,

নয়াপল্টনে জব্দ মোটরসাইকেল মালিকদের খুঁজছে পুলিশ

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর নয়াপল্টনে গত ৭ ডিসেম্বর পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে সময় মোটরসাইকেল ফেলে চলে গিয়েছিলেন অনেকেই। সেখান থেকে জব্দ করা ৫০ থেকে ৬০টি মোটরসাইকেল পল্টন থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এসব মোটরসাইকেলের অধিকাংশই বিএনপি নেতাকর্মীদের। আর কিছু মোটরসাইকেল স্থানীয় ব্যবসায়ী ও মার্কেটে আসা লোকজনসহ পথচারীদের। জব্দ করা মোটরসাইকেলের অর্ধেক ছাড়িয়ে নিয়ে গেলেও বাকি অর্ধেক এখনও পড়ে আছে থানাতেই।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় পল্টন মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন বলেন, ‘জব্দ করা অর্ধেকের বেশি মোটরসাইকেল ছাড়িয়ে নিয়ে গেছেন গাড়ির মালিকরা। বাকিগুলো থানায় রয়েছে। যারা গাড়ির সঠিক কাগজপত্র দেখাতে পারছেন তাদের গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘জব্দ করা গাড়িগুলো যার নামে তাকেই উপস্থিত হয়ে গাড়ি নিতে হবে। সঙ্গে এনআইডি কার্ডসহ, গাড়ির সব কাগজপত্র দেখিয়ে গাড়ি ছাড়িয়ে নিতে হবে। যার নামে গাড়ি সে ছাড়া অন্য কেউ এলে হবে না।’

এর আগে, ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত কমিশনার (এডিসি) এনামুল হক মিঠু বলেন, ‘বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের দিন রাতে বিএনপির পার্টি অফিসের সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলের বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

মামলার আলামত হিসেবে জব্দ না দেখিয়ে সংঘর্ষের স্থান থেকে কোনো জিনিসপত্র পুলিশ নিতে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ নিয়ে যেতে পারে। কারণ মোটরসাইকেল তাদেরই (বিএনপির নেতাকর্মীদের)। আমরা যাচাই-বাচাই করছি।’

এদিকে মোটরসাইকেল জব্দ করার পর পুলিশ জানিয়েছিল ফেলে যাওয়া এসব মোটরসাইকেলের অধিকাংশই বিএনপি নেতাকর্মীদের। আর কিছু মোটরসাইকেল স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং মার্কেটে আসা লোকজনসহ পথচারীদের। এসব মোটরসাইকেলের মালিকদের খুঁজছে পুলিশ। খুঁজে পেলে যথার্থ প্রমাণ মিললে তাদের গাড়ি বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

ঘটনার পর গত মঙ্গলবার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী মোটরসাইকেল ফিরে পাওয়ার জন্য পল্টন থানায় আসেন। কিন্তু তাদের পরে যোগাযোগ করতে বলা হয়। তবে গাড়ির মালিককে কাগজপত্রসহ থানায় হাজির হয়ে মোটরসাইকেল শনাক্ত করতে হবে এমনটাই জানায় থানা পুলিশ।

গত ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টন এলাকায় সংঘর্ষের পরে ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ নেয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই দিন রাত ৮টার দিকে নাইটেঙ্গেল মোড় (বিজয়নগর মোড়) থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে পড়ে থাকা অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল ভ্যানে করে উঠিয়ে নিয়ে যেতে দেখা যায়। সেদিন ৫০-৬০টি মোটরসাইকেল রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে পল্টন থানায় রাখা হয়। যেগুলো মামলার আলামত হিসেবে দেখানো হয়নি।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না