ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত : দুই ছেলেকে পুলিশে দিলেন মা-বাবা

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক কক্সবাজার : কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায় দুই ছেলেকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন তাদের মা-বাবা। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ওই দুই ছেলে হলেন-মো. শিহাব উদ্দিন ও আবির হোসেন সান।

জানা যায়, গত শুক্রবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৭টার দিকে তারাবির নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় কক্সবাজার শহরের ঝাউতলা গাড়ির মাঠ এলাকার মো. আবুল হাসেমের ছেলে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম রিগ্যানকে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আহত করে একদল দুবৃর্ত্ত। এ ঘটনায় রিগ্যানের বাবা আবুল হাসেম বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫/৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলায় ৩ ও ৪নং আসামি করা হয় পশ্চিম নতুন বাহারছড়ার মো. ইউছুপের ছেলে মো. শিহাব উদ্দিন ও আবির হোসেন সানকে। পরে ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানার পর দুই ছেলেকে নজরবন্দি করে রাখেন মা-বাবা। এরপর শিহাব ও আবিরকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন বাবা মো. ইউছুপ ও মা আলেয়া বেগম।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বাবা মো. ইউছুপ জানান, ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনায় তার দুই ছেলে জড়িত নয়। ঘটনার সময় তারা দুজন বাড়িতেই ছিল। তবুও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে পুলিশি হয়রানি থেকে বাঁচতেই ছেলেদের পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।

যারা রিগ্যানের উপর ছুরি চালিয়েছে তাদের শাস্তি দাবি করে ইউছুপ বলেন, ‘যদি আমার সন্তানও জড়িত থাকে সেও যেন শাস্তি পায়। কিন্তু যদি আমার সন্তান নিরাপরাধ হয় তাহলে যেন মুক্তি পায়। তাই আমি এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবি জানাচ্ছি।’

 

এ জাতীয় আরও খবর

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া

সিনেট হারাল ট্রাম্পের দল, নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটরা

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান