সরাইলে কিরণ মিয়া হত্যা মামলার প্রাধান আসামি ভাইস চেয়ারম্যান

FB_IMG_1456210105830

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরাইলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কিরণ মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হওয়ার ঘটনায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শের আলমকে ‘হুকুমের আসামী’ করে থানায় মামলা হয়েছে। গত সোমবার রাতে কিরণ মিয়ার ছেলে মো. হান্নান মিয়া বাদী হয়ে সরাইল থানায় দায়ের করা মামলায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৮-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আরশাদ মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এখানে উল্লেখ্য, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত শনিবার রাতে সরাইল উপজেলার প্রাত:বাজার এলাকায় বেপারিপাড়া ও মালিগাঁও গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে আহত কিরণ মিয়াকে ঢাকায় নেওয়ার পথে মারা যান। ভাইসচেয়ারম্যান শের আলম মিয়া বলেন, আমি নির্দোষ। ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে এ মামলায় আমাকে আসামী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে তুচ্ছ ঘটনা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে কিরন মিয়া (৫৫) নামের এক মৎসজীবি নিহত হয়েছে। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও পাঁচ পুলিশ সদস্য সহ আহত হয়েছে অন্তত ৪০ জন। সকাল বাজারের ৮-১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাট হয়েছে। এ ঘটনায় সরাইল-অরুয়াইল সড়ক দুই ঘন্টা বন্ধ ছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ৩ রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করেছে। গত শনিবার রাত ৯টায় সরাইল সদরের সকাল বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলা সদরের বেপারী পাড়ার আবদু মিয়ার ছেলে মৎস আড়তের কোষাধ্যক্ষ রাতিন (১৮)। একই গ্রামের ওয়ালি মিয়ার ছেলে মাছ বিক্রেতা মুরছালিন(১৮)। রাতিন মুরছালিনের কাছে ২৫০ টাকা পাবে। এ বিষয়ে তারা দুজন প্রথমে বাক-বিতন্ডা ও পরে হাতাহাতি শুরু করে। মালিগাঁও গ্রামের বাসিন্ধা বাজারের ব্যবসায়ি নান্নু মিয়া (৫০) গিয়ে তাদের উপর চড়াও হয়। নান্নু মিয়ার সাথে যোগ দেয় তার চাচাত ভাই কামাল সহ কয়েকজন। তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটে। মূহুর্তের মধ্যে বাজারে অবস্থানরত বেপারী পাড়া ও মালিগাঁওয়ের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কোথাও বিদ্যুতের আলো। কোথাও অন্ধকার। এই অবস্থার মধ্যেই উভয় পক্ষের মধ্যে চলে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। আতঙ্কে সকাল বাজারের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে ছুটাছুটি করতে থাকে মালিকরা। সরাইল-অরুয়াইল সড়কে যান চলচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় নান্নু মিয়ার দোকান, একতা ও বিছমিল্লাহ মৎস আড়ত সহ ৮-১০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুরের পর লুটপাট করে দাঙ্গাবাজরা। এক সময় সংঘর্ষটি খন্ড যুদ্ধে রুপ নেয়।

এ জাতীয় আরও খবর

হালাল শিল্প, টেকসই বিনিয়োগ ও এফডিআই আকর্ষণে সমন্বিত উদ্যোগ

বিচার বিভাগে আর্থিক দুর্নীতির চেয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি বেশি ক্ষতিকর: আইনমন্ত্রী

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, প্রধানমন্ত্রীর শোক

এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন অতিরিক্ত আইজিপি ফারুক আহমেদ

আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল সংগ্রহ করবে সরকার

ডেঙ্গুর ঝুঁকি কাটেনি ঢাকার দুই সিটির বহু ওয়ার্ডে

জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হত্যা মামলায় তিন আসামির বিচার শুরু

হামের উপসর্গে আরও ২ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১ হাজার ২৮২

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা বাড়ছে, এক দিনে মৃত্যু ৩

পিকআপের ধাক্কায় প্রাণ গেল ১৫ বছর বয়সী ছাত্রদল নেতার

সৌদিতে দুর্ঘটনায় নিহত ৮ জনের রোহিঙ্গা পরিচয়ের তথ্য

ঢাকায় বাসে আগুন-ককটেল বিস্ফোরণ, নাশকতার সন্দেহ ডিএমপির