,

কচুশাক

news-image

বাংলাদেশে অতি পরিচিত একটি শাকপাতা হলো কচুশাক! বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে কচুশাক খুবই জনপ্রিয়। কারণ বাড়ির উঠোনের কোণে, ধানের ক্ষেতে, বিলের ধারে যত্রতত্র বিনা যত্নে জন্মে বলে কচুশাক সহজেই পাওয়া যায়, কিনে খেতে হয় না। কচুগাছ জলাভূমি ও শুকনো দু ধরনের জায়গাতেই জন্মায়। কচুরও রয়েছে নানান প্রজাতি। বেশির ভাগ কচুগাছ চাষ করতে না হলেও কিছু কিছু কচু খুব যত্ন নিয়ে চাষ করা হয়।
 
কচুশাককে আমরা ভিটামিন এ-এর খুব ভালো উত্স হিসেবে জানি। রাতাকানা রোগসহ ভিটামিন এ-এর অভাবে হওয়া সকল ধরনের রোগ প্রতিরোধে কচুশাক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভিটামিন এ-এর পাশাপাশি এতে রয়েছে ভিটামিন বি এবং সি-ও। তাই মুখ ও ত্বকের রোগ প্রতিরোধেও কচুশাক সমান ভূমিকা রাখে। এতে রয়েছে উচ্চমাত্রার পটাশিয়াম, তাই হূদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকিও কমায়।
 
যেখানে সেখানে জন্মে এবং খুব বেশি সহজলভ্য বলে কচুশাককে অনেকেই গুরুত্ব দিতে চান না। কিন্তু এই কচু শাকই আপনার দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদার অনেকখানি পূরণ করতে পারে। প্রতি ১০০ গ্রাম কচুশাকে রয়েছে—
খাদ্যশক্তি :৪২ কিলোক্যালরি
শর্করা :৬.৭ গ্রাম
চিনি :৩ গ্রাম
খাদ্যআঁশ :৩.৭ গ্রাম
চর্বি :০.৭৪ গ্রাম
আমিষ :৫ গ্রাম
ভিটামিন এ :২৪১ আইইউ
বিটা ক্যারোটিন :২৮৯৫ আইইউ
থায়ামিন :০.২০৯ মিলিগ্রাম
রিবোফ্লেভিন :০.৪৫৬ মিলিগ্রাম
নিয়াসিন :১.৫১৩ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি৬ :০.১৪৬ মিলিগ্রাম
ফোলেট :১২৬ আইইউ
ভিটামিন সি :৫২ মিলিগ্রাম
ভিটামিন কে :১০৮.৬ আইইউ
ক্যালসিয়াম :১০৭ মিলিগ্রাম
আয়রন :২.২৫ মিলিগ্রাম
ম্যাগনেসিয়াম :৪৫ মিলিগ্রাম
ম্যাংগানিজ :০.৭১৪ মিলিগ্রাম
ফসফরাস :৬০ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম :৬৪৮ মিলিগ্রাম
জিংক :০.৪১ মিলিগ্রাম
নানান গুণের আধার কচুশাক আমাদের শরীরকে সুস্থ্য ও সবল রাখার জন্য বিভিন্ন কার্যাবলি সম্পাদন করে। যেমন :এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, যা দেহের বৃদ্ধি ও কোষ গঠনে ভূমিকা রাখে। এর বিভিন্ন ভিটামিন কোষের পুনর্গঠনে সহায়তা করে। কচুশাকে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাদ্যআঁশ, যা অন্ত্রের বিভিন্ন রোগ দূরে রাখে, পরিপাকক্রিয়া ত্বরান্বিত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
 
এর আয়রন ও ফোলেট রক্তে লোহিত কণিকার পরিমাণ বাড়ায়। ফলে অক্সিজেন সংবহনও পর্যাপ্ত থাকে। এতে উপস্থিত ভিটামিন কে রক্ত জমাটবাঁধার সমস্যা প্রতিরোধ করে। 
কচুশাকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ম্যাগনেসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। দাঁত ও হাড় গঠনে ও ক্ষয়রোগ প্রতিরোধে এসব উপাদানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাতকানা, ছানিসহ চোখের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে ও দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে কচুশাক অতুলনীয়।

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা