মুসাকে অন্য আসামিদের মুখোমুখি করা হবে: ডিবি

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু হত্যায় সন্দেহভাজন মূল পরিকল্পনাকারী সুমন শিকদার ওরফে মুসাকে এর আগে গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের মুখোমুখি নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ জন্য ওমানে গ্রেপ্তারের পর দেশে ফিরিয়ে আনা মুসাকে আজ ১৫ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আদালতে পাঠিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তার। তিনি বলেন, হত্যার মূল সমন্বয়কারী বিদেশে থাকায় তদন্তে গতি কমে যায়। এখন মুসাকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই হত্যার ব্যাপারে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তদন্তে টিপু হত্যায় মুসার সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। ডিবি কার্যালয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেও সে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে। সে ছিল কিলিং মিশনের পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারী। টিপু হত্যায় আরও কে কে জড়িত ও হত্যার মূল কারণ সম্পর্কে জানা যাবে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর।

এ ঘটনার সঙ্গে মোল্লা শামীম নামে একজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগে আমরা নিশ্চিত হবো তিনি কোথায় পালিয়েছেন? এ ছাড়া কীভাবে তিনি পালিয়েছেন সে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ডিবি জানায়, গত ২৪ মার্চ রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরে এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হন জাহিদুল ইসলাম টিপু। সে সময় ঘটনাস্থলে রিকশায় বসে থাকা কলেজছাত্রী সামিয়া আফরিন ওরফে প্রীতি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় শাহজাহনপুর থানায় একটি মামলা হয়। ডিবি মতিঝিল বিভাগ এ ঘটনার তদন্ত শুরু করে।

একপর্যায়ে মূল শুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশকে গত ২৭ মার্চ গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে সে নিজের দোষ স্বীকার করে এবং হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ও সমন্বয়কারী হিসাবে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুমন সিকদার মুসার নাম জানায়। সংশ্লিষ্টতা পেয়ে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে ডিবি।

জানা যায়, মুসা ১২ মার্চ সংযুক্ত আরব আমিরাতের উদ্দেশে বাংলাদেশ ছেড়েছে। এরপর তার সঠিক অবস্থান নিশ্চিত না হতে পেরে ডিবি ৬ এপ্রিল পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি শাখায় চিঠি পাঠায়। এরপর ৮ এপ্রিল প্রতিবেশী দেশসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ইন্টারপোলের মাধ্যমে চিঠি পাঠিয়ে যোগাযোগ রক্ষা করতে থাকে এনসিবি।

পরে জানা যায়, মুসা গত ৮ মে দুবাই থেকে ওমানে প্রবেশে সময় ইন্টারপোলের ওমান পুলিশ এনসিবির সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ৯ জুন তাকে ওমান থেকে দেশ ফিরিয়ে আনা হয়। এই মামলায় মুসাসহ মোট ১৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুসার নামে ঢাকা মহানগরের পল্লবী ও মতিঝিলসহ বিভিন্ন থানায় হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১২/১৩টি মামলা রয়েছে।

এ জাতীয় আরও খবর

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া

সিনেট হারাল ট্রাম্পের দল, নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটরা

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান