শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোদির অবিস্মরণীয় ভারত জয়। শপথ নেবেন বুধবার

1_6263ডেস্ক রিপোর্ট :সব জল্পনা-কল্পনা, হিসাব-নিকাশ আর তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ গঙ্গাজলে ভাসিয়ে দিয়ে অবিস্মরণীয় ব্যালট বিপ্লবে ভারত জয় করলেন নরেন্দ্র মোদি। গোটা দুনিয়া দেখল ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে ব্যালট বিপ্লবে নরেন্দ্র মোদির দিল্লি বিজয়। যে দিল্লিতে কংগ্রেসের দাপট ছিল, সেখানে সাতটি আসনেই জয়লাভ করেছেন মোদির প্রার্থীরা। কংগ্রেস প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি। বিজয়ের পর নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভারতের জয় হয়েছে। সুদিন আসছে। অন্যদিকে দুই মিনিটের প্রেস ব্রিফিংয়ে কংগ্রেস কার্যালয়ে সোনিয়া গান্ধী পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন। এবারের ভোটযুদ্ধে ডুবন্ত কংগ্রেসের ব্যর্থ সেনাপতি রাহুল ছিলেন তার পাশে। রাহুল বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। ভারতবাসী তো বটেই, বিজেপিও এমন ফলাফল ভাবতে পারেনি। প্রবীণ বিজেপি নেতা এল কে আদভানি নরেন্দ্র মোদির পরিশ্রমের কথা স্বীকার করলেও ভারতজুড়ে বয়ে যাওয়া ‘মোদি ঝড়ের’ দিকে না গিয়ে বলেছেন, কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, সুশাসনের ব্যর্থতা ও পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধে ভারতবাসী রায় দিয়েছে। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং টেলিফোনে নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। আজ তিনি পদত্যাগ করছেন। আগামী ২১ মে মোদি সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে। ৪ জুন রাজ্যসভা ও লোকসভার যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ভাষণ দেবেন। এর আগেই লোকসভার নির্বাচিত সদস্যরা শপথ গ্রহণ করবেন। ২ জুন প্রোটেন স্পিকার নির্বাচিত করা হবে প্রবীণ সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে একজনকে। তার নির্বাচনের সাময়িক সময় পর মূল স্পিকার নির্বাচন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নতুন স্পিকার হবেন বিজেপির প্রবীণ নেতা এল কে আদভানি। এক প্রতিক্রিয়ায় আদভানি বলেছেন, দেশ মোদিকে আশীর্বাদ করেছে। মোদি ঝড়ে মাটিতে শুয়ে যাওয়া বামফ্রন্ট নেতা বিমান বসু বলেছেন, এই ফলাফল অপ্রত্যাশিত।গতকাল সকাল ৮টা থেকে ফলাফল ঘোষণা শুরু হতে থাকে। আর দিল্লির অশোকা রোডের বিজেপি কার্যালয়ের ভেতরে-বাইরে নারী-পুরুষরা গেরুয়া টুপি, দলীয় প্রতীক পদ্মফুল আঁকা ওড়না গায়ে পরে, ঢোল বাদ্য বাজনা নিয়ে নেচে-গেয়ে উল্লাস করেন। রীতিমতো মাস্তি জমেছিল বিজেপি কার্যালয়ের ভেতরে-বাইরে। আগের রাতের তৈরি এক লাখ দিল্লির লাড্ডু পরিবেশন করা হয়েছে কর্মীদের মাঝে। ভিড় সামলাতে অশোকা রোডের দুই প্রবেশমুখ পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিল।এদিকে দুপুরের দিকে আকবর রোডের কংগ্রেস কার্যালয়ে হতাশাগ্রস্ত কর্মীরা জড়ো হয়ে রাহুলকে বিদায় করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে নেতৃত্বে আনার দাবি তুলেছেন। তারা স্লোগান দিয়েছেন, হটাও রাহুল, লে আও প্রিয়াঙ্কা।ভারতবর্ষ জুড়ে ভোটের ফলাফলে বিজেপির পদ্মফুল ফুটলেও কংগ্রেসের পাঞ্জা এতটাই দুর্বল হয়েছে যে লড়তেই পারেনি। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে ভারতের গণতন্ত্রের মহান নেত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হলে তার রক্তের ওপর দিয়ে ইন্দিরার প্রতি ভারতবাসীর আবেগ কাজে লাগিয়ে পুত্র রাজীব গান্ধী ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে এককভাবে কংগ্রেসকে ৪২৪টি আসন দিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন। গুজরাটের এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান নরেন্দ্র মোদি বাবার সঙ্গে চা বিক্রি করে আরএসএসে যোগ দিয়ে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেই অভিষিক্ত হননি, ৩০ বছর পর ইতিহাসের চাকা উল্টে দিয়ে বিজেপিকে সর্বভারতীয় দল হিসেবে আবির্ভূত করলেন। পাশের বাড়িতে কাজ করা মা হীরা বেন সকাল থেকেই পুজোয় বসেছিলেন। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদি গান্ধীনগরের বাড়িতে বসেই টিভিতে দেখছিলেন ভোটের ফলাফল। দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে মায়ের সামনে গেলে পরম স্নেহে ৬৩ বছরের ছেলে মোদিকে আশীর্বাদ করেন বৃদ্ধা মা। তিনি ভারতের আগামী প্রধানমন্ত্রীকে মিষ্টিমুখও করান। সে সময় নরেন্দ্র মোদি আরও বলেছেন, দল ও ব্যক্তির নয়, জয় হয়েছে গণতন্ত্রের, দেশের। দেশ গঠনে সবাইকে তার সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। রাজ্যসভায়ও আধিপত্য বজায় রাখতে সবাইকে সঙ্গে চান তিনি।ভারতের ৬০ বছরের ইতিহাসে লোকসভায় সর্বোচ্চ ভোট প্রাপ্তিরও ইতিহাস গড়লেন মোদি। গুজরাটের ভাদোদরা আসনে ৫ লাখ ৭০ হাজার ভোট পেয়ে তিনি জয়লাভ করেছেন। একই সঙ্গে কংগ্রেসের ৬০ বছরের ইতিহাসে কলঙ্কের তিলক পরিয়ে দিলেন নেতৃত্বের কপালে। কারণ ৬০ বছরে এমন করুণ পরাজয় কখনো দেখেনি কংগ্রেস। বেলা ৪টায় দুই মিনিটের প্রেস ব্রিফিংকালে সোনিয়া-রাহুলের চেহারায় উজ্জ্বলতা দেখা যায়নি। ব্রিফিংস্থলে রাহুলকে সোনিয়া নিয়ে এলেন বিষণ্ন চেহারায়। যেন বুকের ভেতর অনেক কান্না। একবার হাসি দিলেও সেটি শুকনো মনে হয়েছে। শুধু কংগ্রেসই নয়, আঞ্চলিক দলগুলোরও বিপর্যয় ঘটেছে মোদি সুনামিতে। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, বিজেপি একাই ২৮৫টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। আর বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট পেয়েছে ৩৪০ আসন। এককভাবে সরকার গঠনের ম্যাজিক সংখ্যা ২৭২ অতিক্রম করেছে বিজেপি। ঐতিহ্যবাহী কংগ্রেস মাত্র ৪৪টি আসনে বিজয়ী হয়েছে। বিপরীতে কংগ্রেসের ইউপিএ জোট পেয়েছে ৫৮টি আসন। ফলাফল যা ঘটছে তাতে ৫৪৩ আসনে লড়াই শেষে রাষ্ট্রপতি দুজনকে মনোনয়ন দানের পর ৫৪৫ আসনের লোকসভায় আসনবিন্যাসে টানা ১০ বছরের শাসন থেকে হটিয়ে দেওয়া কংগ্রেসকে খুঁজতে হবে তামিলনাড়–র জয়ললিতার এডিএমকে বা মমতার তৃণমূলের পাশে। জয়ললিতার জোট তামিলের ৩৯টি আসনের ৩৭টি দখল করে তৃতীয় শক্তি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। চতুর্থ অবস্থানেই রয়েছে তৃণমূল। পশ্চিমবঙ্গের ৪২ আসনের মধ্যে ৩৪টিই দখল করেছে তারা। বিগত নির্বাচনে তাদের আসন ছিল ১৮টি। বাঁকুড়ায় সুচিত্রাকন্যা মুনমুন সেন টানা নয়বারের বিজয়ী সিপিআইএমের বর্ষীয়ান পার্লামেন্টারিয়ান বাসুদেব আচার্যকে হারিয়ে দিয়েছেন। উত্তর প্রদেশের ৮০টি আসনের ৭৩টি বিজেপির দখলে। সেখানে মুলায়ম সিং যাদব জিতলেও তার দলের অবস্থা করুণ। এত দিন মালিকানা দাবি করলেও মায়াবতীর অস্তিত্ব বিলীন করে দিয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। তবে মোদি সুনামিতেও জিতে আসতে পারেননি বিজেপির রণকৌশল নির্ধারক খ্যাত প্রভাবশালী নেতা অরুণ জেটলি। দুর্ভাগ্য তার, স্বর্ণমন্দির খ্যাত পাঞ্জাবের অমৃতসর আসনে হেরে গেছেন কংগ্রেসের ক্যাপ্টেন অরিন্দমের কাছে। বহুল আলোচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী চরণসিংহপুত্র অজিত সিংহ হেরে গেছেন।বিহারের লালুপ্রসাদ যাদবের রাষ্ট্রীয় জনতা দলেরও খবর পাওয়া যাচ্ছে না। লালুর বউ রাবড়ী দেবীও পরাজিত। আম আদমি পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল বারানসিতে নরেন্দ্র মোদির কাছে শোচনীয়ভাবে হেরেছেন। ভারতবাসী কংগ্রেস থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেও গান্ধী পরিবার থেকে, আমেথি ও রায়বেরিলি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে পারেননি। রায়বেরিলিতে বিপুল ভোটে জিতেছেন সোনিয়া গান্ধী। আমেথিবাসী বিজয়মাল্য পরিয়েছেন রাহুলকে। তবে সেখানে জিততে অনেক ঘাম ঝরেছে তার। ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ মানেকা গান্ধী ও নাতি বরুণ গান্ধী জিতেছেন বিজেপি থেকে। আমেথিতে হারলেও ছোট পর্দার নায়িকা স্মৃতি ইরানির ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।ডুবন্ত কংগ্রেসের তরীতে ঝড়ের কবলে পতিত পাখির মতো উঠে এসেছেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির ছেলে অভিজিৎ মুখার্জি। পশ্চিমবঙ্গের জঙ্গিপুর থেকে তিনি জিতেছেন। তবে লোকসভায় চারটি আসন নিয়ে নতুন দল হিসেবে নাম লেখাল আম আদমি পার্টি। নরেন্দ্র মোদি এককভাবে দিল্লিই জয় করেননি, নিজ রাজ্য গুজরাটের ২৬ আসনের প্রতিটিতেই বিজেপির পদ্মফুল ফুটিয়েছেন। রাজস্থানের ২৫টির সব কটি দখল করে নিয়েছে বিজেপি। জম্মু-কাশ্মীরের ছয়টির মধ্যে তিনটি, মধ্যপ্রদেশের ২৯টির মধ্যে ২৭, উড়িষ্যায় ২১টির মধ্যে তিনটি। দমনদিউ ও তাদ্রায় দুটি আসনের দুটিতেই আর আসামের ১৪টির অর্ধেক দখল করেছে বিজেপি। সেখানে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী পরাজয়ের দায় মাথায় নিয়ে পদত্যাগ করেছেন। মহারাষ্ট্রের ৪৮টির মধ্যে ৪১টিই বিজেপির। উত্তরখণ্ডের পাঁচটির সবই বিজেপির। অরুণাচলে দুটির একটি, বিহারে ৪০টির ৩২টি দখল করেছে বিজেপি।মোদির মন্ত্রিসভায় যারা থাকছেনলোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের পর সর্বত্রই আলোচনা হচ্ছে কারা থাকছেন মোদির মন্ত্রিসভায়। নরেন্দ্র মোদি এনডিএ জোটের শরিকদের সবাইকেই ঠাঁই দেবেন তার সরকারে। আলোচনা হচ্ছে বিজেপির প্রবীণ নেতা এল কে আদভানি হচ্ছেন স্পিকার।বিজেপি সভাপতি রাজনাথ সিং হবেন প্রতিরক্ষা বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সুষমা স্বরাজকে বাইরেই নাকি রাখতে চেয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু খবর পেয়ে সুষমা বেঁকে বসেন। পরে মোদির সঙ্গে বৈঠক করে রাজনাথ আবার বৈঠকে বসেন সুষমার সঙ্গে। আলোচনা হচ্ছে সুষমা কি তাহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হচ্ছেন?অমৃতসরে পরাজিত দলের রণকৌশল নির্ধারক অরুণ জেটলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী না হলে হয়তো অর্থমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। আমেথিতে রাহুল গান্ধীর ঘাম ঝরানো ছোট পর্দার নায়িকা স্মৃতি ইরানি তথ্যমন্ত্রী হয়ে যেতে পারেন। মনোহর জোশি, যশোবন্ত সিং এরাও থাকছেন কেবিনেটে। গত রাতে বিভিন্ন রাজ্যের দলগুলোকেও তার সরকারে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দরকষাকষির সুযোগ না থাকায় তাতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা কম। আজ শনিবার আভাস পাওয়া যাবে কারা হচ্ছেন মোদি সরকারের সঙ্গী।সবাইকে নিয়েই দেশ চালাব : মোদিদেশ চালাতে সব রাজনৈতিক দলকে নিয়েই চলতে চান বলে পরিষ্কার করে জানিয়ে দিলেন ভারতের ভাবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দলের অপ্রত্যাশিত জয়ের পরই গতকাল সন্ধ্যায় নিজের কেন্দ্র ভদোদরায় এক জনসভায় উপস্থিত হন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিতে শত্রু“ বলে কেউ নেই। সবাই নিজের লোক। সরকারের কাছে আপন-পর বলেও কেউ নেই’। দেশের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নে সব বিরোধী দলকে সঙ্গে নিয়েই তিনি চলবেন। প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে নিজের বক্তব্য রাখেন মোদি। তিনি বলেন, ‘সরকার কোনো দলের ব্যক্তিগত বিষয় নয়, এটা সমগ্র দেশের। আর দেশের নেতা হিসেবে সেই দেশের ভালোমন্দ দেখার দায়িত্বও আমার।  আমার দায়িত্ব পালনে  কোনো ফাঁক থাকবে না’। দেশের এই ভাবী প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘স্বাধীনতার জন্য জীবন বলিদান করার সুযোগ পাইনি ঠিকই কিন্তু এখন সুশাসনের লক্ষ্যে আমরা জীবন দিতে পারি’। মোদির মতে, গণতন্ত্রে শুধু প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকে, আর নির্বাচনের সঙ্গেই সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতারও খতম হয়। তিনি বলেন, ‘আমার মন্ত্র ‘সবকে সাথ, সবকা বিকাশ (সবার সঙ্গে, সবার উন্নয়নে)’।মঞ্চে ওঠার পরই মোদিকে দেখতে জনতার ঢল নেমেছিল ভদোদরা ময়দানে। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে মোদির প্রথম কথা ছিল, ‘সুদিন আসছে’ তার সেই বক্তব্যের পরই মোদি মোদি স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের জন্য থামলেন তিনি। তারপর বললেন, এদিন সকাল থেকেই গণমাধ্যম আমার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল কিন্তু আমি ঠিক করেছিলাম ভদোদরা থেকেই আমি প্রথম মুখ খুলব, কারণ আমার কাছে ভদোদরাবাসীর অধিকার আছে’। গুজরাটের ২৬টির সবকয়টি আসনে বিজেপিকে জেতানোর জন্য রাজ্যবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মোদি। বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম গুজরাটের কোনো মানুষ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন। 

এ জাতীয় আরও খবর

রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গিয়ে অসুস্থ মির্জা ফখরুল

উত্তরাঞ্চলের মানুষ ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত : নাহিদ ইসলাম

জিয়াউর রহমান হত্যায় আটক মেজর মোজাফফরকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর

যুক্তরাষ্ট্রে স্টুডেন্ট ভিসায় বড় পরিবর্তন, বিপাকে শিক্ষার্থীরা

রাজস্ব-মূল্যস্ফীতি-ব্যাংকিং সংকট নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে সিরিজ বাঁচাতে পারবে বাংলাদেশ?

বিচ্ছেদের পর গোপন প্রেমের গুঞ্জন মৌনীর

প্রেগন্যান্সিতে স্পটিং কি স্বাভাবিক?

আর্জেন্টিনার সঙ্গে বিয়ের কী সম্পর্ক : তিশা

টাকা দিয়ে পুরস্কার কিনে নিতে পারবো : আলিয়া

ফাইনালের আগে স্পেনের জন্য বড় দুঃসংবাদ

পর্দার বাইরে জীবন খুব সাধারণ: স্পর্শিয়া