেই সেরে যায়। ব্যথা-বেদনা ও অস্বস্তি কমাতে কিছু পরামর্শ:

—একটি পাতলা পরিষ্কার কাপড়ের টুকরা বা গজ পরিষ্কার ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ভালো করে চিপে নিংড়ে নিন, এবার চোখ বন্ধ করে চোখের ওপর চেপে ধরুন। দিনে বেশ কয়েকবার এটি করলে আরাম পাবেন। কখনো একবার ঠান্ডা একবার হালকা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে নিতে পারেন। চোখের ধারগুলোতে যে ময়লা নিঃসরণ জমে আঠালো হয়ে থাকে, সেটাও এভাবে ভেজা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে নিন বারবার।

—অ্যান্টিহিস্টামিন চোখের ড্রপ ব্যবহার করলে চুলকানি ও অস্বস্তি অনেকটাই কমবে। তবে তার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিন।

—এই সময়টাতে চোখে কনটাক্ট লেন্স এবং যেকোনো ধরনের কসমেটিকস ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

—আলোক সংবেদনশীলতার কারণে কালো সানগ্লাস ব্যবহার করলে অস্বস্তিভাব কিছুটা কমবে।

—বাড়িতে অন্যদের চোখ উঠলে একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে নিরাপদ থাকতে পারবেন। যেমন বারবার হাত পরিষ্কার করুন, চোখে হাত দেবেন না। অবশ্যই নিজ নিজ ব্যবহার্য জিনিস যেমন তোয়ালে, বালিশের কভার ইত্যাদি আলাদা রাখবেন। চোখে ব্যবহার করা হয় এমন প্রসাধনী কারও সঙ্গে বিনিময় না করাই উচিত। শিশুদের বেলায় এসব সতর্কতা মেনে চলুন।

চোখ ওঠায় ভয় নেই

চোখ ওঠা বিরক্তিকর ও কষ্টকর সমস্যা হলেও এতে ভয়ের কিছু নেই। কয়েক দিন বা এক সপ্তাহ পর এটি আপনাআপনি সেরে যায়। দীর্ঘমেয়াদি হলে বা অন্য কোনো সমস্যা যেমন জ্বর, প্রচণ্ড ব্যথা, দৃষ্টি সমস্যা ইত্যাদি দেখা দিলে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ