,

বরই কেন খাবেন?

news-image

অনলাইন ডেস্ক : টক-মিষ্টি স্বাদের ছোট্ট ফল বরই কম-বেশি সকলেরই খুব প্রিয়। ভিটামিন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ এই ফলটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারি। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার পাশাপাশি স্নায়ু এবং হাড়ের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত উপকারি। বরই খেলে আরও কী কী উপকার পাওয়া যায় তা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভারতের লাইফস্টাইল বিষয়ক গণমাধ্যম বোল্ডস্কাই। সেগুলো হলো-

রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে

বরই পটাসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাঙ্গানিজ, আয়রন এবং জিঙ্ক সমৃদ্ধ। এই খনিজগুলো হার্ট ভালো রাখতে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তা ছাড়া আয়রন হিমোগ্লোবিনের সংখ্যা বাড়াতেও সহায়তা করে, যা রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করতে সহায়ক। এতে থাকা খনিজগুলো শরীরের রক্ত প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ত্বককে উজ্জ্বল করে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ বরই, বার্ধক্যের লক্ষণগুলো দূর করতে সহায়তা করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্রি ব়্যাডিক্যালের সঙ্গে লড়াই করে এবং কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে। এ ছাড়া ভিটামিন সি ত্বককে স্বাস্থ্যকর ও ব্রণ মুক্ত রাখে, পাশাপাশি ত্বক উজ্জ্বল করে তোলে।

হাড়কে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে

শুকনো বরই ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাসের দুর্দান্ত উৎস, যা হাড়ের ঘনত্ব বজায় রাখতে সহায়তা করে। এটি আর্থ্রাইটিসের রোগীদের জন্য অত্যন্ত উপকারি। বরইয়ে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য বর্তমান, যা জয়েন্টের ফোলাভাব এবং যন্ত্রণা কমাতে সহায়তা করে।

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

বরই ফাইবার এবং কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ। এই ফল শক্তির বড় উৎস, যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। বিভিন্ন ধরনের খনিজ এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ হওয়ায় এটি অত্যন্ত পুষ্টিকর। এগুলো হজম করা অত্যন্ত সহজ, কারণ এতে ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়েও সহায়তা করে। তা ছাড়া বরই দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা থেকেও স্বস্তি দিতে সক্ষম।

ভালো ঘুম হতে সহায়তা করে

প্রাচীন চীনা ঐতিহ্য অনুসারে, বরই অনিদ্রার সমস্যা নিরাময় করতে সহায়তা করে। বীজ সহ পুরো ফলটাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফাইটোকেমিক্যাল, পলিস্যাকারাইড, ফ্ল্যাভোনয়েড, স্যাপোনিন সমৃদ্ধ। যার মধ্যে উপশমকারী গুণ বর্তমান। এটি স্নায়ুকে শান্ত করে, মন ও শরীরকে শিথিল করে এবং ভালো ঘুম হতে সহায়তা করে।

উদ্বেগ কমাতে সহায়তা করে

বরই মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করতে সহায়তা করে। তা ছাড়া এটি উদ্বেগ কমাতেও অত্যন্ত সহায়ক। এ ছাড়া কুল হরমোনের মাত্রা ঠিক রাখতেও সাহায্য করে এবং মন ও শরীরকে শান্ত করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

বরইয়ে লবণের পরিমাণ কম এবং পটাসিয়ামের পরিমাণ বেশি। ফলের এই দুটি গুণই রক্তচাপের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। পটাসিয়াম রক্তনালীকে শিথিল রাখতে সহায়ক। আর রক্তনালী শিথিল হলে রক্ত​​প্রবাহ স্মুথলি হয়।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ব্যারিস্টার জাইমা রহমানের জন্মদিন আজ

মাদ্রাসা শিক্ষককে থাপ্পড় দেওয়া রুমিকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান

এভারটনকে হারিয়ে ম্যানসিটিকে ধরে ফেলল আর্সেনাল

নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টিতে অনন্য মাইলফলক ভারতের

রূপপুরের প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতি সম্পন্ন

সংবিধান সংশোধনে নোট অব ডিসেন্ট পরিবর্তনের প্রস্তাব দিতে বললেন সালাহউদ্দিন আহমদ

তারেক রহমানের সফরে বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা

সৃজনশীল শিল্পকে অর্থনীতির চালিকাশক্তি করতে চায় সরকার: অর্থমন্ত্রী

আপনার পানির বোতল কতদিন পরপর পরিষ্কার করবেন?

হুথি হামলার জেরে তেলের দাম গত ৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

একজন চট্টগ্রাম থেকে বিমানে করে শিউলি ফুল পাঠিয়েছে : পরীমনি

কক্সবাজারে স্বস্তি খুঁজে পায় মিমের মন