পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ব্যাখ্যা দিতে হবে আহছানউল্লাহকে

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাঁচ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগের বিষয়ে আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (এইউএসটি) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ বিষয়ে ১৪ নভেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠির জবাব দিতে বলা হয়েছে। গতকাল বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে চিঠির জবাব পেলে এ ব্যাপারে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানান সিরাজুল ইসলাম। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে পাঁচটি ব্যাংকের অফিসার (ক্যাশ) পদে পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়কে। ওই পদে গত শনিবার প্রিলিমিনারি পরীক্ষা হয়।

তবে পরীক্ষার পর প্রশ্ন ফাঁসের খবর পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রশ্ন ফাঁস চক্রের মূলহোতা মো. মুক্তারুজ্জামান রয়েলসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বুধবার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

মুক্তারুজ্জামান রয়েল আহছানউল্লাহ ইউনির্ভাসিটি অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে আইসিটি টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। তার মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যায়টিতে কর্মরত অন্যদের সহায়তায় ওই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে বলে জানান হাফিজ আক্তার।

তিনি আরও জানান, গোয়েন্দা তেজগাঁও বিভাগের জোনাল টিম তথ্য পায় পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন রাতে প্রশ্ন ফাঁস হতে পারে। পরে ডিবির এক সদস্য ছদ্মবেশে পরীক্ষার্থী সেজে পরীক্ষার দিন সকালে প্রশ্ন ও উত্তরপত্র পেতে চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

চক্রের সদস্য রাইসুল ইসলাম স্বপনকে অগ্রিম টাকা দিলে পরীক্ষার্থীকে বুথে নিয়ে যান। এ সময় উত্তরপত্রসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বপনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সাভারের শ্রীনগর থেকে রূপালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার জানে আলম মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর জানে আলমের তথ্যের ভিত্তিতে রাজধানীর দক্ষিণ বাড্ডা থেকে মো. শামসুল হক শ্যামলকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র ফাঁস করার কথা স্বীকার করেন শ্যামল। পরে চক্রের মূল হোতা মো. মুক্তারুজ্জামান রয়েলকে বাড্ডার আলিফনগর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। রয়েল প্রশ্ন ফাঁসের কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছেন ডিবির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হাফিজ আক্তার।

আসামিদের কাছ থেকে একটি ল্যাপটপ, পাঁচটি মোবাইল, চারটি প্রশ্নপত্র, চারটি উত্তরপত্র। হোয়াটসঅ্যাপে থাকা উত্তরপত্রের ছবি, একটি প্রবেশপত্রের ফটোকপি ও নগদ ছয় লাখ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

আসামিরা জানিয়েছেন, রাজধানীর বাড্ডা, বসুন্ধরা, উত্তরা, মোহাম্মদপুর, কল্যানপুর, রূপনগর, মিরপুর, মাতুয়াইল, শেওড়াপাড়া, শেরেবাংলানগর, পল্লবী এলাকায় বুথ স্থাপন করা হয়। এসব বুথে পরীক্ষার পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা আগে পরীক্ষার্থীদের প্রশ্ন ও উত্তরপত্র মুখস্থ করানো হয়। চক্রের সদস্যদের তত্ত্বাবধানে প্রত্যেক বুথে ২০ থেকে ৩০ জন পরীক্ষার্থী উত্তর মুখস্থ করে পরীক্ষার কেন্দ্রে যান।

 

এ জাতীয় আরও খবর

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৭ জনের মৃত্যু

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া