ডা. সাবরিনার জাতীয় পরিচয়পত্র অকার্যকর

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : জেকেজি হেলথ কেয়ারের ডা. সাবরিনা চৌধুরীর জাতীয় পরিচয়পত্র আপাতত অকার্যকর করেছে নির্বাচন কমিশন। দুর্নীতি দমন কমিশন তার দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

দুদকের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে চিঠি দিয়ে ইসিকে জানানো হলে বৃহস্পতিবার ডা. সাবরিনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডি দুটি ‘ব্লক’ করা হয়।

ইসির এনআইডি উইংয়ের অফিসার ইনচার্জ (কমিউনিকেশনস) স্কোয়াড্রন লিডার কাজী আশিকুজ্জামান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের এ কর্মকর্তা বলেন, ইসি সচিব মহোদয়ের কাছে ওই দুটি এনআইডি সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের চিঠি পাওয়ার পর প্রাথমিকভাবে দুটি এনআইডি ব্লক করে দেওয়া হয়েছে। দুদকের চিঠির জবাব ও আইনানুগ পরবর্তী করণীয় বিষয়ে সোমবারের মধ্যে সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে।

জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার সাবরিনা বরখাস্ত হয়ে এখন কারাগারে রয়েছেন। জেকেজি হেলথ কেয়ারের দুর্নীতি মামলায় তার বিচারও শুরু হয়েছে।

ডা. সাবরিনার স্বামী আরিফুল চৌধুরী জেকেজি হেলথ কেয়ারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। তিনিও গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে কভিড-১৯ টেস্টের (করোনাভাইরাস পরীক্ষা) ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী ও সিইও আরিফুল হক চৌধুরীসহ আটজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম সারাফুজ্জামান আনছারীর আদালতে বৃহস্পতিবার প্রথম সাক্ষ্য দেন মামলার বাদী কামাল হোসেন।

সাক্ষ্য শেষে তার জেরা ও অপর সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৩ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনা শনাক্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি হেলথকেয়ার ২৭ হাজার মানুষকে রিপোর্ট দেয়। এর বেশিরভাগই ভুয়া বলে ধরা পড়ে। এ অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিতে ২৩ জুন অভিযান চালিয়ে সিলগালা করে দেয়া হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়েছে।

৫ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে দুপুরে সাবরিনা ও আরিফসহ আটজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

চার্জশিটে সাবরিনা ও আরিফকে মূলহোতা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাকিরা প্রতারণা ও জালিয়াতি করতে তাদের সহযোগিতা করেছে। ২০ আগস্ট ঢাকা মহানগর হাকিম সরাফুজ্জামান আনছারী আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

তবে সময় তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন। মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- আবু সাঈদ চৌধুরী, হুমায়ূন কবির হিমু, তানজিলা পাটোয়ারী, বিপ্লব দাস, শফিকুল ইসলাম রোমিও ও জেবুন্নেসা।

এ জাতীয় আরও খবর

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ছেলেটাই ভোগালেন বাংলাদেশকে

শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর

এই নারী আমার স্ত্রী নন : গোলাম মাওলা রনি

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

যৌথবাহিনীর অভিযানের সময় গোলাগুলি, সেনা সদস্য আহত : আইএসপিআর

নাহিদ ইসলামের ডাকে এখন ১০০ জনও জড়ো হবেন না: রাশেদ খাঁন

নিউইয়র্কে আবাসিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ প্রাণহানি

ভুটানকে হারিয়ে সাফে শুভসূচনা বাংলাদেশের

তিনি শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নন-সর্বমন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী: নাহিদ ইসলাম

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

নবীনগরে সার্বজনীন বহুমুখী কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে ফ্রি অলরাউন্ডার প্রশিক্ষণ

মার্কিন কোম্পানিকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের আমন্ত্রণ