,

শীতের তীব্রতার সাথে বাড়ছে লেপের চাহিদা

news-image

বোয়ালমারী প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহেই বৃদ্ধি পেয়েছে শীতের তীব্রতা। সেই সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে লেপের চাহিদাও। আর এজন্য এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন লেপ প্রস্তুতকারীরা।

ভিড়ে ঠাসা লেপের দোকানগুলো। ক্রেতাদের নিকট থেকে অর্ডার মিলছে একের পর এক। ঘুম নেই লেপের দোকানের মালিক থেকে শুরু করে কর্মচারী পর্যন্ত। আর লেপ তৈরির কারিগরদেরতো দম নেয়ারও ফুসরত নেই।

জানা যায়, পুরো শীতজুড়েই লেপ-তোষকের দোকানগুলোয় বিক্রি বেড়ে যায়। ক্রেতারা লেপ-তোষক তৈরির কারিগরদের কাছে আসেন পুরোনো লেপ-তোষক মেরামত করতে অথবা নতুন লেপ-তোষক বানাতে।

আর এসব সামগ্রী তৈরি, মেরামত করতে বেশ কিছু শ্রমিক বা কারিগর অগ্রহায়ণ থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করেন। আবার কেউ কেউ লেপ-তোষক বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভ্যানে করে বিক্রি করেন।

জেলার বোয়ালমারী উপজেলার এলাকার লেপ-তোষক ব্যবসায়ী মনোজ বস্ত্রালয়ের মনোজ সাহা জানান, তুলার মান ও পরিমাপের ওপর নির্ভর করে লেপ-তোষকের তৈরির খরচ।

লেপ বানাতে সাধারণত কার্পাস তুলা ব্যবহার করা হয় কিন্তু বর্তমানে গার্মেন্টসের তুলা ব্যবহার করা হচ্ছে। কার্পাস তুলা দিয়ে তৈরি লেপ মানভেদে ৪০০ টাকা থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হয়। আর তোষক ৭০০ টাকা থেকে শুরু করে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত। আকারভেদে প্রতিটি লেপ-তোষক তৈরিতে কারিগরদের মজুরি দিতে হয় ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। এ বছর অগ্রহায়ণ মাসের মাঝামাঝি থেকে বেচাকেনা বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

বোয়ালমারী উপজেলার একাধিক লেপ-তোষকের দোকান ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ দোকানেই কারিগররা লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ক্রেতার চাহিদামতো দোকানিরা লেপ-তোষকের কাপড় ও তুলা দেখাচ্ছেন। কারিগররা মুখে কাপড় বেঁধে তুলা প্রক্রিয়াজাত করছেন। অন্যরা লেপ-তোষকের কাভারের মধ্যে তুলা ভরছেন ও সেলাই করছেন।

কয়েকজন লেপ-তোষক দোকানি জানান, এ বছর তুলার দাম তেমন বাড়েনি। কার্পাস তুলা কেজি প্রতি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বোমা তুলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, চাদর তুলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও গার্মেন্ট তুলা ২০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

লেপ-তোষক তৈরির কারিগর হোসেন সেখ জানান, শীত এলে এ কাজের চাপ বেড়ে যায়। সকালে মহাজনের কাছ থেকে অর্ডারের লেপ-তোষকের তৈরির কাজ শুরু করেন। এতে তার দৈনিক ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়।

অপর কারিগর আব্দুল হাই সেখ বলেন, এই পেশায় ২৫ বছর ধরে আছি, প্রতিদিন লেপ- তোষক তৈরি করে ৪০০- ৫০০ টকা আয় হয়। পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দর ভাবে জীবন যাপন করছি।

 

এ জাতীয় আরও খবর

ডেঙ্গু রোধে জনসচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান ডা. রফিকুল ইসলামের

হাইতিতে জাতিসংঘ মিশনে যাচ্ছে সেনাবাহিনীর ৫০ সদস্যের দল

ক্যাম্পাসে গণতন্ত্র দমনের অভিযোগ বিএনপি-ছাত্রদলের বিরুদ্ধে: ডাকসু জিএস

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাওয়ার সুযোগ

ডেঙ্গুতে এক দিনে আরও ১০ জনের মৃত্যু

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমিটি গঠন স্থগিত

যুব উন্নয়নের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৫

ক্রিকেটারদের ৮ লাগেজ চুরি, আটক ৪

সাজেকে অবরোধ স্থগিত, পর্যটকদের জন্য খুলল সব কেন্দ্র

শিল্পে গ্যাস সংযোগের অগ্রাধিকার ঠিক করতে কমিটি গঠন

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে কেনাকাটা ও দরপত্র বন্ধের নির্দেশ

গাজীপুরে পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা, আহত ২ সদস্য