,

হারিয়ে যাচ্ছে নৌপথ

pabna riverডেস্ক রির্পোট : বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। কিন্তু কিছুদিন পর তাও বলা সম্ভব হবে না কারণ সব নদী তার নাব্যতা হারাচ্ছে। গভীরতা কমে যাচ্ছে ব্যাবসায়ীরা পড়েছে বিপাকে।

পাবনা জেলার ১৫ নদীর ৭ নদীতে নেই ঢেউ। অন্য ৮ নদীর আংশিক মত্স্য খামার ও কৃষি আবাদের জমিতে পরিণত হয়েছে। আর ৬২০ কিলোমিটার নৌপথের প্রায় ৩শ’ কিলোমিটার বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

পাবনা জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমানায় পদ্মার ১৪০ কিলোমিটার, পূর্বদিকে যমুনার ১২৫ কিলোমিটার, উত্তরদিকে বড়াল নদের ৫৫ কিলোমিটার নিয়ে মোট ৩২০ কিলোমিটার পথ কোনোমতে টিকে আছে। গুমানি নদীতে সামান্য নৌপথ রয়েছে। এছাড়া চন্দ্রাবতী, রত্নাই, চিকনাই, আত্রাই, সুতিখালী, কাগেশ্বরী ও ইছামতি নদীর একাংশে বর্ষাকালে মাছ চাষ হয়ে থাকে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি বছর এসব নদীর অংশ ইজারা দেয়া হয়।

বিলুপ্ত হয়ে গেছে গোহালা, শালিকা, শুঁটকিদহ, রুকনাই, বারনাই, ট্যাপাগাড়ী ও ভাংগুড়ায় ইছামতির নৌপথ। পাবনা শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ইছামতির ৫০ কিলোমিটারের বেশি নৌপথ ছিল। চিকনাই নদী ছিল ৩৮ কিলোমিটার। বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ তৈরি করায় এসব নদীপথ বন্ধ হয়ে গেছে। ১৯৭০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বিভিন্ন নৌ-রুটে নৌকা চলাচল করত। জেলার নদীপথ উচ্চমানের নয় বলে বছরব্যাপী সচল থাকে না। নাব্যতা ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি সম্পর্কে সুচিন্তিত ব্যবস্থা নেই। বছর পাঁচ হয়ে গেল কাজীরহাট ঘাটে আর তেমন ফেরি চলে না। ফেরিঘাট ও পন্টুন পরিত্যক্ত বলা যায়।

৮ বছর হতে চললো বেড়ায় নৌবন্দর পরিকল্পনা আংশিক রূপায়িত করার পর ঝুলে আছে। সেখানকার এক কলেজ শিক্ষক বললেন, নদীপথে যাতায়াত আগের মতো এখনও সুলভ। কিন্তু নিয়মিত নদী ড্রেজিং না করায় নৌপথ কমতে কমতে তলানিতে এসে থেমেছে। জেলায় সারাবছর কতটুকু নৌপথ চালু থাকে তারও জরিপ করা হয় না। ১২ মাস পানি থাকে এমন নদী পদ্মা ও যমুনাতেও সমপ্রতি বিশাল বিশাল চর জেগে ওঠায় চৈত্র-বৈশাখে মালপত্র বহন করার বজরা আর দেখা যায় না। পাবনার বিভিন্ন নৌ-রুটের বেশিরভাগ ক্রমাগত চর পড়ে ভরাট হয়ে যাওয়ায় কৃষিপণ্য আমদানি-রফতানিকারকরা হতাশায় পড়েছেন। শুষ্ক মৌসুমে জেলায় বিরাজ করে মরুভূমির পরিবেশ। কৃষিপণ্য আমদানি-রফতানির ব্যবসায়ীরা নির্ভরশীল হচ্ছেন সড়কপথের ওপর।

এ জাতীয় আরও খবর

বিতর্কের জেরে সরানো হলো মেহজাবীন-পরীমণির ভুয়া ভিডিও

দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে ২৫ হাজার পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি

দুর্গাপূজা বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক: জি এম কাদের

সেরা তরুণদের জাতিসংঘে পাঠাতে সহযোগিতা করবে সরকার

ভারত থেকে দেশে পৌঁছাল উন্নত প্রযুক্তির ১৮ রেলকোচ

রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে দুই অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা

দুই মাস পর বড়পুকুরিয়া খনিতে আবারও কয়লা উত্তোলন শুরু

‘নুর হাসিনার পুত্র হলে, আসিফ-নাহিদরা নাতি’: আবু হানিফ

ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে দারিদ্র্য হ্রাসের আশা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের

ইংল্যান্ড নারী কাবাডি দলের অধিনায়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আনিসা

নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম, পরীক্ষার্থীর এক মাসের কারাদণ্ড

শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: আইজিপি