,

বিএনপির লবিস্ট নিয়োগের টাকার পাই পাই হিসাব দিতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অংশ হিসেবে বিএনপি বিদেশে লাখ লাখ ডলার খরচ করে লবিস্ট নিয়োগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আজকে ইলেকশন সামনে নিয়ে এই লবিস্ট দিয়ে টাকা দেওয়া হচ্ছে। এই টাকার পাই পাই হিসাব আমরা আদায় করতে চাই, পাই পাই হিসাব দিতে হবে।’

বৃহস্পতিবার একাদশ জাতীয় সংসদের ষোড়শ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং অধিবেশনের সমাপনী আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এই অর্থ অবৈধ উৎস থেকে পাওয়া দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, লক্ষ লক্ষ ডলার তারা খরচ করেছে। কোটি কোটি ডলার খরচ করেছে। আমার প্রশ্ন, এই অর্থ কোথা থেকে তারা পেল? বিদেশি ফার্মকে এই যে লক্ষ লক্ষ বা কোটি কোটি ডলার যে তারা পেমেন্ট করল, এটা কোথা থেকে পেল? এই অর্থ কীভাবে বিদেশে গেল?

তিনি বলেন, ‘পাঁচ বছর ২০০১ থেকে ক্ষমতায় থেকে জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে পাচার করে সেই টাকা দিয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত।’

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকানো, জঙ্গিদের রক্ষা, জাতির পিতার খুনিদের বাঁচানো, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য এই অর্থ ব্যয় করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিপরীতে আওয়ামী লীগ দেশের ভাবমূর্তি উঁচু করতে কাজ করছে।

সরকারপ্রধান বলেন, ‘হ্যাঁ, সব সময় পিআর ফার্ম নেওয়া হয় আমাদের, যাতে বিনিয়োগ বাড়ে, উৎপাদন বাড়ে, আমরা যেন বেশি রপ্তানি করতে পারি, আমাদের দেশের অধিকার সংরক্ষণের জন্য করা হয়। কিন্তু বিএনপির কাজটা কী ছিল? বাংলাদেশটাকে ধ্বংস করার জন্য। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দিয়ে, অসত্য তথ্য দিয়ে দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য।’

তবে জনগণ বিএনপির কথায় বিভ্রান্ত হবেন না বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার আমলের বিতর্কিত নির্বাচনের কথাও সংসদে বলেন তিনি।

র‌্যাবের সাবেক-বর্তমান সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয়, যারা সন্ত্রাস দমনে সফল, যারা এই দেশটাকে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাসের হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছে, যারা সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষা করেছে, সাধারণ মানুষের মানবাধিকার সংরক্ষণ করেছে, তাদের ওপরেই যেন আমেরিকার রাগ।’

তবে আমেরিকাকে পুরো দোষ না দিয়ে স্পিকারকে উদ্দেশ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ঘরের ইঁদুর বাঁধ কাটলে কাকে দোষ দেবেন? কালকে আপনি শুনেছেন, আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন। এই যে সমস্ত তালিকা। এটা আমার বক্তৃতা হিসেবে আপনার কাছে আমি দিয়ে যাবে, আমি চাই প্রসিডিংসটা থাক।’

করোনাভাইরাস সংক্রমণ আবার বাড়তে থাকায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলারও পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

এ জাতীয় আরও খবর

রাষ্ট্রায়ত্ত ৩ ব্যাংকে নতুন এমডি

‘জেলার ২’ ১১ দিনেই ৭০০ কোটি আয়

ডেঙ্গুতে আরও ৫ জনের মৃত্যু, ভর্তি ২২১৮

আকামার মেয়াদ শেষ হলেও সৌদিতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন প্রবাসীরা

ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির বক্তব্য প্রত্যাহার এবং তাকে অপসারণের দাবি টিআইবির

৭ নভেম্বর সারা দেশে র‍্যালি করবে বিএনপি

আইজিপিকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে হবে

ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে অর্থনৈতিক পুনর্গঠনে কাজ চলছে : হুইপ দুলু

‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে আইজিপির বক্তব্যের যে ব্যাখ্যা দিলো পুলিশ সদর দপ্তর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: প্রথমবার বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন মির্জা আজম-আমু-শাজাহান

চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

গোলাপি আভায় জয়া আহসান