,

গানের সরস্বতী চলে গেলেন : সাবিনা ইয়াসমিন

news-image

বিনোদন প্রতিবেদক : বলার মতো ভাষা নেই। পৃথিবীর নিয়মে তিনি (উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর) চলে গেলেন। ভাবতাম, তিনি হয়তো কখনো যাবেন না। এমন একটা মনের ভেতর চিন্তা হতো।

লতা মঙ্গেশকর নাই পৃথিবীতে এটা ভাবাই যায় না। আমি ভাগ্যবান যে লতাজির সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল, কথা হয়েছিল। সেদিনের স্মৃতি খুব মনে পড়ছে। এত বড় মাপের শিল্পী কিন্তু কাছে গিয়ে বোঝার উপায় নেই। তিনি যত বড় শিল্পী ছিলেন, মানুষ হিসেবে ছিলেন ততই বিনয়ী। তিনি হলেন গানের সরস্বতী, সেই গানের সরস্বতীই চলে গেলেন।

তার সঙ্গে একবারই দেখা হয় ভারতের মুম্বাইয়ে। ১৯৭৮ সালে। তখন বাংলাদেশ ফিল্ম ফ্যাস্টিভ্যালে রাজ্জাক, ববিতাসহ আরও অনেকে যান। আমিও ছিলাম এবং আমরা তাজ হোটেলে উঠি। এসডি বর্মণ এসেছিলেন এবং একটি দেশের গান গাইতে বলেন। আমি ‘পাল ‍তুলে দে’ গানটি গাইলাম। উনি কাঁদলেন।

এরপর দ্বিতীয় গানটি শুরুর আগে দেখি লতাজি ঢুকছেন। উনাকে দেখে আমি আর গাইতে পারিনি। উনাকে দেখে এতটাই নার্ভাস হয়ে যাই যে, কোনোভাবেই গাইতে পারিনি। তাই অন্য ঘরে চলে যাই এবং কিছু সময় পর ফিরে আসি। পরে সাহস করে গাই। লতাজি মন দিয়ে আমার গান শোনেন। এসব স্মৃতি আজ খুব মনে পড়ছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড