,

আখাউড়া-আগরতলা রেললাইনের প্রাথমিক কাজ শুরু

railwayaআগরতলা-আখাউড়ার মধ্যে রেল লাইন বসানোর প্রাথমিক কাজ শুরু হয়েছে। নির্মাণ সংস্থা ইরকন পূর্বোত্তর রেলওয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এই কাজ শুরু করেছে। বর্তমানে রেল লাইন পাতার জন্য চলছে মাপ ঝোঁক।

আগরতলা শহরের বাধারঘাট এলাকায় ইরকনের কর্মীরা এই কাজ করছেন। গত শুক্রবার থেকে শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক রেললাইনের এ প্রকল্পের কাজ।

ইরকন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একটি কোম্পানি। যারা দেশে-বিদেশে রেল লাইন নির্মাণের কাজ করে। ডেপুটি ম্যানেজার বিজয় বেহেরার নেতৃত্বে গত কয়েকদিন ধরেই ইরকনের একটি টিম আগরতলায় অবস্থান করছেন।

বিজয় বেহেরা জানিয়েছেন কিছুদিনের মধ্যেই আগরতলার বাধারঘাটে তারা একটি অফিস খুলবেন।

এদিকে রাজ্যের পরিবহন সচিব কিশোর আম্বুলি জানিয়েছেন, আগরতলা-আখাউড়া রেল লাইন নির্মাণের দায়িত্ব পায় ইরকন। তারা দায়িত্ব পাবার পর পূর্বোত্তর রেলওয়ের পক্ষ থেকে তাদের চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল কাজ শুরু করার জন্য।

সেই মোতাবেক তারা রাজ্যে এসে যোগাযোগ করে কাজ শুরু করেন। তিনি জানান, ইরকনের চার জনের একটি দল রাজ্যে এসেছেন। তারা এখন জমি মাপঝোঁকের কাজ করছেন। এই কাজটি শেষ হলে সংস্থার বাকি কর্মীরা এসে পড়বেন।

যে পথ দিয়ে রেল যাবে তার জন্য জমি চূড়ান্তকরণের কাজ করছেন এই দলের কর্মীরা। তা শেষ হলে রাজস্ব ম্যাপে অন্তর্ভুক্ত হবে জমি চিহ্নিতকরণের বিষয়টি। তারপর জমি অধিগ্রহণ করবে রেল। পরিবহন সচিব জানিয়েছেন ২০১৪-১৫ অর্থ বছরেই শুরু হবে নির্মাণ কাজ।

আগরতলা-আখাউড়া রেল লাইন নির্মাণের জন্য আগেই চুক্তি হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। চুক্তি অনুযায়ী আগরতলা রেল স্টেশন থেকে আখাউড়া পর্যন্ত রেল লাইন হবে ১৫ কিলোমিটার।
গোটা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে খরচ হবে ২৫২ কোটি টাকা। পুরো টাকাই বহন করবে ভারত সরকার। দু দেশের প্রতিনিধিরা বেশ কয়েকবার সমীক্ষা করেছেন প্রকল্পটি নিয়ে। দু দেশের মধ্যে এ বিষয়ে একটি মৌ স্বাক্ষরিত হয়েছে।
আগরতলা থেকে আখাউড়া রেল স্টেশনের দূরত্ব ১৫ কিলোমিটার। এরমধ্যে ভারতের দিকে অর্থাৎ ত্রিপুরায় হবে ৫ কিলোমিটার এবং বাংলাদেশের দিক থেকে হবে ১০ কিলোমিটার।

ভারতের দিকে ব্যয় ধরা হয়েছে ১০৫ কোটি টাকা। বাংলাদেশের দিকে ব্যয় হবে ১৪৭ কোটি টাকা। এরমধ্য বাংলাদেশের দিকে জমি অধিগ্রহণ বাবদ ধরা হয়েছে ২১ কোটি টাকা।

বাংলাদেশের দিকে রেল লাইন নির্মাণ এবং জমি অধিগ্রহণে টাকা দেবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দুদেশের যৌথ সমীক্ষক দল আগেই এই রেল রুট চূড়ান্ত করেছিল।

রেল যাবে আগরতলা রেলস্টেশন হয়ে সিদ্ধিআশ্রম,  বাধারঘাট, চাড়িপারা, নিশ্চিন্তপুর হয়ে বাংলাদেশের গাঙ্গাসাগর রেলস্টেশন। সেখান থেকে যাবে আখাউড়া রেল স্টেশন। নিশ্চিন্তিপুর হবে সীমান্ত রেল স্টেশন।

নিশ্চিন্তিপুর থেকে গঙ্গাসাগর স্টেশনে নতুন করে পাতা হবে রেল লাইন। সেখান থেকে আগের লাইনের পাশ ধরে রেল যাবে আখাউড়া পর্যন্ত।

এ জাতীয় আরও খবর

‘প্লেয়ার্স বাই চয়েজে’ সমাধান! সম্মানজনক পারিশ্রমিক দাবি ক্রিকেটারদের

মাতৃত্বের পর শরীর নিয়ে কটাক্ষ, এবার মুখ খুললেন ক্যাটরিনা

একাদশে ভর্তি থেকে ছিটকে পড়লো ১ লাখ ২৭ হাজার শিক্ষার্থী

এবার গুলশানের এডিসিসহ চার কর্মকর্তাকে বদলি

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা পাবেন না যারা

আল্লাহর কসম, এই দাবিগুলো দলের নয়, জনগণের: জামায়াত আমির

ডেঙ্গুর থাবা সারাদেশে, রেহাই পাচ্ছে না শিশুরাও

মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রয়োজনে জীবন দেব, দাবি আদায় না করে ঘরে ফিরব না : শফিকুর রহমান

রাজধানীতে ৩ বাসে আগুন

অপ্রতিম হত্যা: সিসিটিভির সূত্রে ৩ জন আটক

এসডিজি অর্জনে বিশ্বনেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর