,

বায়তুল্লাহ জিয়ারত ও হজ

1412003985.এছাড়া প্রত্যেক নামাজের প্রত্যক নামাজের জন্য মাসজিদে প্রবেশ ও মাসজিদ থেকে বের হওয়ার সময়ও ঐভাবে সালাম পেশ করা উচিত যেভাবে তাঁরা জীবিত থাকলে পেশ করা হত। 

(২) নামাজ আদায়ঃ মাসজিদুন্নবীতে নামাজ আদায় দুনিয়ার অন্যত্র নামাজ আদায়ের তুলনায় পঞ্চাশ হাজার গুণ বেশী মর্তবা রাখে। অতএব আপনি সেখানে জামাতের সাথে নিয়মিত নামাজ আদায় করবেন। এ ছাড়া সেখানে আপনার উমরী কাজা নামাজ এবং সম্ভাব্য নফল নামাজ আদায় করতে পারেন।

(৩) রিয়াজুল জান্নাহঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জামানার মিম্বর ও তাঁর মধ্যবর্তী স্থানকে রিয়াজুল জান্নাহ বলা হয়। হাদীস শরীফে সেখানে নামাজ আদায়ের বহু ফজিলত বর্ণিত আছে। তাই সম্ভব হলে সেখানে ফরজ বা নফল যে কোন নামাজ আদায়ের চেষ্টা করতে হবে।

(৪) অন্যান্য ইবাদাতঃ মাসজিদুল হারামের ন্যায় এখানেও আপনার মূল্যবান সময় সেখানে গল্প-গুজবে না কাটিয়ে তিলাওয়াত, জিকির, দুরূদ পাঠ, নফল ইতিক্বাফ, ইস্তিগফার, দুয়া-মুনাজাত, নফল নামাজ ও অন্যান্য নফল ইবাদাতে অতিবাহিত করাই উত্তম।

(৫) মাসজিদে কুবাঃ মদীনার উপকণ্ঠে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্মিত প্রথম মাসজিদ হল মাসজিদে কুবা। হাদীস শরীফে সেখানে নামাজ আদায়ের বহু ফজিলত বর্ণিত আছে। তাই সম্ভব হলে সেখানে ফরজ বা নফল যে কোন নামাজ আদায়ের চেষ্টা করতে হবে। এ ছাড়া জান্নাতুল বাকীতে অবস্থিত উম্মুল মুমিনীন ও সাহাবা (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-গণের কবর এবং উহুদের প্রান্তরে অবস্থিত শহীদগণের কবর জিয়ারত করার মধ্যে বহুত কল্যাণ নিহিত রয়েছে। মদীনা শরীফ থেকে আপনি যদি কিছু বরকতময় হাদিয়া বাড়িতে আনতে তা হল মদীনা আজওয়াহ খেজুর।

হজের গুরুত্ব ও ফজিলতঃ 

হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:  হজ ও উমরা পালনকারীগণ হলো দাওয়াতী যাত্রীদল (আল্লাহর মেহমান) তারা যদি আল্লাহর কাছে দোয়া করে তবে তিনি তা কবুল করেন এবং যদি ক্ষমা প্রার্থনা করে তবে তিনি তাদের ক্ষমা করেন। -(ইবনে মাজাহ)

হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উদ্দেশ্যে হজ করলো এবং অশালীন কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে বিরত রইল, সে নবজাতক শিশু যাকে তাঁর মা এ মুহূর্তেই প্রসব করেছে, তার ন্যায় নিষ্পাপ হয়ে ফিরবে। -[সহীহ বুখারী] হযরত আবু হুরায়রা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : যে ব্যক্তি হজ পালন করলো এবং হজ চলা-কালীন অশ্লীল ও অন্যায় আচরণ করলো না, সে নিজের গুনাহ ও অপরাধ থেকে তার জন্মের দিনের মতো নিষ্পাপ শিশু’র মতো মুক্ত ও পাক-পবিত্র হয়ে ঘরে ফিরে আসলো। -[সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম]

হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহ্র রাসূল! আমরা তো দেখেছি জিহাদই হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ আমল, তাহলে আমরা (মেয়েরা) জিহাদ করবো না কেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জবাব দিলেনঃ মাবরূর হজই হচ্ছে শ্রেষ্ঠ জিহাদ। -[বুখারী]

হযরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ‘আরাফাতের দিনের চেয়ে বেশী (সংখ্যায়) আর কোন দিন আল্লাহ বান্দাকে দোযখ থেকে মুক্তি দেন না।’ অপর এক বর্ণনায় আছে, ‘আল্লাহ আরাফাতের দিনে কোন হাজীর হাত ফিরিয়ে দেন না।’ -[মুসলিম] হযরত আবু হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত।

এ জাতীয় আরও খবর

দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ কমবে, সহজ ও নিরাপদ যোগাযোগের নতুন দ্বার উন্মোচন হল নবীনগর-বাঞ্ছারামপুর সড়ক প্রশস্তকরণ কাজের উদ্বোধন

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ