সরাইল ইউনিয়ন পরিষদ কর মেলায় ‘কর’ দেননি চেয়ারম্যান-মেম্বাররা

news-image

আরিফুল ইসলাম সুমন, সরাইল : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল সদর ইউনিয়ন পরিষদ কর মেলায় খোদ চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা নিজেরাই কর পরিশোধ করেননি। এই মেলায় বাণিজ্যিক ও হোল্ডিং কর পরিশোধে করদাতাদের তেমন সাড়াও মেলেনি। কর মেলায় অতিথি হয়ে যারা এসেছিলেন স্থানীয় ইউপির “হোল্ডিং ট্যাক্স” এর তালিকায় করদাতা হিসেবে ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে তাদের নাম অন্তর্ভূক্ত থাকলেও তাঁরা মেলায় কোনো কর পরিশোধ করেননি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সুশীল সমাজে আলোচনা চলছে।

জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) বৃটিশ কাউন্সিল এর সহায়তায় সরাইল সদর ইউপি প্রাঙ্গনে পরিষদের ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের “হোল্ডিং টেক্স” আদায়ের লক্ষে ‘কর মেলা ২০১৯ইং’ এর আয়োজন করা হয়। মেলায় কর আদায়ে তিনটি স্টল খোলা হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল পর্যন্ত মাত্র ১৩ জন ব্যক্তি তাদের কর পরিশোধ করেন।

সদর ইউপি সচিব মোহাম্মদ মাহবুবুল ইসলাম ঠাকুর বলেন, মেলায় কর আদায়ের টার্গেট ছিল আট লক্ষ টাকা। কর আদায় হয়েছে মাত্র তিন হাজার দুইশত টাকা। পরিষদের দুইজন সদস্য মোশাহেদ উল্লাহ ও মোর্শেদা বেগম মেলায় তাদের কর পরিশোধ করেছেন। স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের হোল্ডিং-বাণিজ্যিক কর মেলায় আদায় হয়নি।

ইউপি সদস্য শাহ আলম ও মোশাহেদ উল্লাহ সহ কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, কর মেলার আয়োজন করা হলেও প্রচার-প্রচারণা ও করদাতাদের দাওয়াতে বড় ধরণের ঘাটতি ছিল। তাছাড়া নিজেদেরও কর পরিশোধ ও আদায়ে মনমানসিকতা থাকা প্রয়োজন। গত অর্থবছরে কর আদায় না থাকায় পরিষদের এলজিএসপি বরাদ্দ ৩০ লক্ষ টাকা পাওয়া যায়নি। এতে এলাকার মানুষ উন্নয়ন বঞ্চিত হন।

সরাইল উপজেলা ফার্নিচার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ দুলাল বলেন, কর মেলা হয়েছে শুনেছি, তবে আমরা (ব্যবসায়ীরা) আনুষ্ঠানিক কোনো দাওয়াত পাইনি।

সরাইল সদরের প্রাতঃবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ শফিকুল ইসলাম বলেন, কর মেলার বিষয়ে আমাদেরকে আনুষ্ঠানিক কিছুই জানানো হয়নি। আগে থেকে আলোচনা থাকলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর আদায়ে অবশ্যই সহযোগিতা করতাম।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সদর ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার এ প্রতিবেদককে বলেন, এই কর মেলার মাধ্যমে আমরা ইউপির কর আদায় শুরু করেছি। বিধি মোতাবেক জনবল নিয়োগের মাধ্যমে সকল কর আদায় করা হবে। আগে মানুষ কর দিতে চাইতো না। এখন মানুষ অনেক সচেতন ও কর পরিশোধের পক্ষে। তিনি বলেন, আগে জনপ্রতিনিধিরা কর পরিশোধ করলে, সাধারণ মানুষের এতে উৎসাহ বাড়বে। মেলায় উপজেলা চেয়ারম্যান তাঁর নিজের কর পরিশোধ করা উচিত ছিল। এতে করদাতারা উৎসাহ পেতেন। আমাদেরও কর আদায়ে সুবিধা হতো।

এ জাতীয় আরও খবর

চালকদের জন্য বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা

হাদি হত্যার বিচারসহ ৩ দাবিতে চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

অধ্যক্ষকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম

তল্লাশি নিয়ে বিরোধে পুলিশকে পিটিয়ে ক্যাম্পাসে নিলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

নতুন পরিচয়ে আসছেন দীপা খন্দকার

মসজিদ কমিটি নিয়ে বিরোধে প্রাণ গেল বিএনপি নেতার

এবার ‘ব্যাডটাচ’-এর অভিযোগ তুললেন প্রভা

২৬৮ রানে পিছিয়ে থেকে দিন শেষ বাংলাদেশের

নতুন বাজারে বৈশাখী পরিবহনের বাসে আগুন

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে একদিনেই উধাও কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার

ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির