রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন-স্থানান্তর দেখভালের জন্য জাতীয় কমিটি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী) সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও এ সংক্রান্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দেখভালের জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত সোমবার এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ব্যবস্থাপনা ও প্রত্যাবাসনসহ সব কার্যক্রমের সমন্বয় করবে এ কমিটি।

কমিটির অপর সদস্যরা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক, এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক, সামরিক গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় মহাপরিচালক, কক্সবাজার শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার।

কমিটির কার্যপরিধির বিষয়ে গেজেটে বলা হয়েছে- বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) ক্যাম্প এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, ব্যবস্থাপনা ও প্রত্যাবাসনসহ সব কার্যক্রমের সমন্বয় করবে এ কমিটি।

প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স (এনটিএফ), ভাসানচরে স্থানান্তরে গঠিত জাতীয় এক্সিকিউটিভ কমিটির কার্যক্রম, নিরাপত্তা প্রদান ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের বিষয়ে গৃহীত সব কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, মূল্যায়ন, পুনর্নিরীক্ষণ ও পরামর্শ প্রদান।

এ কমিটি প্রয়োজনে যেকোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তিকে তাদের সভায় উপস্থিত থাকার অনুরোধ করতে পারবে। প্রতি তিন মাসে এ কমিটি একটি বৈঠকে মিলিত হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক ও আইসিটি অনুবিভাগ এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে বলে গেজেটে উল্লেখ করা হয়েছে।

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১১ লাখের অধিক রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশে শরণার্থী হিসেবে আছে। কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরগুলোতে থাকা রোহিঙ্গাদের মধ্যে এক লাখ মানুষকে সরকার ভাসানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা নিয়েছে। এর জন্য চরটিতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী স্থানান্তরের প্রথম পর্যায়ে চট্টগ্রাম থেকে গত ৪ ডিসেম্বর জাহাজে করে ভাসানচরে গেছে এক হাজার ৬৪২ জন।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমার ২০১৭ সালের ২৩ নভেম্বর প্রত্যাবাসন চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। কিন্তু মিয়ানমার সরকারের প্রতি রোহিঙ্গাদের আস্থার অভাবের কারণে ২০১৮ সালের নভেম্বরে এবং ২০১৯ সালের আগস্টে দুবার তাদের প্রত্যাবাসন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

এ জাতীয় আরও খবর

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ

রাজধানীর ৫ হাসপাতালে চালু হচ্ছে পিপিপি পদ্ধতিতে উন্নত চিকিৎসা সেবা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা প্রকাশ

নতুন বাড়িতে ওঠার সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল করবেন

চুলে নজরকাড়া সাজ, পূর্ণিমা যেন অষ্টাদশী তরুণী!

‘ম্যাজিক বস’ নিলয় আলমগীর

আদালত প্রাঙ্গণে ক্ষুব্ধ পরীমনি

১৩১ রানের জুটি ভাঙলেন হাসান মাহমুদ

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল থেকে ককটেল নিক্ষেপ, পুলিশ আহত

এআই যেন বেকারত্বের সংকট আরও না বাড়ায়, সতর্ক করলেন রাষ্ট্রপতি

হত্যা মামলায় ইকবাল সোবহানকে কারাগারে রাখার আবেদন

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী