,

রোগী দর্শন ও মুসলমানের হক

alazhar_70964 (1)লাইফস্টাইল ডেস্ক : হজরত আবু মুসা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ক্ষুধার্তকে আহার দাও, রোগীর খোঁজখবর নাও এবং বন্দিদের মুক্ত কর। (বুখারি)

হজরত আবু হোরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, এক মুসলমানের ওপর অন্য মুসলমানের পাঁচটি হক আছে। ১. সালামের উত্তর দেওয়া। ২. রোগীর খোঁজখবর নেওয়া। ৩. জানাজার সঙ্গে যাওয়া। ৪. দাওয়াত কবুল করা। ৫. হাঁচিদানকারীর উত্তর দেওয়া। (মুসলিম)

মহানবী (সা.) আরও বলেন, এক মুসলমানের ওপর অন্য মুসলমানের হক ছয়টি। জিজ্ঞাসা করা হলো- ইয়া রসুল্লাহ! সেগুলো কি কি? তিনি বললেন, ১. যখন তুমি কোনো মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে তাকে সালাম দিবে। ২. তোমাকে সাহায্যার্থে বা খাবার জন্য ডাকলে তুমি সাড়া দিবে। ৩. তোমার কাছে মঙ্গল কামনা করলে তুমি তার মঙ্গল করবে। ৪. হাঁচি দিয়ে আলহাম্দুলিল্লাহ বললে তুমি উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলবে। ৫. অসুস্থ হলে তার খোঁজখবর নিবে। ৬. মৃত্যুবরণ করলে জানাজা দাফন ইত্যাদিতে শরিক হবে। (মুসলিম)।

হজরত বারা ইবনে আযেব থেকে বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত অপর হাদিসে আরও দুটি হকের কথা বলা হয়েছে। সেগুলো হলো- ১. শপথকারীকে সত্যায়িত করা। ২. মজলুমের সাহায্য করা। (মিশকাত)।

হজরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) ইরশাদ করেন- নিশ্চয় কোনো মুসলমান যখন তার অপর মুসলমান ভাইয়ের রোগ দর্শনে যায়, তখন সেখান থেকে ফিরে আসা পর্যন্ত সে যেন বেহেশতের ফল ভক্ষণে লিপ্ত থাকে। (মুসলিম)।

নবী কারীম (সা.) আরও বলেন, তোমরা কোনো অসুস্থ ব্যক্তির কাছে গেলে তার জীবন সম্পর্কে তার দুর্ভাবনা দূর কর। কেননা, তোমাদের এ সান্ত্বনা তাকদির ফেরাতে না পারলেও তার মন তো খুশি হবে। (তিরমিজি)।

মহানবী (সা.) আরও বলেন, যে ব্যক্তি রোগী দর্শন করে, সে রহমতের সাগরে প্রবেশ করতে থাকে। যখন সে রোগীর কাছে গিয়ে বসে, তখন সে রহমতের মধ্যে ডুবে যায়। (আহমদ)।

হজরত ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করন, তুমি কোনো রোগীর কাছে গেলে তোমার জন্য দোয়া করতে বল। কেননা, রোগীর দোয়া ফেরেশতাদের দোয়ার মতো। (ইবনে মাজাহ্)।

হজরত আবু হোরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) বলেন, কোনো ব্যক্তি রোগী দেখার জন্য গেলে আসমান থেকে এক ফেরেশতা ঘোষণা দিতে থাকে যে, তুমি খুশি হও, তোমার চলাফেরা ভালো হোক এবং বেহেশতে তুমি একটি উচ্চমর্যাদার আসন গড়ে নিলে। (ইবনে মাজাহ)।

হজরত আলী (রা.) বলেন, আমি রসুল (সা.) কে বলতে শুনেছি, কোনো মুসলমান দিনের প্রথম ভাগে অন্য মুসলমান রোগী দেখতে গেলে সন্ধ্যা পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য রহমত ও মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকে। আর দিনের শেষভাগে গেলে পরদিন সকাল পর্যন্ত সত্তর হাজার ফেরেশতা তার জন্য রহমত ও মাগফিরাতের দোয়া করতে থাকে। উপরন্তু ওই ব্যক্তির জন্য জান্নাতে একটি বাগান থাকবে। (আবু দাউদ)।

রসুল (সা.) আরও বলেন, যে ব্যক্তি ভালোভাবে অজু করে, সাওয়াবের আশায় কোনো মুসলমান রোগী দেখতে যায়, তাকে জাহান্নাম থেকে ষাট বছরে অতিক্রম্য পরিমাণ দূরত্বে রাখা হবে। (আবু দাউদ)।

এ জাতীয় আরও খবর

আলমনগরে মেধাবীদের বৃত্তি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, উন্নয়নে অগ্রাধিকারের আশ্বাস এমপি আব্দুল মান্নানের

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন

পূজার আয়োজনে ঘরেই বানান নারিকেলের নাড়ু

লোকসান ও বিদ্যুৎ বিলের চাপে বন্ধ হচ্ছে উল্কা সিনেমা হল

সব সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার কথা বলল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ: রিজভী

মঙ্গলবার থেকে টানা ৫ দিনের ছুটি, ছুটিতে থাকবেন না যারা

ঢাকায় তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার আভাস

ফ্রান্সে বিক্ষোভ-সহিংসতা, গ্রেপ্তার ২ হাজার ৪০০

সেঞ্চুরির পর ঘরোয়া ক্রিকেটের প্রশংসায় আগা সালমান

টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা

জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

ফ্রান্সে সহিংসতা, অপরাধীদের শাস্তির হুঁশিয়ারি ম্যাক্রনের