,

এসএসসির রেজিস্ট্রেশন না হওয়ায় থানা ঘেরাও

news-image

আসিফ কাজল
পুরান ঢাকার প্রসিদ্ধ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম মনিজা রহমান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এই প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৫০০ শিক্ষার্থী আগামী বছর এসএসসি পরীক্ষার জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছে। প্রধান শিক্ষকের কাছে তারা টাকা জমা দিলেও রেজিস্ট্রেশন হয়নি। কলেজ প্রিন্সিপ্যাল এই টাকা আত্মসাৎ করেছেন বলে তাদের অভিযোগ।

এমন অভিযোগে বৃহস্পতিবার রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার মনিজা রহমান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করেছেন। এ ঘটনায় প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী-অভিভাবক থানা ঘেরাও করে। পরে স্থানীয় প্রশাসন রোববার এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার মৌখিক আশ্বাস দিয়েছে।

অভিযুক্ত প্রিন্সিপ্যালের নাম লুৎফুল নাহার। এ ব্যাপারে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

জানতে চাইলে গেণ্ডারিয়া থানার ওসি আবু সাঈদ আল মামুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। বাংলাদেশ জার্নালকে তিনি বলেন, এখন যারা নিউ টেন অর্থাৎ আগামী বছর যারা এসএসসি পরীক্ষা দেবে তাদের সঙ্গে কলেজ প্রিন্সিপ্যালের এই সমস্যা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা কিভাবে যেন জানতে পেরেছে তাদের রেজিস্ট্রেশন হয়নি। কিন্তু কলেজ প্রিন্সিাপ্যাল বলছেন, হয়েছে। এই বিষয় নিয়েই এমন ঘটনা ঘটেছে। পরে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ, স্থানীয় কমিশনার ও অভিভাবক প্রতিনিধি নিয়ে আমরা আলোচনায় বসেছি। আগামী রোববার ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে গিয়ে এই অভিযোগের সত্যতা দেখা হবে। তবে এই বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলে তিনি জানান।

একাধিক অভিভাবক বাংলাদেশ জার্নালকে বলেন, এটি দুদিন আগে জানাজানি হয়। এরপর প্রিন্সিপ্যালকে আমরা মৌখিকভাবে জানাই। কিন্তু তিনি টাকা জমা কিংবা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে এমন কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। পরে আজ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করলে তিনি থানায় আত্মগোপন করেন। যেকারণে থানা ঘেরাও করা হয়।

নাাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করে বলে, কোনো প্রিন্সিপ্যালের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন নিয়ে খেলার অধিকার নেই। তিনি আমাদের সঙ্গে যেটা করেছেন তা অমানবিক। শুধু ফরম পূরণ বা রেজিস্ট্রেশন নয়, এই প্রতিষ্ঠান প্রধান নানা অজুহাতে শিক্ষার্থীদের থেকে বাড়তি টাকা নেন।

জানতে চাইলে ঢাকা জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মাজিদ বলেন, এমন একটি ঘটনা শুনেছি। ফরম পূরণের টাকা জমা না দেয়ায় প্রিন্সিপ্যালের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনায় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষাকে আমি ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছি। উনি এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিচ্ছেন। বিস্তারিত জেনে আমাকে জানাবেন। তবে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত কোনো খবর জেলা শিক্ষা অফিসকে দেয়া হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আরোও বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর রেজিস্ট্রেশন এখন শিক্ষার্থীর আইডি-পাসওয়ার্ড দিয়ে অনলাইনেই দেখা যায়। এর জন্য এখন শিক্ষাবোর্ডে যাওয়া লাগে না। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাপলা আক্তার বিষয়টি দেখছেন।

শাপলা আক্তারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মেয়ে ফোন ধরেন। তিনি মুঠোফোন বাসায় রেখে বাইরে আছেন বলে জানান।

 

এ জাতীয় আরও খবর

সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দিনাজপুরে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

দুর্গাপূজায় মুক্তি পাচ্ছে ‘চিরকুট’

সাবেক উপমন্ত্রী আব্দুল হাই আর নেই

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তিন অনুকরণীয় ব্যক্তির সাক্ষাৎ

আহত পুলিশ কর্মকর্তাকে দেখতে হাসপাতালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সিসামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ

উত্তরায় শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

গাজীপুরে ওষুধ কারখানায় আগুন, কারণ শর্ট সার্কিটের সন্দেহ

হরমুজ প্রণালিতে হামলায় ডুবল সিঙ্গাপুরের জাহাজ

ইউক্রেনে স্টারলিংক সীমিত, ড্রোন প্রতিরোধে সংকট

মেসির অ্যাসিস্টে জয়, প্লে-অফে ইন্টার মায়ামি

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর