,

বরিশালকে হারিয়ে রংপুরকে পেছনে ফেলে প্রথম কোয়ালিফায়ারে চিটাগং

news-image

ক্রীড়া প্রতিবেদক : প্রথম কোয়ালিফায়ারে নাম লেখানো দুই দল ফাইনালে ওঠার দুটো সুযোগ পাবে। শীর্ষস্থানে থেকে ফরচুন বরিশাল আগেই সেই স্থান নিশ্চিত করেছে। এবার টেবিল টপারদের হারিয়ে দুইয়ে উঠে প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো চিটাগং কিংস।

এবারের বিপিএলে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে ফরচুন বরিশালকে ২৪ রানে হারিয়েছে মোহাম্মদ মিঠুনের চিটাগং কিংস। গ্রুপপর্ব তারা শেষ করেছে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে। রংপুর রাইডার্সেরও সমান পয়েন্ট, তবে রানরেটে পিছিয়ে পড়ায় তারা তিনে নেমে গেছে। ফলে খেলতে হবে এলিমিনেটর। ১৮ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে বরিশাল।

বরিশালের সামনে আজ ছিল ২০৭ রানের বিশাল লক্ষ্য। বিনুরা ফার্নান্ডোর প্রথম ওভারের সবকটি বল খেলে একটি রানও করতে পারেননি তামিম ইকবাল। বরং শেষ বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

শুরুতেই উইকেট হারিয়ে খোলসে ঢুকে পড়েন তাওহিদ হৃদয় আর ডেভিড মালান। ১১ বলে ৯ রান করে খালেদ আহমেদের বলে আকাশে ক্যাচ তুলে দেন হৃদয়। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩০ রান তুলতে পারে বরিশাল।

এরপর পঞ্চাশ রানের জুটি গড়েন মুশফিকুর রহিম আর ডেভিড মালান। তবে হাত খুলতে ব্যর্থ হন মুশফিক। ২২ বলে ২৪ করে আলিস আল ইসলামকে ফিরতি ক্যাচ দেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটার।

সঙ্গী হারিয়ে মারমুখী হয়ে উঠেন মালান, ২৮ বলে হাঁকান ফিফটি। মালান-ঝড় থামান আলিস। ৩৪ বলে ৬৭ রানের ইনিংসে ৫টি চার আর ৬টি ছক্কা হাঁকান ইংলিশ ব্যাটার। পরের ওভারে মোহাম্মদ নবি শূন্যহাতে আরাফাত সানির শিকার হলে কার্যত লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে বরিশাল।

এরপর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ পরাজয়ের ব্যবধানই যা একটু কমিয়েছেন। ২৬ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৭ উইকেটে ১৮২ রানে থামে বরিশালের ইনিংস।

বিনুরা ফার্নান্ডো আর আলিস আল ইসলাম ২ উইকেট করে শিকার করেন।

এর আগে পারভেজ হোসেন ইমনের ৪১ বলে ৮ ছক্কায় ৭৫ রানের ইনিংসের পর শেষদিকে শামীম পাটোয়ারী আর হায়দার আলির ক্যামিওতে ৪ উইকেটে ২০৬ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে চিটাগং কিংস।

শেরে বাংলায় টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে চিটাগং। দ্বিতীয় ওভারে তাইজুল ইসলামকে টানা দুই বলে ছক্কা হাঁকান পারভেজ হোসেন ইমন। চতুর্থ ওভারে মোহাম্মদ ইমরানকে টানা দুই বলে দুই ছক্কা মারেন খাজা নাফে।

চিটাগং প্রথম ৩৭ রানের ৩০-ই নেয় ছক্কা থেকে (৫ ছক্কায়)। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বিনা উইকেটে ৫৫ রান তুলে ফেলেন পারভেজ ইমন আর খাজা নাফে। রানরেট ছিল ৯.১৭!

তাদের ৪১ বলে ৫৮ রানের জুটিটি ভাঙেন মোহাম্মদ নবি। ১৯ বলে ২২ করে আউট হন খাজা নাফে। তবে পারভেজ ইমন বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন ৩১ বলে ছক্কা হাঁকিয়েই।

অবশেষে মারকুটে ইমনকে থামান এবাদত হোসেন। ৪১ বলে ৭৫ রানের ইনিংসে ১টি চারের সঙ্গে ৮টি ছক্কা হাঁকান বাঁহাতি এই ওপেনার। পরের ওভারেই ২১ বলে ২৬ করে তাইজুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন গ্রাহাম ক্লার্ক। ৩ বলে ১ রানে তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার হন মোহাম্মদ মিঠুন।

এরপর ১৯ বলে ৪০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি শামীম আর হায়দারের। শামীম ১২ বলে ৩ চার আর ২ ছক্কায় অপরাজিত থাকেন ৩০ রানে। ২৩ বলে তিনটি করে চার-ছক্কায় হার না মানা ৪২ করেন হায়দার।

তাইজুল ইসলাম ২ উইকেট পেলেও খরচ করেন ৪৬ রান।

এমএমআর/এমকেআর

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৪৯

পরীমণির জন্মদিনে ওমর সানীর স্নেহের আলিঙ্গন

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন

হঠাৎ গোলাপি জার্সি পরে কেন মাঠে নামল পাকিস্তান

গ্যাস সংকটে আবারও যমুনা সার কারখানা বন্ধ

হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চান খাদ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: স্থগিত হলো প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

স্পেন-যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন শামা ওবায়েদ

‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু নিয়ে দূষণে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচে ঢাকা

প্রথমবার পালমারের লাল কার্ড, চেলসির ১০০!