,

রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার নির্ধারণ করল সরকার

news-image

বাসস
নিজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। ছবি : পিআইডি

পণ্য ও সেবা উভয় খাতের রপ্তানিতে ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশা নিয়ে চলতি অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জন্য ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

আজ রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেনবাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

মোট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৫৫ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি এবং ৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার সেবা রপ্তানি থেকে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গত অর্থবছরে দেশ নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে এবং এ খাতে প্রবৃদ্ধিও ছিল মন্থর।’ তবে তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘নবনির্বাচিত সরকারের অধীনে নীতিগত স্থিতিশীলতা এবং জাতীয় বাজেটে ঘোষিত ব্যবসাবান্ধব বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে চলতি অর্থবছরে দেশের রপ্তানি খাত আবারও গতি ফিরে পাবে।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘রপ্তানি বহুমুখীকরণ সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই তৈরি পোশাক (আরএমজি) খাত থেকে আসে।’

একক খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সরকার চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জাহাজ নির্মাণ ও জাহাজ পুনর্ব্যবহার (শিপ রিসাইক্লিং), লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতকে রপ্তানি সম্প্রসারণের জন্য অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে বলে জানান তিনি।

বাজার সম্প্রসারণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আরো চার থেকে পাঁচটি দেশের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকরের জন্য আগামী সংসদ অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) বাংলাদেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এ প্রক্রিয়া নিয়ে বিদ্যমান অনিশ্চয়তা অনেকটাই কেটে গেছে। ফলে রপ্তানিকারকরা আগামী তিন বছর বিদ্যমান বাজার সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।’

রপ্তানি খাতের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘এলএনজি আমদানি বৃদ্ধি এবং শিল্প কারখানায় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার অতিরিক্ত দু’টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের জন্য কাজ করছে।’

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও উন্নত ব্যবসা পরিবেশ, বাণিজ্য চুক্তির সম্প্রসারণ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধি বাংলাদেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও উচ্চতর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

 

এ জাতীয় আরও খবর

মানবতাবিরোধী অপরাধ: প্রথমবার বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন মির্জা আজম-আমু-শাজাহান

চার দিনের সফরে জাপান পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

গোলাপি আভায় জয়া আহসান

‘এটা সেই ছোট্ট দীঘি না’ জন্মদিনের ভিডিও দেখে অবাক ভক্তরা

মিজানুর রহমান আজহারী: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করা জরুরি

কালো জাদুর অভিযোগে আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে?

ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৪৯

পরীমণির জন্মদিনে ওমর সানীর স্নেহের আলিঙ্গন

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন

হঠাৎ গোলাপি জার্সি পরে কেন মাঠে নামল পাকিস্তান

গ্যাস সংকটে আবারও যমুনা সার কারখানা বন্ধ

হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী