,

গ্যাস কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবে রাজি নয় বিইআরসি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাসের বিতরণ চার্জ ২৭২ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করলেও এর বিরুদ্ধে মত দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

এ চার্জ বিলোপের পরও রাষ্ট্রীয় মালিকানার গ্যাস বিতরণ কোম্পানিটি মুনাফায় থাকবে মনে করছে কমিশনের কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।

রাষ্ট্রায়ত্ত তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন- পেট্রোবাংলাসহ গ্যাস বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানিগুলো ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাসের দাম ও বিতরণ চার্জ বাড়ানোর আবেদন করেছে।

এসব আবেদনের ওপর সোমবার থেকে শুনানি শুরু করেছে জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসি। বুধবার তিতাস গ্যাস ও বাখরাবাদ গ্যাস কোম্পানির আবেদনের ওপর শুনানি হয়।

তিতাস গ্যাস আবাসিক ও বাণিজ্যিকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকদের গ্যাসের দাম ১১৭ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করে। এরমধ্যে বিতরণ চার্জ ২৭২ শতাংশ বাড়িয়ে প্রতি ঘনমিটারে ৬৮ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে।

শুনানিতে উপস্থাপন করা বিইআরসির কারিগরি টিমের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, বর্তমানে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ৯ টাকা ৭০ পয়সা দরে। এ দাম ২০ শতাংশ বা ১ টাকা ৯৪ পয়সা বাড়িয়ে ১১ টাকা ৬৪ পয়সা করা যেতে পারে। তবে বিতরণ চার্জ বিলোপের পক্ষে মত দিয়েছে কারিগরি টিম।

প্রতি ঘনমিটার গ্যাস বিক্রয়ের বিপরীতে প্রাপ্ত বিদ্যমান বিতরণ চার্জ ২৫ পয়সা বিলোপের সুপারিশ করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানিও শুনানিতে ১১৭ শতাংশ দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করে। এ প্রস্তাবের ওপর ২০ শতাংশ বাড়ানো যেতে পারে বলে মত দেয় বিইআরসির কারিগরি কমিটি।

একইসঙ্গে পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (পিজিসিএল) বিতরণ চার্জ ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭৬ পয়সা করার প্রস্তাবের শুনানিতেও বিতরণ চার্জ বিলোপ করার মত দেয় বিইআরসি।

এদিন তিতাস গ্যাসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের ওপর ভোক্তা ও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে সমালোচনা করা হয়। শুনানির জেরা পর্বে তিতাস গ্যাসের প্রতিনিধিরা জানান, বেসরকারি গ্রাহকদের কাছে তাদের ৩ হাজার ৭৯৮ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর বাইরে সরকারি সংস্থার কাছেও পাওনা রয়েছে ৭৪৩ কোটি টাকা।

তিতাসের অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে এবং এর পেছনের লোকদের ধরতে প্রচলিত টাস্কফোর্সের পরিবর্তে সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তা নেওয়ার প্রস্তাব করেন ক্যাবের সহ সভাপতি শামসুল আলম।

শুনানির জেরায় তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুন অর রশিদ মোল্লার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এ মুহূর্তে তিতাসের অবৈধ সংযোগ কত আছে?

এ প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এছাড়া নতুন সংযোগের অবেদনের বিষয়েও স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি তিতাস কর্তৃপক্ষ।

এদিকে তিতাসের প্রস্তাবে গ্যাসের সিস্টেম লস নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়। ২ শতাংশের মধ্যে সিস্টেম লস রাখার পক্ষে মত দিয়েছে তিতাস ও কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি।

বিইআরসির চেয়ারম্যান আবদুল জলিলসহ শুনানিতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিইআরসির সদস্য মকবুল ই ইলাহি চৌধুরী, মোহাম্মদ আবু ফারুক, মোহাম্মদ বজলুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান।

 

এ জাতীয় আরও খবর

বিদায়ি বক্তব্যে কাঁদলেন মির্জা ফখরুল

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১৪ কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

১২ জেলায় ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

ময়মনসিংহে এনসিসি ব্যাংকের স্টুডেন্ট ব্যাংকিং ক্যাম্পেইন ও বৃক্ষবিতরণ অনুষ্ঠিত

বিএসইসির ১৭ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশকে ঘিরে বাড়ছে আগ্রহ

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা

জিয়া-খালেদার সমাধিতে বিএনপির নতুন ৪ নেতার শ্রদ্ধা

সমাজের সবাই এগিয়ে এলে বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী

ইসলামি ব্যাংকগুলোর আমানতে বড় পতন

রাষ্ট্রপতি হলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করতে চাই: মির্জা ফখরুল

গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাসে যা করবেন, যা করবেন না