,

নওগাঁয় ঝরে পড়া আম বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়

news-image

জেলা প্রতিনিধি : কালবৈশাখীর তাণ্ডবে নওগাঁয় আমের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঝরে পড়েছে হাজার হাজার গাছের অপরিপক্ব আম। বাগান মালিকরা স্তূপ করে রাখা আম ২-৩ টাকা কেজিতে এসব কাচা আম বিক্রি করছেন। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

বদলগাছী আবহাওয়া অফিস সূত্রে যায়, শুক্রবার দিনগত রাত ২-৪টা পর্যন্ত নওগাঁয় ঝড়ের সঙ্গে বৃষ্টি হয়। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬০-৭০ কিলোমিটার। এ সময় বৃষ্টিপাত হয়েছে ৪৩ মিলিমিটার।

নওগাঁর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এ বছর ২৯ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হয়েছে। ৬ হাজার ৮০০ আম চাষির প্রায় সাড়ে ৯ হাজার বাগান রয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয় ১৩ দশমিক ৫ টন। সে হিসেবে এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল তিন লাখ ৯৭ হাজার ৮৪৫ টন।

তিনি বলেন, শুক্রবারের ঝড়ে ঝরে পড়া আমের বেশিরভাগই নষ্ট হয়েছে। প্রতিকেজি আম প্রকারভেদে ২-৩ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দফায় দফায় আম ঝরে পড়ায় চাষিরা লোকসানের আশঙ্কা রয়েছেন।

নওগাঁয় ঝরে পড়া আম বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়

সাপাহার উপজেলার মানিকুড়ি গ্রামে আমচাষি আমিনুল ইসলাম বলেন, ৮০ বিঘা জমিতে ন্যাংড়া ও আম্রপালির দুটি বাগান আছে। ঝড়ে দুই বাগানে প্রায় ১০০ মণ আম ঝরে গেছে।

একই উপজেলার তিলনা গ্রামের বাগান মালিক এমএ নোমান বলেন, ছয় বিঘা জমিতে আম্রপালি, ল্যাংড়া ও ফজলি জাতের আম চাষ করি। ঝড়ে প্রায় ১৫ মণ আম ঝরে গেছে। বেশি ক্ষতি হয়েছে আম্রপালি আমের। ঝরে পড়া এসব আম বাড়ি থেকে আড়াই টাকা কেজি দরে ব্যবসায়ীরা নিয়ে যায়।

উপজেলার ভাই ভাই বাণিজ্যালয় আড়তের সত্ত্বাধিকারী মোদাচ্ছের আলী বলেন, ঝরে পড়া প্রায় দেড় হাজার মণ আম আড়াই থেকে তিন টাকা কেজিতে কিনেছি। এসব আমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে আম্রপালি ও ল্যাংড়া।

নওগাঁয় ঝরে পড়া আম বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়

সাপাহার বাজার আম ব্যবসায়ী আড়ৎ মালিক সমিতির সভাপতি কার্ত্তিক সাহা বলেন, দুদিনের ঝড়ে সাপাহার ও পোরশায় আম বাগান থেকে অন্তত ৩৫ শতাংশ আম ঝরে পড়েছে। শনিবার সাপাহার থেকে ১০০ ট্রাক আম ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় গেছে। প্রতি গাড়িতে ৫০০ ক্যারেট (এক ক্যারেটে ২৫ কেজি) আম।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. শামছুল ওয়াদুদ বলেন, ঝড়ে কোন ফসলের কী ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনও নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। চলতি মাসেই কয়েক দফা ঝড়ে নওগাঁর বাগানগুলোর প্রায় ১৫ শতাংশ আম ঝরে গেছে। ঝড়ে ফজলি, ল্যাংড়া, নাক ফজলি, গোপালভোগ জাতের গাছগুলো বড় হওয়ায় এসব গাছের আম বেশি ঝরে পড়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না