,

বাঞ্ছারামপুরে ভরা মৌসুমেও খেজুরের রসের আকাল,দাম আকাশচুম্বী

news-image

ফয়সল আহমেদ খান,বাঞ্ছারামপুর  : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস নদ বিধৌত উপজেলা বাঞ্ছারামপুর।যেখানে নভেম্বরের শেষ কিংবা ডিসেম্বরের শুরুতে মেলে সুস্বাদু খেজুরের রস।কিন্তু এবার হচ্ছে উল্টো।খেজুরের গাছ আছে,তবে তাতে রস নেই।নেই খেজুর গাছের গাছি।খোজ নিয়ে জানা গেছে, ঋতুবৈচিত্রের পালাক্রমে চলছে শীত। শীতকালীন খাদ্য তালিকায় প্রথমেই আসে মুখরোচক খেজুরের রস। কিন্তু গাছির অভাবে সেই মুখরোচক খেজুর রস এখন বিলুপ্তির পথে। রস না পাওয়ার জন্য গাছির অভাব ও ইটভাটার আগ্রাসনকে দায়ী করছেন অনেকে।

কুয়াশাচ্ছন্ন শীতের সকালটা কোনো এক সময় যেন খেজুরের রস ছাড়া জমতোই না। শীত ও খেজুরের রস যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলো।শীত যত বাড়তো খেজুরের রসের চাহিদাও ততো বাড়তো। গ্রামীণ জনপদের ঘরে ঘরে এই রস দিয়ে তৈরি হতো নানা ধরনের পিঠাপুলি। বিশেষ করে বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সফিরকান্দি,মনাইখালি,মরিচাকন্দি, শান্তিপুর, খাল্লঅ,দরিকান্দিসহ শেকেরকান্দিতে। কিন্তু এখন বদলে গেছে সে চিত্র। গ্রামেও মিলছে না খেজুর রস।

উজানচর ইউপির শেকেরকান্দি গ্রামের স্বেচ্ছাসেবকসেবক লীগের নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য খেজুর রস সংগ্রহে শীতকালে প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গাছিরা খেজুরগাছ কাটার কাজে ব্যস্ত সময় পার করতেন। আগে যেখানে আমাদের গ্রামে ১০০ থেকে ১৫০ গাছ কাটতো গাছিরা এখন সেটা ১৫ থেকে ২০ এ নেমে এসেছে। আগে এক হাড়ি রসের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা নিতো। এখন এক হাড়ি রসের দাম ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। আমার অবাক লাগে কীভাবে বাজারে খেজুরের গুড় পাওয়া যায় ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায়। যেখানে এককেজি দুধের দাম মাত্র ৬০ টাকা।

একই গ্রামের গাছি ফেরদৌস মিয়া বলেন, শীতকালে সকাল-সন্ধ্যা গ্রামীণ পরিবেশটা খেজুর রসে মধুর হয়ে উঠতো। রস আহরণকারী গাছিদের প্রাণচাঞ্চল্য লক্ষ্য করা যেত সে সময়ে। রস জ্বালিয়ে পাতলা ঝোলা, দানাগুড় ও পাটালি তৈরি করতেন অনেকে। এখন আগের মতো গাছ ও নেই। যা কিছু গাছ আছে তাতে আগের মতো রস হয় না।

এলাকার প্রবীন ব্যক্তি হামিদ মিয়া বলেন, আমাদের এলাকায় গাছ কেটে রস বের করার কোনো গাছি পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও বা কারো কারো গাছ রয়েছে, কিন্তু কেটে রস বের করার লোক নেই। কিশান (কৃষক) খরচ করে এ কাজে বিশাল লোকসান তাই খেজুরগাছ কাটা বন্ধ হয়ে গেছে। বছরের পর বছর খেজুরগাছ না তোলায় এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। যদিও কেউ কিশান দিয়ে তোলায় তবে, পরে আর কেটে রস বের করার কোনো গাছি না থাকায় বিলুপ্তির পথে খেজুর রস। বাজারে যে খেজুর গুড় পাওয়া যায় সব ভেজাল, বিষ বলা যায়।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না