,

চে’র মরদেহের ছবি প্রদর্শনীতে

ee9683a4b778746f8d1d6ed1e5144cfc-01-CHE-PHOTOSলাইফস্টাইল ডেস্ক :প্রায় অর্ধেক শতাব্দী ধরে লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিল এসব ছবি। লাতিন আমেরিকার মার্ক্সবাদী বিপ্লবী আর্নেস্তো চে গুয়েভারাকে হত্যার পরপরই বার্তা সংস্থা এএফপির এক আলোকচিত্রী ছবিগুলো তুলেছিলেন। মুখভর্তি উস্কোখুস্কো দাড়ি-গোঁফে চির-পরিচিত চে একটা স্ট্রেচারে শুয়ে আছেন খোলা চোখে, তাঁর নগ্ন বুক রক্তে মাখামাখি। এমন আটটা সাদা-কালো ছবি নিয়ে এখন প্রদর্শনী চলছে বলিভিয়ার ছোট্ট স্প্যানিশ শহর ভাল্লেগ্রান্দেতে। মাদ্রিদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

১৯৬৭ সালের ৯ অক্টোবর বলিভিয়ার সেনাবাহিনীর হাতে চে গুয়েভারা নিহত হন। চে’র মৃত্যুর পরপরই সেনা প্রহরায় এক আলোকচিত্রী ওই ছবিগুলো তুলেছিলেন। ছবিগুলোর বর্তমান মালিক বলিভিয়ার রিকলা শহরের কাউন্সিলর ইমানোল আরতেগা। আরতেগার মামা লুইস কুয়েরতেরো চে’র মৃত্যুর সময় বলিভিয়ায় খ্রিষ্টান মিশনারি হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ওই আলোকচিত্রীর কাছ থেকে ছবিগুলো পেয়েছিলেন। আরতেগার ধারণা, এই ছবিগুলো এএফপির আলোকচিত্রী মার্ক হুটেনের তোলা এবং তিনিই কুয়েরতেরোকে এগুলো দেন।

স্প্যানিশ মিশনারি লুইস কুয়েরতেরোর ভাগনে ইমানোল আরতেগা তাঁর কাছে থাকা চে গুয়েভারার মরদেহের ছবি দেখাচ্ছেন। ছবিগুলো এএফপির আলোকচিত্রী মার্ক হুটেনের তোলা বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছবি: এএফপিআরতেগা বলেন, ‘১৯৬৭ সালের নভেম্বরে আমার মা-বাবার বিয়েতে আসার সময় কুয়েরতেরো ওই ছবিগুলো নিয়ে আসেন। আমার মা ও খালা আমাকে বলেছেন, এক ফরাসি সাংবাদিক তাঁকে ছবিগুলো দিয়েছিলেন।’ ২০১২ সালে কুয়েরতেরোর মৃত্যুর পর তাঁর জিনিসপত্রের বাক্স-পেটরা থেকে ছবিগুলো খুঁজে পান বলেও জানিয়েছেন আরতেগা। তিনি আরও জানান, সম্ভবত বলিভিয়া থেকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ছবিগুলো ইউরোপে পাঠানোর জন্যই কুয়েরতেরোকে সেগুলো দিয়েছিলেন হুটেন। কেননা সেই সময় কুয়েরতেরো ইউরোপে আসছিলেন এবং একজন মিশনারি হিসেবে তাঁর কাছে ছবিগুলো নিরাপদ থাকার কথা।

চে’র মরদেহের এই আলোকচিত্রগুলো আসল কি না, তা যাচাই করে দেখার কথাও জানিয়েছেন ইমানোল আরতেগা। ছবিগুলোর ছাপার কাগজ এবং রাসায়নিক পরীক্ষা করে এক আলোকচিত্র বিশেষজ্ঞ নিশ্চিত করেছেন যে এগুলো ষাটের দশকেই প্রিন্ট করা। এদিকে, এএফপির ইউরোপ ও আফ্রিকা অঞ্চলের আলোকচিত্র বিভাগের প্রধান সিলভিয়ান এসতিবাল বলেছেন, ‘মার্ক হুটেন জানিয়েছিলেন যে তিনি চার থেকে পাঁচ রিল ছবি প্যারিসে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যে সেসবের অল্প কয়েকটিই এএফপির আলোকচিত্র সম্পাদকের কাছে পৌঁছেছিল। বাকি ছবিগুলো কোথায় তা আজও রহস্য হয়েই আছে।’

এ জাতীয় আরও খবর

ইউক্রেনকে স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি দেবে যুক্তরাজ্য

বিএনপি সরকার ৬ মাসে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ: নাহিদ ইসলাম

বাংলাদেশে বিনিয়োগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান

মঙ্গলবার পবিত্র সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠান উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি

নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাসে অর্থনীতির কাঙ্ক্ষিত পুনরুদ্ধার হয়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা

সবাই রেডি হলে স্থানীয় নির্বাচন হবে: সিইসি

ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৯৪

বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, যেসব বিষয়ে আলোচনা

রংপুরে ৪ হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে তথ্য দিল ফরেনসিক বিভাগ

শিক্ষার্থীদের মিড-ডে মিলের মান নিয়ে যেন আপস না করা হয়: প্রধানমন্ত্রী

হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্ট নুসরাতের মা