,

ছাত্রাবাসে ধর্ষণ: ৬ আসামির ডিএনএ সংগ্রহ

news-image

সিলেট প্রতিনিধি : সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে স্ত্রীকে (১৯) দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামির মধ্যে ছয়জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়।

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

যাদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে তারা হলো সাইফুর রহমান, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম, শাহ মাহবুবুর রনি, রাজন মিয়া ও আইনুদ্দিন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার পরিদর্শক ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য্য জানান, দলবদ্ধ ধর্ষণ মামলার গ্রেপ্তার আসামিরা রিমান্ডে রয়েছে। ডিএনএ নমুনা দিতে তাদের ওসমানী হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে আবার তাদের থানা হাজতে নেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, রিমান্ডে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাদের কাছ থেকে অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে বিভ্রান্তিমূলক কিছু বক্তব্যও দিচ্ছে। এসব বিষয় গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিকে এ ঘটনায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটি বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল এমসি কলেজ ছাত্রাবাস পরিদর্শন করেছে।

কমিটির সদস্যরা ছাত্রাবাসের বিভিন্ন কক্ষ ঘুরে দেখেন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেন। এসময় নির্যাতিতা গৃহবধূর স্বামীও (মামলার বাদী) সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি ঘটনার রাতের বিবরণ তদন্ত কমিটির কাছে তুলে ধরেন।

তদন্ত কমিটি কলেজ অধ্যক্ষ সালেহ আহমদের সঙ্গেও বৈঠক করে।

তদন্ত কমিটিতে প্রধান হিসাবে রয়েছেন সিলেট জেলা ও দায়রা জজ বজলুর রহমান।

অন্যরা হলেন মহানগর মুখ্য হাকিম আদালতের বিচারক আবুল কাশেম, মহানগর দায়রা জজ মুমিনুন নেছা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শারমিন সুলতানা।

১২৮ বছরের সুপ্রাচীন সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে গত শুক্রবার দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার এক দম্পতি নিজেদের প্রাইভেট কারে শাহপরাণ (রহ.) এর মাজার জিয়ারত শেষে ফেরার পথে এমসি কলেজের প্রধান ফটকে কেনাকাটার জন্য থামেন। এরপর গাড়িসহ স্বামী-স্ত্রীকে ছাত্রাবাসে ধরে নিয়ে স্ত্রীকে গাড়ির ভেতর ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় পরদিন শনিবার নির্যাতিতার স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন বালাগঞ্জের চান্দাইপাড়া গ্রামের তাহিদ মিয়ার ছেলে সাইফুর রহমান (২৮), সুনামগঞ্জ সদরের মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে তারেকুল ইসলাম তারেক (২৮), হবিগঞ্জ সদরের বাগুনিপাড়ার জাহাঙ্গীর মিয়ার ছেলে মাহবুবুর রহমান রনি (২৫), জকিগঞ্জের আটগ্রামের কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্কর (২৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বড়নগদীপুর গ্রামের রবিউল ইসলাম (২৫) ও কানাইঘাটের গাছবাড়ি গ্রামের মাহফুজুর রহমান মাসুম (২৫)।

মামলার আসামিরা ছাত্রলীগের ‘সক্রিয়কর্মী’ বলে পুলিশ ও দলীয়সূত্র নিশ্চিত করে।

এ জাতীয় আরও খবর

পৌর চেয়ারম্যান থেকে রাষ্ট্রপতি: মির্জা ফখরুলের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন

সুস্থ থাকুক আপনার হার্ট

স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবারও কারাগারে ইমরান খান

পাঁচ পেসারই ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত, সঙ্গে দুই স্পিনার

আটা-তেল-চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী

মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন

বিষাক্ত গ্যাসে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে প্রাণ গেল আরও এক শ্রমিকের

‘আমরা খুব ভালো বন্ধু’

অল্প সময়ের ব্যবধানে মত বদলাল অস্ট্রেলিয়া, একাদশ ঘোষণায় চমক

সিলেটে ট্রিপল মার্ডার: আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেন বাবুল মিয়া

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ, আজ বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

মাছ, মুরগি ও ডিমের দামে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা