,

রংপুরে পরিবহন ধর্মঘটে স্থবির যোগাযোগ ব্যবস্থা : চরম ভোগান্তি

news-image

রংপুর ব্যুরো : নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাতিলসহ ৯ দফা দাবিতে পণ্যবাহি পরিবহন শ্রমিকরা ধর্মঘট শুরু করেছে। একারণে রংপুরের সকল রুটে ট্রাক, ট্যাংকলরী, কাভার্টভ্যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এদিকে পণ্যবাহি পরিবহন চলাচল না করায় বিপাকে পড়েছেন কাঁচামালসহ প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহকারীরা। এই ধর্মঘটে লোকাল রুটের বাস শ্রমিকরাও যোগ দিয়েছে। তারা বাস বন্ধ রেখে এই আইন সংশোধনের দাবিতে আন্দোলনে শুরু করে। ফলে লোকাল রুটের সকল বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আবার সড়কে দু’একটি বাস চললেও পরিবহন শ্রমিকরা বাধা দিচ্ছে। অঘোষিত পরিবহন ধর্মঘটের কারণে স্থবির হয়ে পড়েছে রংপুরের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে চাকুরীজিবী, ব্যবসায়ী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষজন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বুধবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য পরিবহন মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ। নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাতিলসহ ৯ দফা দাবিতে দাবিতে কোনো ঘোষণা ছাড়াই ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে এতে যোগ দেয় বাস শ্রমিকরাও। রংপুর মহানগরীর কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনাল, বাস টার্মিনাল, সাতমাথাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান বন্ধ থাকতে দেখা গেছে। পাশাপাশি লোকাল বাস স্ট্যান্ডগুলো থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে। সড়কে বিআরটিসি ও অন্যান্য কিছু পরিবহন চললেও, তাতে বাঁধা দিচ্ছে পরিবহন শ্রমিকরা।

এদিকে নতুন সড়ক পরিবহন আইন বাতিলের দাবিতে রংপুর নগরীর কেন্দ্রীয় ট্রাক স্ট্যান্ডে বিক্ষুদ্ধ পরিবহন শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নিয়ে ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বিঘিœত করার পাশাপাশি বিভিন্ন রুটের যাত্রীবাহী বাসের গতিরোধ করছে। বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দিচ্ছেন তারা। এছাড়া কার, মাইক্রোবাস গাড়ি চলতেও বাধা দিতে দেখা গেছে।
ঢাকাগামী মেহেদী হাসান নামে এক যাত্রী ক্ষোভের সাথে জানালেন, কথায় কথায় যাত্রীদের জিম্মী করে তারা তাদের দাবী আদায় করে। গাড়ী বন্ধ করে কখনো সমাধান আসে নাকি?
চাকুরিজীবি নুরুল হক রয়েল বলেন, কোনো ঘোষণা নেই, সকালে ষ্টান্ডে এসে দেখি গাড়ি চলাচল বন্ধ আজ নাকি তারা গাড়ি চালাবেনা তাহলে আমরা যাবো কীভাবে । এটা হয়রানি ছাড়া আর কিছুই না। এব্যাপারে রংপুর জেলা ট্রাক ট্যাংক লরী ও কার্ভাড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক সুমন ইসলাম জানান, নতুন পরিবহন আইন কার্যকর করার মাধ্যমে তার উপর গলার কাঁটা হয়ে দেখা দিয়েছে। এ আইন কার্যকর করা বন্ধ করে জরুরী ভিত্তিতে সংশোধন করা দরকার।

এদিকে রংপুর-কুড়িগ্রাম অভ্যন্তরীণ রুটে বাস চলাচল বন্ধ প্রসঙ্গে মোটর শ্রমিক আলতাব হোসেন, আবুল কাশেম, , শাহিন হোসেন বলেন, নতুন আইনে জরিমানা ও শাস্তি কমাতে হবে। সড়কে নিষিদ্ধ যান চলাচল বন্ধ না করে আমাদেরকে বেকায়দা ফেলার মত আইন মেনে নেয়া সম্ভব না। একারণে আমরা শ্রমিকরা নিজেরাই বাস চলাচল বন্ধ রেখেছি।অন্যদিকে রংপুর জেলা ট্রাক, ট্যাংকলরী ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মানিক বলেন, দুর্ঘটনা তো দুর্ঘটনাই। এটা কেউ ইচ্ছা করে ঘটায় না। তিনি আরও বলেন, নয় দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।

এ জাতীয় আরও খবর

কসবায় বিষাক্ত কেরির বড়ি সেবনে দুইজনের মৃত্যু

নবীনগরে এলসিএস কর্মীদের সঞ্চয়কৃত টাকার চেক বিতরণ

শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার: এমপি মান্নান

সংসদের তিন অধিবেশনে ব্যয় ৭০৩ কোটি টাকা, প্রতি সেকেন্ডে খরচ সাড়ে ৫ হাজারের বেশি

ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক সাক্ষ্য: বিডিআর হত্যার প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে নদীতে ফেলেন জিয়াউল আহসান

৫৫ বছর বয়স থেকেই তোলা যাবে পেনশনের টাকা

৫০ বছর পর ফের লজ্জার হারের সাক্ষী ইউনাইটেড

‘ইসলামবিরোধী’ হান্টকেই সৌদির রাষ্ট্রদূত বানাচ্ছেন ট্রাম্প

পুলিশের উচ্চপর্যায়ে বড় রদবদল

নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬: মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর ১১টি প্রধান পরিবর্তন

বাবা হারালেন সংগীতশিল্পী সালমা

বিশ্বজুড়ে আশঙ্কাজনক হারে কমছে সঞ্চিত পানি : ডব্লিউএমও-র সতর্কবার্তা