,

তথ্যমন্ত্রী বরাবর জাজের খোলা চিঠি

বিনোদন প্রতিবেদক : বাংলাদেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির স্বনামধন্য প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া। যার হাত ধরে এদেশের অনেক নায়ক-নায়িকার অভিষেক ঘটে ইন্ডাস্ট্রিতে। উপহার দিয়েছে অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমা। সেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকেই এবার জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত ‘শনিবার বিকেল’ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বরাবর খোলা চিঠি দেওয়া হলো।

প্রথমে সালাম ও ধন্যবাদ গ্রহণ করবেন। ধন্যবাদ কারণ, ইতোপূর্বে আপনার কাছে আবেদন করেছিলাম, “গলুই” সিনেমাটি জামালপুরে অডিটোরিয়ামে প্রদর্শন চালু করার জন্য। আপনার অতিদ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার কারণে তা আবার অডিটোরিয়ামে প্রদর্শন চালু হয়।

আবার আপনার দ্বারস্থ হতে হলো, কারণ আপনি চলচ্চিত্রের সর্বোপরি অভিভাবক এবং আপনি একজন সিনেমাপ্রেমী। আমরা বিশ্বাস করি, চলচ্চিত্র আমাদের সংস্কৃতির এক অংশ, যেখানে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান, বোদ্ধসহ সকল ধর্মের মানুষ সিনেমা হলে পাশাপশি বসে সিনেমা দেখে। সিনেমা হলে উঁচু-নিচু, জাত-ধর্ম থাকে না। থাকে একটাই অনুভব, তা হলো আমরা বাঙালি এবং বাংলা সিনেমা দেখি ও ভালোবাসি।

জাজ মাল্টিমিডিয়া প্রযোজিত এবং মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী পরিচালিত “শনিবার বিকেল” সিনেমাটি দীর্ঘদিন যাবত সেন্সরে আটকে আছে। কিন্তু সেন্সর বোর্ড কেন আটকে রেখেছে, তা এখনও অফিসিয়ালি আমাদের জানায় নাই।

আপনি হয়তো জানেন, “শনিবার বিকেল” সিনেমাটি এক শটে নির্মিত একটি সিনেমা যা বিশ্বেই এর আগে হয়েছে হাতে গোনা। “শনিবার বিকেল” সিনেমাটি মস্কো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাশিয়ান ক্রিটিক ফেডারেশনের বিচারে বেস্ট ফিল্ম হিসাবে নির্বাচিত হয়েছে। এ ছাড়া আরও বিভিন্ন দেশের ফেস্টিভ্যাল থেকে পুরস্কৃত হয়েছে।

জাজ মাল্টিমিডিয়া এই পর্যন্ত ৪১টি সিনেমা তৈরি করেছে এবং মুক্তি দিয়েছে। আমাদের কোনো সিনেমা দেশ বা ধর্ম বিরোধী কোনো বক্তব্য বা সংলাপ থাকে না। এই ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সচেতন।

আমারা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, “শনিবার বিকেল” সিনেমাটিতেও কোনো দেশবিরোধী বা ধর্মবিরোধী কোনো কিছু নেই। বরং এই সিনেমাটিতে আমাদের ধর্ম ও আমাদের দেশের সাংস্কৃতিকে সুন্দরভাবে উপস্থাপরন করা হয়েছে। এখানে উল্লেখ করছে যে বিশ্বখ্যাত পত্রিকা “The Hollywood Reporter” “শনিবার বিকেল” সিনেমাটি দেখে লিখেছে “এই সিনেমাটি বাংলাদেশে ব্যান করা হয়েছে, বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষুণ্ণ হওয়ার আশংকায়, কিন্তু ছবিটি দেখে আমাদের উপলব্ধি হলো, সিনেমাটি বাংলাদেশের ইমেজ বৃদ্ধি করবে, কমাবে না”।

আমরা আপনাকে এই সিনেমাটি দেখার অনুরোধ করছি। আপনি দেখলে এই সিনেমাটি অনায়েসে সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়ে যাবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

চলচ্চিত্রের এই ক্রান্তি লগ্নে, সুবাতাস বইতে শুরু করেছে। সেই ধারাকে অব্যাহত রাখতে, সিনেমা হলে “শনিবার বিকেল” মুক্তি দেওয়া প্রয়োজন।

মাননীয় তথ্যমন্ত্রী মহোদয়, শুধু তথ্যমন্ত্রী হিসাবেই নয়, একজন চলচ্চিত্রপ্রেমী হিসাবে বিষয়টি বিশেষ বিবেচনা করার আকুল আবেদন জানাচ্ছি। পরিশেষে আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু ক্যামন করছি।’

উল্লেখ্য, ‘শনিবার বিকেল’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান, নুসরাত ইমরোজ তিশা, ইরেশ যাকের, ভারতের পরমব্রত, ফিলিস্তিনের তারকা ইয়াদ হুরানিসহ আরও অনেকে। সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছে বাংলাদেশ-ভারত-জার্মান। জানা গেছে, বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষাতেই এটি মুক্তি পাবে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না