,

বউ-শাশুড়ীর লড়াই এ শান্তির জন্য বউ এর করনীয়

52de748368370-bou-sasuri

বউ ডানে বলেন তো শাশুড়ী বলেন বামে। শাশুড়ির পছন্দ এক, বউয়ের আরেক। শাশুড়ী-বউয়ের মধ্যকার সম্পর্কের কথা বললে এমন সব দৃশ্যই চোখে ভাসে। এমন সাপে-নেউলে সম্পর্ক পরিবারে আনে অশান্তি। কিছু কৌশল অবলম্বন করলে শাশুড়ী-বউয়ের সম্পর্ক মধুর হতে পারে বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

টাইমস অব ইন্ডিয়া অনলাইনে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন কিছু কৌশলের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—

ভারসাম্য স্থাপন

অনেক ক্ষেত্রে শাশুড়ীর ব্যবহার বউয়ের জন্য স্বস্তিদায়ক না-ও হতে পারে। বউকে আঘাত করে কথা বলতে পারেন তিনি। বউয়ের নেওয়া সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করতে পারেন। এ ধরনের সমস্যা এড়াতে শাশুড়ীর সঙ্গে এক ধরনের ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করা উচিত।

নয় কোনো অবহেলা

মনে রাখতে হবে, স্বামীর জীবনে অন্যতম একজন গুরুত্বপূর্ণ মানুষ তাঁর মা। মা তাঁকে লালনপালন করে বড় করেছেন। এত দিন মা ছিলেন তাঁর সব। সুতরাং স্বামীর মাকে কোনোভাবেই অবহেলা করা যাবে না। সংসারে, স্বামীর জীবনে তাঁর গুরুত্ব বুঝতে হবে। তাঁকে বোঝার চেষ্টা করুন। তাঁর সঙ্গে পরশ্রীকাতরতা পরিহার করুন।

বরফ গলান

শাশুড়ি ও বউয়ের মনমানসিকতা এক না হওয়াটাই স্বাভাবিক। দুজন দুজনের থেকে ভিন্ন। তাই দুজনের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা দিতে পারে। কিন্তু এই মতপার্থক্য দূর করা খুব একটা কঠিন কাজ নয়। শাশুড়ীর সঙ্গে যথাসম্ভব বেশি বেশি কথা বলতে হবে। কথা বলে সম্পর্কের কঠিন বরফ গলাতে হবে। এতে স্বস্তির মাত্রা বাড়বে। শক্তিশালী হবে পারস্পরিক বোঝাপড়া।

নমনীয় হোন

শাশুড়ী তাঁর সিদ্ধান্তে একদমই অটল। বউও তাঁর দিক থেকে অনড়। এমন হলে সম্পর্ক দিন দিন খারাপের দিকেই যাবে। বরং এ ক্ষেত্রে বউ একটু নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করতে পারেন। শাশুড়ীর চোখরাঙানির মুখেও ধৈর্য ধারণ করুন। নরম সুরে কথা বলুন। শাশুড়ীর সমালোচনা পরিহার করাই ভালো।

হাস্যরস করুন

হালকা ধরনের কৌতুক, হাস্যরস বউ-শাশুড়ীর মধ্যকার সম্পর্ককে আরও সহজ করে তুলতে পারে। শাশুড়ী হয়তো বউয়ের বিরুদ্ধে সারাক্ষণ অভিযোগ করেই চলছেন। বউয়ের উচিত এটাকে সহজভাবে নেওয়া। হাস্যরস করে অভিযোগগুলো উড়িয়ে দেওয়া।

প্রশংসা

শাশুড়ীর কাজের স্বীকৃতি দিন। পরিবারে তাঁর অবদান, ভালো কাজের প্রশংসা প্রকাশ্যে করুন। তাঁকে জানিয়ে দিন, তাঁর প্রতি আপনার কৃতজ্ঞতার কমতি নেই। তবে মাত্রাতিরিক্ত প্রশংসা পরিহার করা উচিত। কারণ, এতে আপনার মনোভাব প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। সুস্পষ্টভাবে মন থেকে পরিমিত প্রশংসা করুন।

ভুলের ব্যাখ্যা

কোনো কারণে দুজনের মধ্যে ভুল-বোঝাবুঝি হলে দ্রুত তা ব্যাখ্যা করুন। ভয়ে বা লজ্জায় মনের মধ্যে কথা চেপে না রাখাই ভালো। শাশুড়ীর পাশে গিয়ে বসুন। আন্তরিকতা নিয়ে ভুল-বোঝাবুঝির বিষয়টি তাঁকে গুছিয়ে বলুন।

তর্ক পরিহার

তর্কে তর্ক বাড়ে। দুজনে মধ্যে কোনো বিষয়ে বিরোধ দেখা দিলে পাল্টা জবাব বা তর্ক পরিহার করা শ্রেয়। ক্ষুব্ধ হয়ে শাশুড়ী তাঁর কথা চালিয়ে গেলেও আপনি থেমে যান। পাল্টা জবাব দিলে শাশুড়ী আরও কথা বলার সুযোগ পাবেন। এতে পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে। শান্ত হলে শাশুড়ীকে সব বুঝিয়ে বলুন।

ছবি নেট থেকে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং প্রথম আলো

এ জাতীয় আরও খবর

ঘরেই বানান জিভে জল আনা ‘চিড়া-মুগ ক্ষীর’

হাঁটতে বেরিয়ে সড়কে প্রাণ গেল ২ নারীর

‘সুখের মতো অসুখ’র দিনগুলোতে রবীন্দ্রনাথ

দুর্গাপূজাকে ঘিরে অপশক্তি চক্রান্ত করতে পারে: রিজভী

নবীনগরে সততা ব্রিকস ফিল্ডে ডাকাতি, নাইটগার্ড ও ম্যানেজারদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি, মামলা করলে হত্যার হুমকি

ঢাকায় আজ বৃষ্টি হবে কি?

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা রোববার

দুর্নীতিবাজ গ্রেপ্তারে আবার সক্রিয় হচ্ছে দুদক

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান

সংখ্যালঘু নয়, সবার পরিচয় হবে বাংলাদেশি: মাহ্‌দী আমিন

কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যায় অটোরিকশাচালক গ্রেপ্তার

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, বিক্ষোভে প্রার্থীরা