,

আমার রেকর্ড ভাঙবে, দেশে এমন কারও জন্ম হয়নি (ভিডিও)

news-image

মোস্তফা শামীম

‘২০১০ সালে ঢাকা এস এ গেমসে একটি স্বর্ণপদকের আশায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিন দিন বসে ছিলেন, আমি প্রাণপণ চেষ্টা করে প্রধানমন্ত্রীর আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিয়েছিলাম। আজ আমাকে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে। আমার বয়স শেষ, আমার সবটুকু আমি দেশকে উজার করে দিয়েছি। কিন্তু দেশ আমাকে অযোগ্যদের কাতারে ফেলে দিলো।’ আক্ষেপের সুরে কথাগুলো বলছিলেন দেশসেরা ভারোত্তোলক হামিদুল ইসলাম।

শেখ কামাল জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেওয়া করা হয় গত ৫ আগস্ট। এই পুরস্কার মনোনয়নে তার নামও ছিল। কিন্তু দেশ-বিদেশের হয়ে অসংখ্য পদকজয়ী এই তারকা পুরস্কার পাননি।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সার্ভিস দেওয়া হামিদুলের দেশীয় স্বর্ণপদক পাওয়া শুরু হয় ১৯৯৭ সালে। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০২১ সাল পর্যন্ত ২১টি স্বর্ণপদক জেতেন তিনি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বেশ আলো ছড়িয়েছেন হামিদুল। ২০০৪ সালে পাকিস্তানে নবম এস এ গেমসে দ্বিতীয় হয়ে রৌপ্য জয়। ২০০৬ সালে শ্রীলংকায় দশম এস এ গেমসে তৃতীয় হয়ে ব্রোঞ্জ জয়। তবে ২০১০ সালে এসে চূড়ান্ত সফলতা পান। ওই সময় দেশের মাটিতে ১১তম এস এ গেমসে স্বর্ণ পদক হাতে তোলেন। এছাড়া ২০০৬ অস্ট্রেলিয়া কমনওয়েলথ গেমসে চতুর্থ, ২০১০ সালে চীনে এশিয়ান গেমসে পঞ্চমস্থান লাভ করেন।

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না