রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতেই আটকে আছে বিএনপি, হতাশ নেতাকর্মী

news-image

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সাজা এবং কারাগারে বন্দী হওয়ার পর থেকেই বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে নেতৃত্ব সংকট দেখা দিয়েছে। দিন দিন এই সংকট বাড়ছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি না নিয়ে দলের শীর্ষ নেতারা খালেদা জিয়ার মুক্তি ছাড়া আর কোনো ধরণের কর্মসূচি দিচ্ছেন না। এ নিয়ে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে আরো জানা গেছে, খালেদা জিয়ার জেলা যাবার পর থেকে শীর্ষ নেতারা এখনো নির্বাচন বা ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কোনা একটি বৈঠক করতে পারেননি। প্রেস কনফারেন্স কিংবা টকশোতে কয়েকজন বিএনপি নেতার অংশগ্রহণ ছাড়া দলের সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী করার ব্যাপারে কোন উদ্যোগ নেই। সব কিছুই আটকে আছে চেয়ারপারসনের মুক্তিতে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান ,যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় নেতাই নিজেদের খেয়াল খুশি মতো বক্তব্য দিচ্ছেন।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় নির্বাচনে পদপ্রার্থী এক নেতা বলেছেন, জনগণের কাছে যাওয়ার কোনো কর্মসূচি নেই দলে। কেন্দ্রীয় নেতারা কোনে কৌশলই নিচ্ছেন না। ফলে একাদশ সংসদ নির্বাচনের জন্য বিএনপির প্রার্থীরা প্রস্তুত হতে পারছেন না। চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবি নিয়ে তো জনগণের কাছে যাওয়া যায় না। তাছাড়া শীর্ষ পর্যায় থেকে নির্বাচন বা জনসম্পৃক্ত কোনো আন্দোলন কর্মসূচির বিষয়েও নির্দেশনা নেই।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সদস্য বলেছেন, বিএনপি নির্বাচনে যাবে কিনা এই বিষয়ে নেতাদের মধ্যে ভিন্ন মত। ফলে নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম অঞ্চলের এই নেতা বলেন, নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি প্রার্থীদের কোনো পদচারণা নেই। কারণ দল থেকে সুনির্দিষ্ট কোন বক্তব্য নেই। আমরা জানিনা বেগম জিয়া মুক্ত হতে না পারলে নির্বাচন হবে কিনা? আর নির্বাচনের কিছুদিন আগে নেত্রী মুক্তি পেলে প্রার্থীরা এতো অল্প সময়ে জনগণের কাছে পৌঁছতে পারবে কি না? এই হতাশায় বিএনপি নেতাকর্মীরা রয়েছেন।

দলের একজন ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে বিএনপি নেতারা নিয়মিত সভা করছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত জনগণ তেমন সাড়া দেয়নি। নেত্রীর মুক্তি আন্দোলন ও নির্বাচনে অংশগ্রহণ, এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কিভাবে অংশগ্রহণ করবে সে কথা নেতারা ব্যাখ্যা করেননি। বিএনপি নেতারা বেশ কড়া কড়া কথা বলছেন। কিন্তু কাজ কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাদের দাবি একটাই সেটি হলো দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তি। নির্বাচন নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। দেশের মানুষ বিএনপিকে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা বেগম জিয়ার নেতৃত্বেই সরকার গঠন করবো। আওয়ামী লীগের শাসন আমল সবাই দেখেছে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে একটা অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার আন্দোলনের কর্মসূচি আসছে কিছুদিনের মধ্যেই।

মওদুদ আহমেদ বলেছেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবির পাশাপাশি প্রার্থীরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিএনপি অবশ্যই নির্বাচনে অংশ নেবে।

এ জাতীয় আরও খবর

বিশ্বকাপ শেষে প্রথমবার জনসমক্ষে মেসি

সৌদি তেল স্থাপনায় হামলার দাবি হুথিদের

২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন শুরু সোমবার, যেতে পারবেন না যেসব ব্যক্তি

চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান শিক্ষার্থীদের

দীর্ঘ প্রবাসে ডলি সায়ন্তনীর আবেগঘন বার্তা

গাজীপুর সিটির নতুন বাজেট ৫ হাজার ১০২ কোটি টাকা

বিদেশে ৮১ বাংলাদেশি মিশনে হবে ‘জুট কর্নার’

জাতীয় স্মৃতিসৌধে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠকে যাবে ইসি

বঙ্গভবন ছাড়লেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

জেলা-উপজেলায় হচ্ছে ‘এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার’

প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ