,

দুর্নীতির অভিযোগে ৪ ব্যাংক কর্মকর্তাসহ ৫ জনের কারাদণ্ড

news-image

নোয়াখালী প্রতিনিধি : নোয়াখালীতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় এক গ্রাহকসহ সোনালী ব্যাংকের চার কর্মকর্তাকে ২৫ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আসামিদেরকে তিন কোটি ৭০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে নোয়াখালী বিশেষ জজ আদালতের বিচারক এ এন এম মোরশেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ড পাওয়া ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন ফারুক সোনাপুর বিসিক শিল্প এলাকার মেসার্স ডলপিন সী ফুড ইন্ডাষ্ট্রিজের মালিক। তিনি কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা। দণ্ড পাওয়া ব্যাংক কর্মকর্তারা হলেন, সোনালী ব্যাংকের এজিম এ জে আবদুল্লা আল মামুন, সিনিয়র অফিসার জাকের উল্লাহ, ক্যাশিয়ার এম এ রহমান ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. সামছুদ্দোহা নাহাদ।

আদালত এ মামলার রায়ে আসামিদের সাজা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের সম্পদের হিসাব ও আয়ের উৎস তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। নোয়াখালী দুদকের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট মো. আবুল কাশেম রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, নিজাম উদ্দিন ফারুককে ২৫ বছরের কারাদণ্ড ও দুই কোটি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এছাড়া চার ব্যাংক কর্মকর্তা দুর্নীতিতে জড়িত থাকার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় তাদের প্রত্যেককে ২৫ বছর করে কারাদণ্ড ও এক কোটি ৬৮ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা যায়, আসামিরা সকলে যোগসাজশে কোল্ড স্টোরেজে ইলিশ মাছ রেখে ব্যবসার জন্য ২০১২ সালে দুই কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করেন। পরে মাছ না কিনে ভুয়া ভাইচারের মাধ্যমে ওই বছরের ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১৪টি চেকে এক কোটি ৯৭ লাখ ১৬ হাজার ৭০০ টাকা উত্তোলন করেন। এর বিপরীতে ৫১ হাজার ৪৩৯ কেজি ইলিশ মাছ ক্রয় করে গুদামজাত করার কথা থাকলেও তা না করে পুরো টাকা আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় সোনালী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. মোস্তফা কামাল ২০১৭ সালে সাতজনকে আসামি করে সুধারাম থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. মশিউর রহমান তদন্ত শেষে ওই বছরই আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

মামলায় আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মোল্লা হাবিবুর রসুল মামুন। তিনি বলেন, এ রায়ে আসামি পক্ষ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। রায়ের কপি হাতে পেলে উচ্চ আদালতে আপীল করা হবে। আশা করি সেখানে ন্যায় বিচার পাবো।

আসামি পক্ষের এ আইনজীবী দাবি করেন, ব্যাংক কর্মকর্তাদের না জানিয়ে নকল চাবি তৈরি করে ওই ব্যবসায়ী গুদাম থেকে মাছ সরিয়ে আত্মসাৎ করেছেন। দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা সেটা জেনেও আদালতকে অবহিত করেননি।

তবে রায়ে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় সোনালী ব্যাংকের ডিজিএম মীর আবদুল লতিফ ও ব্যবস্থাপক মো. মোস্তাক আহমেদ সিদ্দিকীকে মামলা থেকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

 

এ জাতীয় আরও খবর

মিজানুর রহমান আজহারী: শিক্ষার্থীদের সঙ্গে শিক্ষকদের আচরণের সুস্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করা জরুরি

কালো জাদুর অভিযোগে আত্মীয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা যাবে?

ডেঙ্গুতে আরও ৭ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২৪৯

পরীমণির জন্মদিনে ওমর সানীর স্নেহের আলিঙ্গন

১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সেন্টমার্টিন

হঠাৎ গোলাপি জার্সি পরে কেন মাঠে নামল পাকিস্তান

গ্যাস সংকটে আবারও যমুনা সার কারখানা বন্ধ

হাসিনার ফেরার গুঞ্জনে অস্থিরতা সৃষ্টির সুযোগ দেবো না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের ভোট ভিক্ষা চেয়েছে : শফিকুর রহমান

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা চান খাদ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: স্থগিত হলো প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার ১৫ প্রকল্পের অনুমোদন

স্পেন-যুক্তরাজ্য সফরে যাচ্ছেন শামা ওবায়েদ