,

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সঠিক প্রয়োগ চায় যুক্তরাষ্ট্র

কূটনৈতিক প্রতিবেদক : বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের সঠিক প্রয়োগ দেখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এ আইনের মাধ্যমে কেউ যেন অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে নজর রাখবে বলে ওয়াশিংটনকে আশ্বস্ত করেছে ঢাকা। গতকাল সোমবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ঢাকা সফররত মার্কিন আন্তর্জাতিক সংস্থাবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিশেল জে সিসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

বৈঠকে ঢাকা-ওয়াশিংটন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, খাদ্য নিরাপত্তা, মানবাধিকার, রোহিঙ্গা ইস্যু, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, র‌্যাবের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম, জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ‘আমাদের ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের যে ফলসগুলো আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা বর্তমানে কাজ করছি। তারা (যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গেও আলোচনা করেছে। আমরা চাই, এই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের যে প্রয়োগটা সেখানে যেন কোনো ধরনের অসঙ্গতি না থাকে। কাউকে যেন ক্ষতির মুখে না পড়তে হয়। এ ব্যাপারে আমরা অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করেছি। তাদের (যুক্তরাষ্ট্র) আমরা বলেছি, এ ব্যাপারে আমরা সজাগ আছি। আমরাও চেষ্টা করব, যদি কোনো ধরনের অ্যাবিসিউড থাকে, সেটিকে মিনিমাইজ করতে এবং আমাদের রিভিউর কিছু কিছু কাজও হচ্ছে।’

মাসুদ বিন মোমেন বলেন, ‘মিশেল জে সিসনের সঙ্গে বহু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আলোচনায় বহুপক্ষীয় বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে। সামনে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আছে। সেখানকার বিভিন্ন ইভেন্ট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে কোনো কোনো ইস্যুতে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করা যায়, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়েও। সেখানে আমাদের যে সাফল্য আছে, তারা এর প্রশংসা করেছে। আমরাও তুলে ধরেছি, কোভিডের সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। যদিও এখন সারাবিশ্ব ইউক্রেন সংকটের কারণে একটা দৌড়ঝাঁপের মধ্যে পড়েছে। আমাদেরও পড়তে হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করেছে। এ ব্যাপারে তারা আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। এ ব্যপারে সামনে আরও কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানবাধিকারের যে বিষয়গুলো আছে, সেগুলো নিয়ে জেনারেল আলোচনা হয়েছে।’

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কোভিডের সময় সহযোগিতার কথা এসেছে। এত বিরাট জনসংখ্যার দেশে কোভিড মোকাবিলা নিয়ে তিনি (সিসন) অভিভূত। তারা একটি ইভেন্ট করবে। কোভিড মোকাবিলার চ্যালেঞ্জ এবং সাফল্য নিয়ে। সেখানেও তারা আমাদের পাশে পেতে চায়। আমরাও নীতিগতভাবে তাদের কথা দিয়েছি যে, তাদের এই উদ্যোগে আমরা থাকব। আমাদের যে পরিমাণ অভিজ্ঞতা অর্জন হয়েছে তা আমরা অন্য দেশের সঙ্গেও শেয়ার করব। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, তারা বলেছে, ভাসানচরে তাদের সহযোগিতার হাত প্রসারিত করবে। আমরা প্রস্তাব করেছি- ওআইসির আইসিজিতে যে বিচার প্রক্রিয়া আছে, সেখানে যেন তারা সহায়তা করে। রোহিঙ্গাদের তৃতীয় দেশে স্থানান্তরের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। আমরা বলেছি, এটির মূল সমাধান হবে তারা যদি রাখাইনে ফিরে যেতে পারে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না