,

রোহিঙ্গা ইস্যু ও নুর চৌধুরীকে ফিরিয়ে আনা আলোচনায় প্রাধান্য পাবে

news-image

কাল চারদিনের সফরে বৃহৎ অর্থনীতির ৭ দেশের জোট জি-৭ এর আউটরিচ প্রোগ্রামে অংশ নিতে কানাডা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১০ জুন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কানাডা প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এই বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যু ও বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনী নূও চৌধুরীকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা প্রাধাণ্য পাবে বলে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, জি-৭ এর সদস্য না হলেও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের সামনে সমাধানের আহ্বান জানানোর সুযোগ দিতেই ট্রুডো এই সম্মেলনে শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ করেছেন। তিনি চান শেখ হাসিনা এই বিষয়ে মোড়ল দেশগুলোর কাছে তা সমর্থন চাইবেন। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ পাশ্চাত্য দেশগুলো রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশকে সবরকম সহায়তা দিয়ে আসছে। কানাডা রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যুতে খুবই সোচ্চার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিয়ানমার বিষয়ে একজন বিশেষ দূত নিয়োগ দিয়েছেন।

এর আগে ট্রুডো বলেছেন, সম্পূর্ণ মানবিক কারণে বাংলাদেশ ১১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে এবং তাদের টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সমর্থনের বিকল্প নেই।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন,আমরা চাই স্থায়ী প্রত্যাবাসন। এজন্য জাতিসংঘসহ অন্য বড় দেশগুলোর সহায়তা একান্তভাবে দরকার। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের প্রশংসা করেছে বিশ্বনেতারা। এখন তাদের সমর্থনেই স্থায়ী প্রত্যাবাসন সম্ভব।
বাংলাদেশ ইতোমধ্যে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। আশা করা হচ্ছে আগামী সপ্তাহে মিয়ানমারও একই ধরনের চুক্তি স্বাক্ষর করবে।

সূত্রমতে, সামনের দিনগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এ সময়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ কোর্টে (আইসিসি) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাবিরোধী গণহত্যা সংক্রান্ত মামলা করা যাবে না কিনা এই বিষয়ে একটি শুনানি হবে। এক্ষেত্রে মিয়ানমার কী ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাও দেখার বিষয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, বাংলাদেশসহ একই মনোভাবাপন্ন দেশগুলোর উচিত হবে একই ভাষায় মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা, যাতে তারা রোহিঙ্গাদের ফেরত নেয়। এজন্য ঢাকা ও অটোয়া বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ।

৯ জুন ওই জোটের দেশগুলোর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের বর্তমান সময়ের অন্যতম বৃহৎ মানবিক বিপর্যয় রোহিঙ্গা ইস্যু সম্পর্কে জানাবেন এবং সহায়তা কামনা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরদিন বাংলাদেশ ও কানাডার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে বৈঠক হবে এবং সেখানেও রোহিঙ্গা ইস্যুটি গুরুত্ব পাবে।

এ বছরের জন্য জি-৭ এর প্রেসিডেন্সির দায়িত্ব পালন করছে কানাডা। জোটভুক্ত দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপান, ইতালি, জার্মানি ও ফ্রান্স।

এর আগে ২০১৬ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত জি-৭ এর আউটরিচে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জোটের বাইরে বিভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোর নেতাদের মূল সম্মেলনের বাইরে আয়োজিত আউটরিচ প্রোগ্রামে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

দীর্ঘদিন ধরে কানাডায় অবস্থান করা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি নূর চৌধুরীর প্রত্যাবাসনের বিষয়টি বাংলাদেশ উত্থাপন করবে। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তন, নারীর ক্ষমতায়ন, সুশাসন, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

এ জাতীয় আরও খবর

ডাকসুর সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি কেন, জানালেন জিএস ফরহাদ

শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের

‘বৃত্তি-উপবৃত্তিতে সমতা নয়, প্রয়োজনের ভিত্তিতে অগ্রাধিকার’

রাজউকে দুদকের হানা

বীমা খাতে ৭ হাজার কোটি টাকার দাবি বকেয়া

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

ট্রাম্পের সমঝোতার ঘোষণার পরই কিয়েভে পেট্রল স্টেশনে হামলা

এস কে সুরের স্ত্রীর দুই বছরের কারাদণ্ড

সাদ্দাম-ইনানসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায়ে ঢাবিতে মিষ্টি বিতরণ

সৎ থাকাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাবে সংকটে গরুর মাংসের বাজার

যেসব অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড