প্রেমিককে বেঁধে রেখে নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৫

news-image

নিজস্ব প্রতিবেদক : মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সূত্রে ঢাকার এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এক নারীর। তিনি প্রেমিকের সঙ্গে দেখা করতে ঢাকায় আসেন। দেখাও হয় তাদের। এরপর ফেরার পথে তিনি পড়েন একদল বখাটের খপ্পরে। তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় একটি নির্মাণাধীন ভবনে। সেখানে প্রেমিককে বেঁধে রেখে ওই নারীর ওপর চালানো হয় পাশবিক নির্যাতন।

২৫ ডিসেম্বর রাতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে রাজধানীর উত্তরায়। ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচ ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তার আসামিরা হলো- সোহেল রানা, জয়নাল আবেদীন, মইনুল হোসেন, সুমন আলী ও মাসুম আলী।

বৃহস্পতিবার উত্তরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার তাপস কুমার দাস বলেন, উত্তরা-৬ নম্বর সেক্টরের দুই নম্বর সড়কের চার নম্বর ভবনে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার পর তিনি তার বাড়িতে ফিরে যান। চিকিৎসা নিয়ে সেরে ওঠার পর তিনি আবারও ঢাকায় আসেন এবং বৃহস্পতিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। এর পরপরই জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসে পুলিশ।

পুলিশ সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী নারীর প্রেমিক পেশায় নির্মাণ শ্রমিক। ফোনে কথোপকথনের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠায় তারা বিয়ের কথা ভাবছিলেন। সেই আলোচনা চূড়ান্ত করতেই ঢাকায় আসেন নারী। ঘটনার রাতে তারা দু’জন একসঙ্গে হেঁটে যাওয়ার সময় কয়েকজন তাদের পথরোধ করে। তাদের জোর করে পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রেমিককে বেঁধে রেখে মারধর করে দুর্বৃত্তরা। এরপর নারীকে ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দিয়ে দু’টি মোবাইল ফোন, কানের দুল ও নগদ টাকা কেড়ে নেওয়া হয়। তবে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়নি। বরং ওই নারীকে একে একে ধর্ষণ করে পাঁচ আসামি। প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অত্যাচারের পর ভোরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনা কাউকে জানালে হত্যা করা হবে বলে হুমকিও দেওয়া হয়। এ কারণে ভীত হয়ে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে কিছু বলেননি। তবে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানায় মামলা করেন।

তদন্ত সংশ্নিষ্টরা জানান, গ্রেপ্তার আসামিরা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তারা ভুক্তভোগীর প্রেমিকের পরিচিত। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনা স্বীকার করায় তাদের আর রিমান্ডে নেওয়া হয়নি।

যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ হাতে থাকায় মামলার অভিযোগ প্রমাণে কোনো সমস্যা হবে না বলে মনে করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী নারীর সঙ্গে তার স্বামীর বিচ্ছেদ হয়েছে। তার একটি সন্তান রয়েছে।

 

এ জাতীয় আরও খবর

‘সাধারণ শ্রমিক এমন তাণ্ডব চালাতে পারে না’, বললেন রাশেদ খান

তাহসিফ হত্যা মামলায় দিশার দ্বিতীয় দফায় রিমান্ড

৩৫ বছরেই চলে গেলেন গায়িকা নিকোল টেলর

হরমুজে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলে পাশে থাকবে ইরান

ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ধারণায় বদলেছে ম্যাট ডেমনের কাজের ধরন

স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৩৩২৪ টাকা

৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা আয়োজন

বুড়িমারী সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ

ট্রাম্প-সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে কংগ্রেসে পিয়া ডান্ডিয়া

সিনেট হারাল ট্রাম্পের দল, নিয়ন্ত্রণে ডেমোক্র্যাটরা

মিরপুরে ১০ হাজারের বেশি পুলিশ মোতায়েন

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান