,

মুস্তাফিজুর আবার হারিয়ে যাবেন না তো? আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

image (1)বাংলাদেশের গর্ব মুস্তাফিজুর। এরকম একজন বোলার এ যাবৎ কিন্তু বাংলাদেশে জন্মাননি। ভারতেও এরকম বোলার আসেননি। দুনিয়ার তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছেন তিনি।খুব দ্রুতই সিদ্ধান্তে পৌছে যাচ্ছেন সবাই। কেন এমন হচ্ছে? শেষ দেখে কেন বিচার করা হচ্ছে না? আজকে যা সত্যি, কাল তো তা মিথ্যেও হয়ে যেতে পারে। আজ যা ঠিক বলে মনে হচ্ছে কাল তো তা ভুল বলে মনে হতেই পারে।
এই যেমন এখন বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে নিয়ে বড্ড মাতামাতি হচ্ছে। আইপিএলের অন্যতম সেরা তারকাও বলা হচ্ছে এই বাঁ হাতি পেসারকে। দক্ষিণ আফ্রিকার পেস বোলার ডেল স্টেইন বলেছেন, তিনি মুস্তাফিজুরের মধ্যে ওয়াসিম আক্রমের ছায়া দেখছেন।বাংলাদেশের গর্ব মুস্তাফিজুর। এরকম একজন বোলার এ যাবৎ কিন্তু বাংলাদেশে জন্মাননি। ভারতেও এরকম বোলার আসেননি। দুনিয়ার তাবড় তাবড় ব্যাটসম্যানের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছেন তিনি। কিন্তু এখনই বোধ হয় তাঁকে নিয়ে খুব বেশি মাতামাতি করার সময় হয়নি। ওয়াসিম আক্রমের ছায়াও এখনই দেখার কথা নয় মুস্তাফিজুরের মধ্যে। আরও একটু সময় দেওয়া দরকার তাঁকে। তার পরেই না-হয় সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে এই বাঁ হাতি বোলার সম্পর্কে। সময় এলেই বলা যাবে মুস্তাফিজুর রহমান কেমন বোলার। ওয়াসিম আক্রমের সমতুল্য কি না!

এক-আধটা সিরিজ একজন ক্রিকেটার ভাল খেলতেই পারেন। দু-একটা টুর্নামেন্টও ভাল খেলে দিতে পারেন কেউ কেউ। তাই বলে ওই দু-একটা সিরিজ বা টুর্নামেন্ট দেখে সিদ্ধান্তে কখনওই পৌঁছনো উচিত নয়। একসময় ইরফান পাঠানও যথেষ্ট প্রতিভাবান ছিলেন। ব্যাট ও বল — দুটোতেই সমান প্রতিভা ছিল ইরফানের। ভারতের কোচ হয়ে এসে গ্রেগ চ্যাপেল শেষ করে দেন পাঠানকে। পাকিস্তান সফরে গিয়ে পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানদের কাঁদিয়ে দিয়েছিলেন ইরফান পাঠান।

সেই পাঠান এখন কোথায়? ইউসুফ পাঠানকে নিয়ে মাতামাতি হয়। ইরফানকে নিয়ে নয়। হারিয়ে গিয়েছেন ইরফান পাঠান। ইশান্ত শর্মাও কেরিয়ারের গোড়ার দিকে যথেষ্ট সম্ভাবনাময় ছিলেন। দলে ঢোকার জন্য ইশান্ত ও বাংলার রণদেব বসুর মধ্যে দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাও হত। অস্ট্রেলিয়া সফরে ইশান্ত নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন। দুরন্ত একটা স্লোয়ারে অ্যান্ড্রু সাইমন্ডসকে প্যাভিলিয়নে ফেরতও পাঠান ইশান্ত। সাইমন্ডস প্যাভিলিয়নের রাস্তা ধরার সময় ইশান্তকে বলেছিলেন, ‘‘ওয়েল ডান চ্যাম্প।’’ সেই ইশান্ত  এখন কোথায়? আগের সেই ধারও নেই তাঁর। অত্যাধিক রান দেন। উইকেট আসে না ঝুলিতে।

মুস্তাফিজুর এখন ভাল বোলিং করছেন। বাংলাদেশ তাঁর দিকে তাকিয়েও থাকে। কিন্তু তাঁর সম্পর্কে সবাই খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছেন। অতিরিক্ত মুস্তাফিজুর-মুস্তাফিজুর করলে মাথা ঘুরে যেতে পারে এই তরুণ বোলারের। সামনে তাঁর লম্বা ভবিষ্যৎ পড়ে রয়েছে। প্রতিভা রয়েছে। সেই প্রতিভাকে ঘষে মেজে নিজেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যেতেই পারেন মুস্তাফিজুর। দেশের মানুষ প্রত্যাশা করবেন, এটাই তো স্বাভাবিক ব্যাপার। তাই বলে তরুণ এই বোলারের উপরে যেন প্রত্যাশার অতিরিক্ত চাপ না-পড়ে। মুস্তাফিজুরকেও মনে রাখতে হবে, এখনও তিনি কিছুই করেননি। ওয়াসিম আক্রমের কাছাকাছি যাওয়া তো দূর অস্ত। মাথাটা ঠিক রাখলে আরও অনেক কিছুই করতে পারবেন মুস্তাফিজুর। অন্তত সেই সম্ভাবনা এখনও রয়েছে। এই উপমহাদেশের অন্যতম সেরা বোলারও হতেই পারেন তিনি। লক্ষ্যটা স্থির রেখে এগোতে হবে মুস্তাফিজুরকে। নাহলে কিন্তু ইরফান পাঠান-ইশান্ত শর্মার মতোই অবস্থা হবে মুস্তাফিজুরের।

http://ebela.in/

এ জাতীয় আরও খবর

স্বনির্ভর দেশ গড়তে গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্ব: পানিসম্পদমন্ত্রী

রংপুর জামায়াত দখল করেছে, অভিযোগ রাশেদ খাঁনের

ইরানে দুই হামলায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে

শনিবার জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর চূড়ান্ত করতে ফের আলোচনা: দ্য হিন্দু

তৃণমূলের নাম-প্রতীক নিয়ে মমতা-ঋতব্রতকে নতুন সিদ্ধান্ত কমিশনের

জামায়াতের ৭১-এর ভূমিকা নিয়ে রাজ্জাকের বক্তব্যের গুরুত্ব তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী

শেখ হাসিনা কালকেই আসুন, হাতকড়া দিয়ে রিসিভ করব: বিমানমন্ত্রী

নির্যাতনের অভিযোগে দাম্পত্যে ইতি, থানায় সমঝোতায় সংগীতশিল্পী কনটেন্ট ক্রিয়েটর ইউসুফ রায়হান ও মুন্নির বিবাহ বিচ্ছেদ

আজ প্রথম প্রেম মনে করার দিন

বিশ্ব বাঁশ দিবস আজ

মূল্যস্ফীতি কমার প্রভাব নেই বাজারে